ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদানির একটি ইউনিট বন্ধ, দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চরম অবনতি
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতিতে আওয়ামী লীগের মিছিলে জনসমুদ্র
চিফ হুইপ: সাদা কাপড় পরে সরকারি অর্থ বাঁচিয়ে তারেক রহমান ২০৫ কোটি ডলার ঋণ শোধ করেছেন
ডনের আচরণে সালমান শাহ হত্যায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলছে: সিআইডি
সংসদে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা
মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্ত চিন্ময়
ফারাক্কার ১০৯ গেটই খোলা, বন্যার আভাস
বান্দরবানে চায়ের দোকান থেকে প্রধান শিক্ষক অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে নদীপথে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা
বান্দরবানের থানচি উপজেলায় এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অস্ত্রের মুখে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। অপহৃত শিক্ষকের নাম চাই অং প্রু মারমা। তিনি থানচি উপজেলার নাইন্দারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুরে ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকায় করে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি নাইন্দারীপাড়া এলাকায় এসে পৌঁছায়। তারা সরাসরি নাইন্দারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে প্রধান শিক্ষক চাই অং প্রু মারমাকে খুঁজতে থাকে। স্কুলে তাঁকে না পেয়ে অস্ত্রধারীরা পাশের একটি স্থানীয় চায়ের দোকানে যায়। সেখানে শিক্ষক চাই অং প্রু মারমার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর অস্ত্রের মুখে তাঁকে জোরপূর্বক নৌকায় তুলে সাঙ্গু নদীপথ ধরে অজ্ঞাত স্থানের
দিকে নিয়ে যায়। ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উ নু থোয়াই মারমা জানান, অস্ত্রধারীরা বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে পাশের চায়ের দোকান থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা উ নু থোয়াই মারমাসহ অন্য শিক্ষকদের মুঠোফোনও কেড়ে নিয়ে যায়। তবে কোন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং কী উদ্দেশ্যে এই অপহরণ ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পারিবারিক সূত্র থেকে জানা গেছে, অপহরণের প্রায় এক ঘণ্টা পর অপহৃত শিক্ষক চাই অং প্রু মারমা সংক্ষেপে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতে পেরেছিলেন। তবে এরপর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পরপরই এলাকাজুড়ে তীব্র আতঙ্কের
সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও থানা-পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার জানান, দুপুর ১২টার দিকে সশস্ত্র একটি দল নদীপথে এসে শিক্ষককে নিয়ে যায় এবং অন্য শিক্ষকদের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়। তিনি জানান, অপহৃত শিক্ষককে নিরাপদে উদ্ধার করতে আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্ভাব্য স্থানগুলোতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। তবে অপহরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি।
দিকে নিয়ে যায়। ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উ নু থোয়াই মারমা জানান, অস্ত্রধারীরা বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষককে না পেয়ে পাশের চায়ের দোকান থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা উ নু থোয়াই মারমাসহ অন্য শিক্ষকদের মুঠোফোনও কেড়ে নিয়ে যায়। তবে কোন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং কী উদ্দেশ্যে এই অপহরণ ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পারিবারিক সূত্র থেকে জানা গেছে, অপহরণের প্রায় এক ঘণ্টা পর অপহৃত শিক্ষক চাই অং প্রু মারমা সংক্ষেপে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতে পেরেছিলেন। তবে এরপর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে আর কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পরপরই এলাকাজুড়ে তীব্র আতঙ্কের
সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও থানা-পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার জানান, দুপুর ১২টার দিকে সশস্ত্র একটি দল নদীপথে এসে শিক্ষককে নিয়ে যায় এবং অন্য শিক্ষকদের মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়। তিনি জানান, অপহৃত শিক্ষককে নিরাপদে উদ্ধার করতে আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্ভাব্য স্থানগুলোতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। তবে অপহরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি।



