ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা: উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করে বাংলাদেশে জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে
ধানের ন্যায্যমূল্য পায় না কৃষক, দামে ধস অথচ চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী!
১২ ও ৪ বছর আগে প্রয়াত দুই আওয়ামী লীগ নেতাকেও মামলার আসামি করল পুলিশ
২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘নেট মিটারিং নীতি’ নতুন মোড়কে ‘রুফটপ সোলার’ রূপে হাজির!
হাসপাতালে সাড়ে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং
বিমানবন্দরে ৪৭৫ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ আটক ২
বাজারে দেশি প্যাকেটজাত চিনির আকাল, ছেয়ে গেছে আমদানি করা বস্তার চিনি — অস্তিত্ব সংকটে দেশের চিনি পরিশোধন শিল্প
টাকায় বাঘের দুধ না মিললেও ১৫ মিনিটেই মিলছে যে কারও এনআইডি, কললিস্ট, কারেন্ট লোকেশনসহ সকল নথিপত্র
টাকায় বাঘের দুধ মিলুক না মিলুক, ঠিকই মিলছে নাগরিকদের গোপন ও ব্যক্তিগত তথ্য। অনলাইন প্ল্যাটফর্মেই টাকার বিনিময়ে প্রকাশ্যে বেচাকেনা হচ্ছে নাগরিকদের এসব তথ্য-উপাত্ত। মাত্র ১ হাজার টাকা খরচ করেই যেকোনো ব্যক্তির ফোনের এক বছরের কল রেকর্ড, এমনকি তার সুনির্দিষ্ট বর্তমান অবস্থান জেনে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
ইন্টারনেটের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম, বিশেষায়িত ওয়েবসাইট, টেলিগ্রাম চ্যানেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই তথ্য চুরির বাণিজ্য। কেনাবেচার অর্থ লেনদেনে ব্যবহার করা হচ্ছে বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা। এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য সামনে এনেছে তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিসমিসল্যাব’।
সংস্থাটি জানায়, তারা তথ্য বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ১০টি সক্রিয় ওয়েবসাইট এবং ফেসবুকে ৬০০টিরও বেশি বিজ্ঞাপনের উপস্থিতি
শনাক্ত করেছে। ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে দেখা যায়, কেবল কল রেকর্ড নয়, এই বাজারে কেনাবেচা করা হচ্ছে: জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি): ভোটার নম্বর, ছবি, জন্ম তারিখ, মা-বাবার নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষরসহ সরকারি সার্ভারের সমূদয় তথ্য। ফোন কল রেকর্ড: কথোপকথনের সময়সূচি, ব্যক্তির পরিচয়, ইনকামিং বা আউটগোয়িং কল এবং ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর। অবস্থান (লোকেশন): নির্দিষ্ট সময়ে গ্রাহক কোন টাওয়ারের আওতায় ছিলেন এবং তার সরাসরি গুগল ম্যাপের লিঙ্ক। অন্যান্য নথি: পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য, এসএমএস তালিকা, টিআইএন সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ভূমিকর পরিশোধের রসিদ এবং এমএফএস অ্যাকাউন্টের বিবরণী। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিক্রেতারা নির্দিষ্ট রেটকার্ড নির্ধারণ করে রেখেছেন। একটি মোবাইল বা এনআইডি নম্বর পেলেই তারা সরকারি দাপ্তরিক কাগজের আদলে
এসব উপাত্ত সরবরাহ করে। ডিসমিসল্যাবের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দরদাম নিচে তুলে ধরা হলো: এনআইডি সাইন কপি/পিডিএফ: ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা। (১৭ মিনিটে পেতে ৫০০ টাকা)। লোকেশন: পেমেন্ট করার ১৬ মিনিটের মাথায় সরবরাহ। ৩ মাসের কল রেকর্ড: ৮০০ থেকে ১,০৫০ টাকা (সময় লাগে ২–৩ ঘণ্টা)। বিকাশ এনআইডি ও স্টেটমেন্ট: ১,০০০ থেকে ৪,৫০০ টাকা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কল রেকর্ড থেকে ব্যক্তির কথোপকথনের বিবরণী ছাড়াও নেটওয়ার্কের ধরন (2G/4G), ফোনের আইএমইআই ও সিমের আইএমএসআই নম্বর স্পষ্ট হয়ে যায়। এতে নির্দিষ্ট সিমটি কোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং টাওয়ারের অবস্থান বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চলাচলের পুরো গতিপথ বের করা সম্ভব। তথ্য কেনাবেচার কাজে ব্যবহৃত ১০টি ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কার্যপদ্ধতি প্রায় একই ধরনের।
