থার্ড টার্মিনাল: ৯৯.৯১% কাজ শেষ হলেও ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ৯০২ কোটি টাকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৬

আরও খবর

১ কোটি কর্মসংস্থানের সরকারি মূলা ও বাস্তবতা: বিশ্বব্যাংক বলছে কর্মহীন হবেন ৬ লাখ মানুষ, বাড়বে দারিদ্র

মাদক-চাঁদাবাজির বিরোধিতা করায় প্রবাসীর জমি দখল করলেন গাজীপুর বিএনপির সদস্য সচিব

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চার ঘন্টা যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু

আবেগঘন বার্তায় শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা: ‘টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছি, পারলাম না’

‘শেখের বেটি আইতাছে’ স্লোগানে মিছিল, আনোয়ারায় ১৩৮ জনের নামে মামলা

রাজনীতি থেকে ধর্ম- অনলাইনে মত প্রকাশে ভয়: ঝুঁকিতে সাংবাদিকতা-বাকস্বাধীনতা

৪০০ বিলিয়ন রপ্তানির কানাডা বলছে ‘না’, অথচ ৮ বিলিয়ন রপ্তানির বাংলাদেশ মানছে সব মার্কিন শর্ত

থার্ড টার্মিনাল: ৯৯.৯১% কাজ শেষ হলেও ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ৯০২ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ আগস্ট, ২০২৬ |
যাত্রী চলাচলের জন্য টার্মিনাল ভবনটি পুরোপুরি তৈরি এবং এর একটি ‘সফট ওপেনিং’ সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও বিগত তিন বছরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পুরোদমে চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ। উল্টো পুরো প্রকল্পের প্রায় শতভাগ কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও নতুন করে ৯০২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ানোর একটি অনাকাঙ্ক্ষিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ১১ বছরে গড়াচ্ছে ৬ বছরের মেয়াদের প্রকল্প: ব্যয় ছাড়াল ২২ হাজার কোটি! একই সঙ্গে প্রকল্পটির মেয়াদ আবারও ১ বছর প্রবৃদ্ধি ঘটানোর প্রক্রিয়া চলছে। ফলশ্রুতিতে, শুরুর ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত লাফিয়ে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় গিয়ে ঠেকাচ্ছে। অর্থাৎ, নির্ধারিত ৬ বছরের মেয়াদটি গড়াচ্ছে

দীর্ঘ ১১ বছরে। উল্লেখ্য, দেশের এভিয়েশন খাতকে আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণের প্রথম পর্যায়টির অনুমোদন দেওয়া হয়। উক্ত অনুমোদনের অধীনেই তৃতীয় টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। শুরুতে এই মেগা প্রকল্পের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সময়সীমা রাখা হয়েছিল ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত। তবে সময়মতো কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় প্রথম দফায় ৩ বছর সময় বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত পুনর্নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেয়াদে সময়সীমা আরও এক বছর বাড়িয়ে চলতি বছরের জুন মাস নির্ধারণ করা হলেও তাতেও কাজ শেষ হয়নি। বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য

আরও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের সরকারি দস্তাবেজ বলছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাস্তব অগ্রগতি ৯৯.৯১ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ, মাত্র ১ শতাংশেরও কম কাজ সম্পন্ন হওয়া বাকি রয়েছে। অথচ এই নামমাত্র অংশটুকুর বাহানায় অহেতুক নতুন করে অর্থ ও সময় বৃদ্ধির পায়তারা চলছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ৩য় সংশোধনী প্রস্তাব পাঠিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে, যেখানে ব্যয় আরও ৯০২ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা করার আর্জি জানানো হয়েছে। মূল প্রাক্কলনের চেয়ে অতিরিক্ত খরচের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াচ্ছে আট হাজার ৬৫৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ব্যয় ও সময়ের অবাধ বৃদ্ধির পাশাপাশি ভবনটি

চালু করা নিয়ে চলছে চূড়ান্ত দীর্ঘসূত্রতা। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এই ৩য় টার্মিনালের ‘সফট ওপেনিং’ ঘোষণা করে ক্রমান্বয়ে পুরো কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর তিন বছর অতিবাহিত হতে চললেও টার্মিনালটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম আলোর মুখ দেখেনি। এ অবস্থায় আবারও আগামী ১৬ই ডিসেম্বর নতুন করে ‘সফট ওপেনিং’ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিচালনাকারী জাপানি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হবে বলেও জানান তিনি। টার্মিনাল ভবন অবকাঠামো নির্মিত হয়ে গেলেও পরিচালনাকারী (অপারেটর) নিয়োগে ধীরগতির খেসারত দিতে হচ্ছে রাষ্ট্রকে। তৃতীয় সংশোধনীতে শুধুমাত্র ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ খাতেই ৬৬৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দের একটি নতুন

