ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তীব্র সংকটে কুড়িগ্রামে কৃষকবিদ্রোহ: গোডাউন ভেঙে নিল ১০ হাজার কেজি সার
কোটচাঁদপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের রামদার কোপে ভাই নিহত
প্রধান অতিথি না করায় নিজেই ১৪৪ ধারা ডেকে ছাত্রদল নেতা পণ্ড করলেন ৬০ বছরের ফুটবল টুর্নামেন্ট
একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: যেভাবে শনাক্ত করা হয় দুই খুনিকে
চরম বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে হিমাগারে পচছে বিপুল পরিমাণ আলু, গাড়ি ভরে ফেলে দিতে হচ্ছে প্রতিদিনই
ক্রমাগত ধর্ষণের পর হত্যার হুমকি শিক্ষকের, ১৫ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রের আত্মহত্যার চেষ্টা
ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তার করানোয় বিএনপি নেতাকে আওয়ামী কর্মীদের ‘দাঁত ভাঙা জবাব’
অনুমতি ছাড়াই ভাঙা হলো সেতু: রাজাপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কাণ্ডে বিচ্ছিন্ন ৪ গ্রাম
ঝালকাঠির রাজাপুরে দাপ্তরিক কোনো অনুমতি ছাড়াই এবং জনগণের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ আয়রন ব্রিজের লোহার মালামাল তুলে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সাতুরিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মামুন আকনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের বাধার মুখে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ সেতুর বীম ও মালামালের তালিকা (সিজার লিস্ট) তৈরি করে জিম্মায় নিয়েছে।
গত ২১ আগস্ট উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর তারাবুনিয়া এলাকার এদবর খালের ওপর থাকা পুরোনো আয়রন ব্রিজটির বীমসহ বিভিন্ন মালামাল খুলে নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন।
সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে উত্তর তারাবুনিয়াসহ আশপাশের প্রায় চারটি গ্রামের কয়েকশত মানুষের চলাচলের অন্যতম মাধ্যম ছিল। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, নারী ও
বৃদ্ধসহ নানা পেশার মানুষ এই সেতু দিয়ে পারাপার হতেন। পুরোনো সেতুর কিছু স্লাব ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা এতদিন সেখানে সুপারি গাছ ফেলে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছিলেন। তবে কোনো বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা না করে এক রাতে ব্রিজের মূল অবকাঠামো খুলে নেওয়ায় বর্তমানে চার গ্রামের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মামুন আকন জানান, “সেতুর মালামাল তুলেছি পরিষদে জমা দেওয়ার জন্য। ইউপি চেয়ারম্যান ও নারী ইউপি সদস্যের অনুমতি নিয়েই মালামাল তুলেছি।” বিনা অনুমতিতে এটি কেন করা হলো—প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, এলাকাটিতে তিনি সামাজিক কাজ করেন বলে এমনটা করেছেন। তবে তার দাবিকে পুরোপুরি সত্য নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন সাতুরিয়া ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাঈনুল হায়দার নিপু। তিনি বলেন, “আমি কাউকে ব্রিজের বীম ও মালামাল তুলে নেওয়ার অনুমতি দিইনি। সরকারি স্থাপনার মালামাল সরাতে হলে পরিষদের রেজুলেশন লাগে। মানুষের বিকল্প ব্যবস্থা না করে মালামাল খুলে নেওয়ার কোনো অধিকার তার নেই।” এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রতন দেবনাথ স্পষ্ট করেন যে, দল এসব কর্মকাণ্ডকে মোটেও সমর্থন করে না। অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রাজাপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী এস এম জিয়াউল হক জানান, মালামাল সরানোর পূর্বে কোনো দাপ্তরিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে সিজার লিস্ট তৈরি করে মালামালগুলো স্থানীয় গ্রাম পুলিশ হেমায়েতের জিম্মায়
ইউনিয়ন পরিষদে রাখার ব্যবস্থা করেছেন। রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি জানান, বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃদ্ধসহ নানা পেশার মানুষ এই সেতু দিয়ে পারাপার হতেন। পুরোনো সেতুর কিছু স্লাব ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়রা এতদিন সেখানে সুপারি গাছ ফেলে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছিলেন। তবে কোনো বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা না করে এক রাতে ব্রিজের মূল অবকাঠামো খুলে নেওয়ায় বর্তমানে চার গ্রামের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মামুন আকন জানান, “সেতুর মালামাল তুলেছি পরিষদে জমা দেওয়ার জন্য। ইউপি চেয়ারম্যান ও নারী ইউপি সদস্যের অনুমতি নিয়েই মালামাল তুলেছি।” বিনা অনুমতিতে এটি কেন করা হলো—প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, এলাকাটিতে তিনি সামাজিক কাজ করেন বলে এমনটা করেছেন। তবে তার দাবিকে পুরোপুরি সত্য নয় বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন সাতুরিয়া ইউনিয়ন
পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মাঈনুল হায়দার নিপু। তিনি বলেন, “আমি কাউকে ব্রিজের বীম ও মালামাল তুলে নেওয়ার অনুমতি দিইনি। সরকারি স্থাপনার মালামাল সরাতে হলে পরিষদের রেজুলেশন লাগে। মানুষের বিকল্প ব্যবস্থা না করে মালামাল খুলে নেওয়ার কোনো অধিকার তার নেই।” এ বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রতন দেবনাথ স্পষ্ট করেন যে, দল এসব কর্মকাণ্ডকে মোটেও সমর্থন করে না। অপরাধ প্রমাণিত হলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রাজাপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী এস এম জিয়াউল হক জানান, মালামাল সরানোর পূর্বে কোনো দাপ্তরিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে সিজার লিস্ট তৈরি করে মালামালগুলো স্থানীয় গ্রাম পুলিশ হেমায়েতের জিম্মায়
ইউনিয়ন পরিষদে রাখার ব্যবস্থা করেছেন। রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি জানান, বিষয়টির তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