এর মধ্যে একটি ওয়েবসাইট ২০২৫ সালে নিবন্ধিত। চাঁদপুরের এক মোবাইল মেকানিক পরিচালিত এমন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৬ মিনিটে গ্রামীণফোন গ্রাহকের অবস্থান, সচল থাকার সময় ও ম্যাপের লিংক পাওয়ার প্রমাণ মেলে। এ বাজারের নিচের স্তরের মধ্যস্বত্বভোগী বিক্রেতারা বিকাশ বা নগদে টাকা নিয়ে মূল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য কিনে গ্রাহকের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে। চাঁদপুরের ওই সাইট মালিক জানান, তিনি ৮০০ টাকায় কেনা কল লিস্ট ৯০০ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেন, সরকারি সার্ভারের নিরাপত্তা টপকে এপিআই-এর মাধ্যমে তথ্য নেওয়া একটি গোষ্ঠীর কাছ থেকে তিনি এসব পান। তার মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মূল ডেটাবেজ থেকে এপিআই তৈরি করে তথ্য চুরি হচ্ছে। তবে এ দাবির সততা স্বাধীনভাবে
নিশ্চিত করা যায়নি। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির মন্তব্য করেন, ভেতরের লোকজনের সহায়তা কিংবা নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেদ করা ছাড়া রিয়েল টাইম তথ্য বের করা সম্ভব নয়। উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায় রয়েছে। একটি মোবাইল অপারেটর জানায়, প্রমাণসহ বিটিআরসিকে জানানো সত্ত্বেও এ অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। ২০২৩ সাল থেকেই প্রকাশ্যে এ বেচাকেনা চলছে এবং ২০২৫ সালের মার্চের ইউটিউব ভিডিওতেও এর বিজ্ঞাপন পাওয়া গেছে। গ্রামীণফোন এক লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছে, তারা আইন ও নিয়ম মেনে অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া কাউকে উপাত্ত দেয় না। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অপারেটর কর্মকর্তা জানান, বিটিআরসি, এনটিএমসি ও পুলিশ সদর দপ্তরসহ ১০টিরও বেশি সংস্থার তাদের সিস্টেমে প্রবেশাধিকার রয়েছে। নিজস্ব তদন্তে তারা দেখতে পান, একটি আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর এপিআই ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য ফাঁস হচ্ছিল, যার জেরে কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এনটিএমসির এক চিঠিতে বলা হয়, ৭৮৯টি সামাজিক মাধ্যমে এনআইডি ও কল রেকর্ড বিকোচ্ছে। তদন্তে অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট ও র্যাব-৬-এর দুই কর্মকর্তার লগইন আইডি ব্যবহারের প্রমাণ মেলে এবং সাইবার অপরাধ শাখার এক কনস্টেবল অর্থ লেনদেনের কথা স্বীকার করেন। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার (এনসিএসএ) তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও মহাপরিচালক মো. তাইবুর রহমান এ নিয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। বিশেষজ্ঞ সাবিরের মতে, এনআইডি ও কল রেকর্ড অন্যের হাতে গেলে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, পরিচয় চুরি করে জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা ও ব্লাকমেইলের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ‘ব্যক্তিগত
উপাত্ত সুরক্ষা আইন-২০২৬’ অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া তথ্য প্রকাশ দণ্ডনীয় এবং সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রশাসনিক জরিমানার বিধান রয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য পেতে নির্বাচন কমিশন, এনআইডি বিভাগ, এনটিএমসি ও এনসিএসএর সাথে যোগাযোগ করা হলে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা লিখিত আবেদনের পরামর্শ দেন। অন্য তিন সংস্থার দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
শনাক্ত করেছে। ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে দেখা যায়, কেবল কল রেকর্ড নয়, এই বাজারে কেনাবেচা করা হচ্ছে: জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি): ভোটার নম্বর, ছবি, জন্ম তারিখ, মা-বাবার নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষরসহ সরকারি সার্ভারের সমূদয় তথ্য। ফোন কল রেকর্ড: কথোপকথনের সময়সূচি, ব্যক্তির পরিচয়, ইনকামিং বা আউটগোয়িং কল এবং ব্যবহৃত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর। অবস্থান (লোকেশন): নির্দিষ্ট সময়ে গ্রাহক কোন টাওয়ারের আওতায় ছিলেন এবং তার সরাসরি গুগল ম্যাপের লিঙ্ক। অন্যান্য নথি: পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য, এসএমএস তালিকা, টিআইএন সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, ভূমিকর পরিশোধের রসিদ এবং এমএফএস অ্যাকাউন্টের বিবরণী। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিক্রেতারা নির্দিষ্ট রেটকার্ড নির্ধারণ করে রেখেছেন। একটি মোবাইল বা এনআইডি নম্বর পেলেই তারা সরকারি দাপ্তরিক কাগজের আদলে