প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যতদিন না অপারেটর নিয়োগ সম্পন্ন হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত এই বিপুল অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ থেকে খরচ করা হবে। লক্ষণীয় যে, মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই জাতীয় কোনো অর্থ বরাদ্দ ছিল না, কিন্তু প্রকল্পের শেষ সীমানায় এসে এই ভারী বোঝা যুক্ত করা হলো। অবশেষে সম্প্রতি টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেওয়ার উদ্দেশ্যে কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব পেশ করেছে জাপানি সাব ওয়ার্কিং গ্রুপ। গত ২৫শে আগস্ট বেবিচকের সদর দপ্তরে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করেন। বর্তমানে সেই প্রস্তাবনা মূল্যায়নের পর দরকষাকষি ও সমঝোতার মাধ্যমে চূড়ান্ত চুক্তির দিকে এগোবে কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পের একদম শেষ ধাপে এসেও সিভিল ওয়ার্কস ও অন্যান্য খাতের

নির্মাণ ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে। নতুন প্রস্তাবে সিভিল ওয়ার্কসের অধীনে রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের ভৌত অবকাঠামোর জন্য ৬৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং বিল্ডিং ওয়ার্কসে ৩৭২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ৩৫৯ জন-মাসের পরামর্শক সেবার মেয়াদ বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত ৪১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বরাদ্দের আর্জি পেশ করা হয়েছে। তবে গত ২০শে আগস্ট পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় উক্ত অতিরিক্ত ব্যয় ছেঁটে ফেলার কড়া নির্দেশ প্রদান করা হয়। ঠিকাদারকে দেওয়া অন্যায্য বিপুল অর্থ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। প্রকল্পের ঠিকাদারি সংস্থা ‘এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম’ (এডিসি)-এর সাথে বেবিচকের বিভিন্ন দেনা-পাওনার বিরোধ দেখা দিলে তা মেটাতে ডিসপুট বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। গত ১৬ই

