ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হামে শিশু মৃত্যু: ইউনূসসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণে রুল
প্রেম-রোমান্স নির্ভর সিনেমা ও নাটক নির্মাণ বন্ধে লিগ্যাল নোটিশ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চাওয়া রিট খারিজ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার
ঢাকার আদালতপাড়ায় ভাড়ায় মেলে আসামি
২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা
ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশে ১১ মৃত্যু, হাইকোর্টে রিট
গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায় চেম্বার আদালতেও বহাল
পাঁচ করবর্ষে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর পরিশোধে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা গ্রামীণ কল্যাণের আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফলে হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া আবেদনটি আপাতত কার্যকর হলো না।
সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের চেম্বার আদালত আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। আদালত বলেন, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখে ওই রায়ে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়করের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল খারিজ করে গত ১০ সেপ্টেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। এর ফলে পাঁচ করবর্ষের ওই আয়কর পরিশোধে গ্রামীণ কল্যাণের
বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন গ্রামীণ কল্যাণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ-আল-মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ আজাদ। শুনানি শেষে আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনো বের হয়নি। এ কারণে লিভ টু আপিল ফাইল করা যাচ্ছে না। তাই লিভ টু আপিল করার আগ পর্যন্ত রায় বাস্তবায়নে কোনো কার্যক্রম যাতে নিতে না পারে, সে জন্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। চেম্বার বিচারপতি বলেছেন, হাইকোর্ট এখনো লিখিত রায় দেননি। সুতরাং এ বিষয়ে চেম্বার আদালত কোনো হস্তক্ষেপ করবেন
না।’ মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৭ ও ১১ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঢাকার ১৪ নম্বর কর অঞ্চল। এতে পাঁচ করবর্ষে গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর দাবি করা হয়। প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের জন্য এক মাস সময় চেয়ে আবেদন করে গ্রামীণ কল্যাণ। তবে সংশ্লিষ্ট কর অফিস ওই আবেদন নাকচ করে ২৬ সেপ্টেম্বর আদেশ দেয়। পরে ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হলে ১৪ নভেম্বর সেটিও খারিজ করে দেওয়া হয়। এরপর খারিজের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি রিট আবেদন করে গ্রামীণ কল্যাণ। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর
রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত।
বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন গ্রামীণ কল্যাণের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ-আল-মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ আজাদ। শুনানি শেষে আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনো বের হয়নি। এ কারণে লিভ টু আপিল ফাইল করা যাচ্ছে না। তাই লিভ টু আপিল করার আগ পর্যন্ত রায় বাস্তবায়নে কোনো কার্যক্রম যাতে নিতে না পারে, সে জন্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। চেম্বার বিচারপতি বলেছেন, হাইকোর্ট এখনো লিখিত রায় দেননি। সুতরাং এ বিষয়ে চেম্বার আদালত কোনো হস্তক্ষেপ করবেন
না।’ মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৭ ও ১১ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঢাকার ১৪ নম্বর কর অঞ্চল। এতে পাঁচ করবর্ষে গ্রামীণ কল্যাণের কাছে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর দাবি করা হয়। প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের জন্য এক মাস সময় চেয়ে আবেদন করে গ্রামীণ কল্যাণ। তবে সংশ্লিষ্ট কর অফিস ওই আবেদন নাকচ করে ২৬ সেপ্টেম্বর আদেশ দেয়। পরে ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা হলে ১৪ নভেম্বর সেটিও খারিজ করে দেওয়া হয়। এরপর খারিজের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি রিট আবেদন করে গ্রামীণ কল্যাণ। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে গত ১০ সেপ্টেম্বর
রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত।



