ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টাকায় বাঘের দুধ না মিললেও ১৫ মিনিটেই মিলছে যে কারও এনআইডি, কললিস্ট, কারেন্ট লোকেশনসহ সকল নথিপত্র
শেখ হাসিনা: উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করে বাংলাদেশে জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে
ধানের ন্যায্যমূল্য পায় না কৃষক, দামে ধস অথচ চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী!
১২ ও ৪ বছর আগে প্রয়াত দুই আওয়ামী লীগ নেতাকেও মামলার আসামি করল পুলিশ
হাসপাতালে সাড়ে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং
বিমানবন্দরে ৪৭৫ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ আটক ২
বাজারে দেশি প্যাকেটজাত চিনির আকাল, ছেয়ে গেছে আমদানি করা বস্তার চিনি — অস্তিত্ব সংকটে দেশের চিনি পরিশোধন শিল্প
২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘নেট মিটারিং নীতি’ নতুন মোড়কে ‘রুফটপ সোলার’ রূপে হাজির!
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ বা ‘রুফটপ সোলার’ ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের প্রশ্ন, বর্তমান সরকারের ‘নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০২৫’ কতটা নতুন এবং এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রণীত ২০১৮ সালের নীতির পার্থক্যই বা কতটুকু?
রুফটপ সোলার বলতে বাড়ি, কারখানা, অফিস, হাসপাতাল, স্কুল বা বাণিজ্যিক ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে বোঝায়। উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ নিজস্ব চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করা হয়, আর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে।
২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ‘নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়। ওই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ব্যক্তি, শিল্প ও বাণিজ্যিক
ভবনের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা। নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০১৮ অনুযায়ী, গ্রাহক প্রথমে নিজের উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ নিজেই ব্যবহার করতে পারতেন। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করা হলে তা ‘ক্রেডিট’ হিসেবে জমা হতো। পরবর্তী সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত ওই ক্রেডিট গ্রিড থেকে ব্যবহৃত বিদ্যুতের সঙ্গে সমন্বয় করা যেত। অর্থবছর শেষে, অর্থাৎ জুন মাসে কোনো উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানির পক্ষ থেকে তার মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থাও ছিল। (তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট) বর্তমান সরকারের ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০২৫’-এও একই ধরনের কাঠামো রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৮শে
ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকারী গ্রাহকরা পরবর্তী তিন বছর, অর্থাৎ ২০৩০ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে অর্থমূল্য পাবেন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকের ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হবে; নগদ অর্থ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে আগামী বছরের ২৮শে ফেব্রুয়ারির পর স্থাপিত সিস্টেমের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। (সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার) এখানেই মূল প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকরা। তাদের বক্তব্য, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও নেট মিটারিংয়ের মূল কাঠামো নতুন কোনো ধারণা নয়। ২০১৮ সালেই আওয়ামী লীগ সরকার এজন্য নীতিমালা প্রণয়ন করেছিল। ফলে ২০২৫ সালের
নির্দেশিকায় নতুন কী সংযোজন করা হয়েছে এবং আগের ব্যবস্থার তুলনায় এর মৌলিক পরিবর্তন কতটা—তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। সমালোচকদের আরও দাবি, প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের যে অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটিও আগের সরকারের সময়কার ব্যবস্থার সঙ্গে প্রায় একই পর্যায়ের। তাদের প্রশ্ন, একই ধরনের ব্যবস্থাকে নতুন নামে উপস্থাপন করা হলে সেটিকে কতটা নতুন নীতি বলা যায়? অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নির্দেশিকার সমর্থকরা এটিকে বর্তমান সময়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসার এবং গ্রাহকদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। ফলে ২০১৮ ও ২০২৫ সালের নেট মিটারিং ব্যবস্থার শর্ত, মূল্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন কাঠামোর তুলনামূলক বিশ্লেষণেই দুই নীতির প্রকৃত পার্থক্য স্পষ্ট হবে।
ভবনের ছাদ ব্যবহার করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা। নেট মিটারিং গাইডলাইন ২০১৮ অনুযায়ী, গ্রাহক প্রথমে নিজের উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ নিজেই ব্যবহার করতে পারতেন। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করা হলে তা ‘ক্রেডিট’ হিসেবে জমা হতো। পরবর্তী সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত ওই ক্রেডিট গ্রিড থেকে ব্যবহৃত বিদ্যুতের সঙ্গে সমন্বয় করা যেত। অর্থবছর শেষে, অর্থাৎ জুন মাসে কোনো উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানির পক্ষ থেকে তার মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থাও ছিল। (তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট) বর্তমান সরকারের ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা ২০২৫’-এও একই ধরনের কাঠামো রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৮শে
ফেব্রুয়ারির মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকারী গ্রাহকরা পরবর্তী তিন বছর, অর্থাৎ ২০৩০ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে অর্থমূল্য পাবেন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকের ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হবে; নগদ অর্থ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। তবে আগামী বছরের ২৮শে ফেব্রুয়ারির পর স্থাপিত সিস্টেমের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। (সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার) এখানেই মূল প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকরা। তাদের বক্তব্য, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও নেট মিটারিংয়ের মূল কাঠামো নতুন কোনো ধারণা নয়। ২০১৮ সালেই আওয়ামী লীগ সরকার এজন্য নীতিমালা প্রণয়ন করেছিল। ফলে ২০২৫ সালের
নির্দেশিকায় নতুন কী সংযোজন করা হয়েছে এবং আগের ব্যবস্থার তুলনায় এর মৌলিক পরিবর্তন কতটা—তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। সমালোচকদের আরও দাবি, প্রতি ইউনিট উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের যে অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটিও আগের সরকারের সময়কার ব্যবস্থার সঙ্গে প্রায় একই পর্যায়ের। তাদের প্রশ্ন, একই ধরনের ব্যবস্থাকে নতুন নামে উপস্থাপন করা হলে সেটিকে কতটা নতুন নীতি বলা যায়? অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নির্দেশিকার সমর্থকরা এটিকে বর্তমান সময়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের প্রসার এবং গ্রাহকদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। ফলে ২০১৮ ও ২০২৫ সালের নেট মিটারিং ব্যবস্থার শর্ত, মূল্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন কাঠামোর তুলনামূলক বিশ্লেষণেই দুই নীতির প্রকৃত পার্থক্য স্পষ্ট হবে।