এসব উপাত্ত সরবরাহ করে। ডিসমিসল্যাবের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দরদাম নিচে তুলে ধরা হলো: এনআইডি সাইন কপি/পিডিএফ: ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা। (১৭ মিনিটে পেতে ৫০০ টাকা)। লোকেশন: পেমেন্ট করার ১৬ মিনিটের মাথায় সরবরাহ। ৩ মাসের কল রেকর্ড: ৮০০ থেকে ১,০৫০ টাকা (সময় লাগে ২–৩ ঘণ্টা)। বিকাশ এনআইডি ও স্টেটমেন্ট: ১,০০০ থেকে ৪,৫০০ টাকা। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কল রেকর্ড থেকে ব্যক্তির কথোপকথনের বিবরণী ছাড়াও নেটওয়ার্কের ধরন (2G/4G), ফোনের আইএমইআই ও সিমের আইএমএসআই নম্বর স্পষ্ট হয়ে যায়। এতে নির্দিষ্ট সিমটি কোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং টাওয়ারের অবস্থান বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চলাচলের পুরো গতিপথ বের করা সম্ভব। তথ্য কেনাবেচার কাজে ব্যবহৃত ১০টি ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কার্যপদ্ধতি প্রায় একই ধরনের।
এর মধ্যে একটি ওয়েবসাইট ২০২৫ সালে নিবন্ধিত। চাঁদপুরের এক মোবাইল মেকানিক পরিচালিত এমন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১৬ মিনিটে গ্রামীণফোন গ্রাহকের অবস্থান, সচল থাকার সময় ও ম্যাপের লিংক পাওয়ার প্রমাণ মেলে। এ বাজারের নিচের স্তরের মধ্যস্বত্বভোগী বিক্রেতারা বিকাশ বা নগদে টাকা নিয়ে মূল ওয়েবসাইট থেকে তথ্য কিনে গ্রাহকের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে। চাঁদপুরের ওই সাইট মালিক জানান, তিনি ৮০০ টাকায় কেনা কল লিস্ট ৯০০ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেন, সরকারি সার্ভারের নিরাপত্তা টপকে এপিআই-এর মাধ্যমে তথ্য নেওয়া একটি গোষ্ঠীর কাছ থেকে তিনি এসব পান। তার মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মূল ডেটাবেজ থেকে এপিআই তৈরি করে তথ্য চুরি হচ্ছে। তবে এ দাবির সততা স্বাধীনভাবে
নিশ্চিত করা যায়নি। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির মন্তব্য করেন, ভেতরের লোকজনের সহায়তা কিংবা নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেদ করা ছাড়া রিয়েল টাইম তথ্য বের করা সম্ভব নয়। উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায় রয়েছে। একটি মোবাইল অপারেটর জানায়, প্রমাণসহ বিটিআরসিকে জানানো সত্ত্বেও এ অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। ২০২৩ সাল থেকেই প্রকাশ্যে এ বেচাকেনা চলছে এবং ২০২৫ সালের মার্চের ইউটিউব ভিডিওতেও এর বিজ্ঞাপন পাওয়া গেছে। গ্রামীণফোন এক লিখিত বক্তব্যে জানিয়েছে, তারা আইন ও নিয়ম মেনে অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া কাউকে উপাত্ত দেয় না। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অপারেটর কর্মকর্তা জানান, বিটিআরসি, এনটিএমসি ও পুলিশ সদর দপ্তরসহ ১০টিরও বেশি সংস্থার তাদের সিস্টেমে প্রবেশাধিকার রয়েছে। নিজস্ব তদন্তে তারা দেখতে পান, একটি আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর এপিআই ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য ফাঁস হচ্ছিল, যার জেরে কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এনটিএমসির এক চিঠিতে বলা হয়, ৭৮৯টি সামাজিক মাধ্যমে এনআইডি ও কল রেকর্ড বিকোচ্ছে। তদন্তে অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট ও র্যাব-৬-এর দুই কর্মকর্তার লগইন আইডি ব্যবহারের প্রমাণ মেলে এবং সাইবার অপরাধ শাখার এক কনস্টেবল অর্থ লেনদেনের কথা স্বীকার করেন। জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার (এনসিএসএ) তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও মহাপরিচালক মো. তাইবুর রহমান এ নিয়ে কোনো বক্তব্য দেননি। বিশেষজ্ঞ সাবিরের মতে, এনআইডি ও কল রেকর্ড অন্যের হাতে গেলে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা, পরিচয় চুরি করে জালিয়াতি, আর্থিক প্রতারণা ও ব্লাকমেইলের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ‘ব্যক্তিগত
উপাত্ত সুরক্ষা আইন-২০২৬’ অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া তথ্য প্রকাশ দণ্ডনীয় এবং সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রশাসনিক জরিমানার বিধান রয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য পেতে নির্বাচন কমিশন, এনআইডি বিভাগ, এনটিএমসি ও এনসিএসএর সাথে যোগাযোগ করা হলে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা লিখিত আবেদনের পরামর্শ দেন। অন্য তিন সংস্থার দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।



