ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদানির একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চরম অবনতি
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতিতে আওয়ামী লীগের মিছিলে জনসমুদ্র
চিফ হুইপ: সাদা কাপড় পরে সরকারি অর্থ বাঁচিয়ে তারেক রহমান ২০৫ কোটি ডলার ঋণ শোধ করেছেন
ডনের আচরণে সালমান শাহ হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলছে: সিআইডি
সংসদে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা
মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত চিন্ময়
ফারাক্কার ১০৯ গেটই খোলা, বন্যার আভাস
ডব্লিউএইচও’র উপর অনাস্থা’র অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করলেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
সাবেক বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে বুধবার পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র অনুযায়ী, জাতিসংঘের এই সংস্থা এবং বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের আনা অর্থ অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে সময়ক্ষেপণ এর মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাঁচ বছর মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়া সায়মা ওয়াজেদকে গত বছরের শেষ দিকে বেতনবিহীন প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। এর আগে বাংলাদেশে হাসিনাকে উৎখাতকারী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দুর্নীতি দমন কমিশন ২০২৫ সালের মার্চে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ আনার পর, ওই বছরের জুলাই থেকেই তাকে ছুটিতে পাঠানো হয়। যদিও সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবি বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন এর
কাছে অভিযোগের ভিত্তি ও তদন্তের জন্য বারবার চিঠি পাঠিয়েও দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে কোন সাড়া পায়নি। ডব্লিউএইচও তার আইনজীবীদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে (৩ জুলাই, ২০২৬) অভিযোগ করে, চীন সফর সংক্রান্ত ব্যয়ে তিনি ৯০১ ডলারের আর্থিক অনিয়ম করেছেন এবং নিজের একাডেমিক যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন। সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবি এই অভিযোগ তদন্তের জন্য বারবার তথ্য প্রমাণ চাইলেও হু কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের স্বাপেক্ষে কোন প্রমাণ দিতে গড়িমসি করে। এছাড়া বাংলাদেশে অবৈধভাবে জমি অধিগ্রহণেরও অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। সায়মা ওয়াজেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি অর্জন করেছিলেন এবং বাংলাদেশের একটি আইন অনুযায়ী—যা জাতির জনক
শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য—তিনি এই জমির অধিকারী। সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুসকে লেখা পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, তার নেতৃত্বের প্রতি তিনি “সম্পূর্ণ আস্থা হারিয়েছেন”। প্রায় এক বছর কোনো বেতন না পাওয়ায় তার আর্থিক পরিস্থিতিও অসহনীয় হয়ে উঠেছিল বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মিত্রদের অনেকেই দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন অথবা হাসিনার মতোই স্বেচ্ছা নির্বাসনে রয়েছেন। সায়মা ওয়াজেদের ঘটনা প্রমাণ করে, এই প্রভাব এখন তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।
কাছে অভিযোগের ভিত্তি ও তদন্তের জন্য বারবার চিঠি পাঠিয়েও দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে কোন সাড়া পায়নি। ডব্লিউএইচও তার আইনজীবীদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে (৩ জুলাই, ২০২৬) অভিযোগ করে, চীন সফর সংক্রান্ত ব্যয়ে তিনি ৯০১ ডলারের আর্থিক অনিয়ম করেছেন এবং নিজের একাডেমিক যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছেন। সায়মা ওয়াজেদের আইনজীবি এই অভিযোগ তদন্তের জন্য বারবার তথ্য প্রমাণ চাইলেও হু কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের স্বাপেক্ষে কোন প্রমাণ দিতে গড়িমসি করে। এছাড়া বাংলাদেশে অবৈধভাবে জমি অধিগ্রহণেরও অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। সায়মা ওয়াজেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন, ডব্লিউএইচওতে যোগ দেওয়ার আগেই তিনি ওই জমি অর্জন করেছিলেন এবং বাংলাদেশের একটি আইন অনুযায়ী—যা জাতির জনক
শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য—তিনি এই জমির অধিকারী। সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুসকে লেখা পদত্যাগপত্রে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, তার নেতৃত্বের প্রতি তিনি “সম্পূর্ণ আস্থা হারিয়েছেন”। প্রায় এক বছর কোনো বেতন না পাওয়ায় তার আর্থিক পরিস্থিতিও অসহনীয় হয়ে উঠেছিল বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মিত্রদের অনেকেই দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন অথবা হাসিনার মতোই স্বেচ্ছা নির্বাসনে রয়েছেন। সায়মা ওয়াজেদের ঘটনা প্রমাণ করে, এই প্রভাব এখন তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।