ফেব্রুয়ারি এই বোর্ড ঠিকাদারের পক্ষে রায় প্রদান করে। এর ধারাবাহিকতায় দাবিগুলো রফা করতে গত ৭ এপ্রিল ‘অমিকেবল/গ্লোবাল সেটলমেন্ট কমিটি’ গঠন করা হলে, তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে ঠিকাদার সংস্থাকে অতিরিক্ত এক হাজার ৫২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা পরিশোধের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ডিসপুট বোর্ডের রায় অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আরও এক হাজার ৫৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা বকেয়া বিল এবং ৪৭ কোটি টাকার জরিমানা মকুব করার প্রসঙ্গটি প্রকাশ্যে এসেছে। শুরু থেকেই প্রকল্পের মূল নকশা, কাজের পরিধি এবং যন্ত্রাংশের বিশদ স্পেসিফিকেশনে অস্পষ্টতা ও রদবদলের ব্যাপক অভিযোগ ছিল। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ মহলের মতে, মূলত এসব কারিগরি অস্পষ্টতার কারণেই প্রকল্পের শেষ লগ্নে এসে ব্যয়ের পরিমাণ এতটা লাফিয়ে বেড়েছে। প্রকল্পটির আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইতোমধ্যে নানাবিধ প্রশ্ন উঠেছে। সিএজি অডিটে অতিরিক্ত বরাদ্দ, ভ্যাট ফাঁকি ও মালপত্র খালাস সংক্রান্ত অসংগতি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানানো হয়েছে। এমনকি তরল কাদামাটি শুকানোর জন্য দুই দফায় পরিবহন খরচ দেখানোর মতো চাঞ্চল্যকর চুরির অভিযোগও অডিটে উঠে এসেছে। পাশাপাশি, এনবিআরের ভ্যাটের বিপরীতে ঠিকাদারের অন্যায্য দাবি রাষ্ট্রকে দিয়ে মেটানোর অভিযোগ রয়েছে। পোর্টের মালামাল খালাসের ৬৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা ঠিকাদারকে না দিয়ে রাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অডিটে প্রমাণ মিলেছে। শুধু টাকা-পয়সার জালিয়াতিই নয়, পুরো কাঠামোর কারিগরি সক্ষমতা নিয়েও ঘোর সংশয় দেখা দিয়েছে। বিমানবন্দর নিরাপত্তার অতীব সংবেদনশীল ‘এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম’ (EDS) মেশিনে গুরুতর প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এই মেশিনগুলো পুনরায় চালুর জন্য অন্তত ২০ মিনিট সময় লেগে যায়, যা আন্তর্জাতিক এভিয়েশনে চরম নিরাপত্তাহীনতার সামিল। এছাড়া টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সঠিক লোড ক্যালকুলেশন ও ইউপিএস কনফিগারেশন না থাকায় ব্যাকআপ পাওয়ার ব্যবস্থা বিকল হওয়ার পথে। ইলেকট্রনিক লাইনের জন্য তৈরি ‘ডাক্ট ব্যাংকে’ পানি ও কাদা ঢুকে পড়েছিল এবং মূল স্পেসিফিকেশন অমান্য করে নিম্নমানের পণ্য সরবহারের অভিযোগও দীর্ঘ। এতসব অসংগতি ও দুর্নীতির খতিয়ানের মধ্যেই প্রকল্পটির ১২১টি অডিট আপত্তি এখনও নিষ্পত্তিমুক্ত হয়ে পড়ে রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি ব্যবস্থার চরম শৈথিল্য এবং দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনার দরুন এসব আপত্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নথিপত্র। দ্রুততম সময়ে এই জমে থাকা অডিট আপত্তিগুলো নিষ্পত্তির জন্য বেবিচককে তাগাদা দিয়েছে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও আকাশপথের যোগাযোগের জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক। আন্তর্জাতিক যাত্রীদের বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করার আকাশচুম্বী প্রতিশ্রুতি থাকলেও, বছরের পর বছর পার করে এই অবকাঠামোকে বসিয়ে রাখা দেশের জন্য চরম হতাশাজনক এবং উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
১ কোটি কর্মসংস্থানের সরকারি মূলা ও বাস্তবতা: বিশ্বব্যাংক বলছে কর্মহীন হবেন ৬ লাখ মানুষ, বাড়বে দারিদ্র মাদক-চাঁদাবাজির বিরোধিতা করায় প্রবাসীর জমি দখল করলেন গাজীপুর বিএনপির সদস্য সচিব ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চার ঘন্টা যানজটে আটকে অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: এক বছরে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে ১৪ লাখ মানুষ আবেগঘন বার্তায় শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা: ‘টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা করেছি, পারলাম না’ ‘শেখের বেটি আইতাছে’ স্লোগানে মিছিল, আনোয়ারায় ১৩৮ জনের নামে মামলা বিষাদময় গ্রীষ্ম পার করার পর এখন মেসির সামনে কী? থার্ড টার্মিনাল: ৯৯.৯১% কাজ শেষ হলেও ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ৯০২ কোটি টাকা রাজনীতি থেকে ধর্ম- অনলাইনে মত প্রকাশে ভয়: ঝুঁকিতে সাংবাদিকতা-বাকস্বাধীনতা নারায়ণগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর কিশোরী, নিখোঁজ অর্ধ শতাধিক ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দিলেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, ট্রাম্পের সন্তোষ প্রকাশ রণধীর জয়সওয়াল: বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলায় উদ্বেগ, কড়া নজর রাখছে ভারত ৪০০ বিলিয়ন রপ্তানির কানাডা বলছে ‘না’, অথচ ৮ বিলিয়ন রপ্তানির বাংলাদেশ মানছে সব মার্কিন শর্ত চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র: লিগ পর্বেই পিএসজি-বার্সা-ম্যান সিটি ধামাকা রদ্রি ও গর্ডনের অভিষেক, রাফিনিয়া-লোপেসের গোলে বার্সেলোনার জয় ইমরান-পুত্রদের সাক্ষাৎকার নেওয়ায় স্কাই স্পোর্টসকে ম্যাচ বর্জনের হুমকি পাকিস্তানের জুলাইবিরোধিতায় অভিযুক্ত ২৩১ শিক্ষকের একাডেমিক ফ্রিডম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা ৬ মাসে কর্মহীন ৬২ হাজার মানুষ, তারেক রহমানের বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে বড় ধস: ‘সারা বিশ্ব বাংলাদেশে আসছে না’, বরং মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়ার মিগ-২৯ থেকে চীনা জে-১০: গল্পটি সক্ষমতার, মিথ্যা এবং ধোঁকাবাজিরও