ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্যাস সংকটে চরম বিপর্যয়ের মুখে শিল্পাঞ্চল, বন্ধ ৯০০-এর বেশি টেক্সটাইল মিল
দ্বিগুণেরও বেশি দামে এক কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার, একই দরে কেনা হবে আরও ১৪ কার্গো
ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুর-লুটপাট: ইউনূস, আসিফ নজরুল, শফিকুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন নিল না আদালত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা
প্রার্থী হয়েও ভোট দিতে পারছেন না অলি আহমদ
ড. ইউনূস ও আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
চিকিৎসক ধীপ্রা হত্যা: প্রভাবশালীদের ইয়ার্কি ও চাপে মানসিক নির্যাতন ও স্বজনদের অবহেলায় মৃত্যুর মামলা প্রত্যাহার
প্রতিমন্ত্রী পুতুলের সুপারিশ না শোনায় প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার
নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পরদিনই রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, নাটোরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও লালপুরের ইউএনওকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
প্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, লালপুর-বাগাতিপাড়ার সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলের অনুরোধের পর ওই তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।
গত মঙ্গলবার দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারীর সঙ্গে দেখা করে তিনি তাদের প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। ওই রাতেই পৃথক প্রজ্ঞাপনে তিন কর্মকর্তাকে বদলি বা প্রত্যাহার করা হয়।
তবে এই প্রত্যাহারের নেপথ্যে শুধু ইউএনও কার্যালয়ে হামলার ঘটনা নয়,
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়েও বিরোধ ছিল বলে প্রশাসনের একাধিক সূত্রের দাবি। তাদের ভাষ্য, ওই পদগুলোতে নিজের নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল। কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষায় অধিকাংশ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ভালো ফল করতে না পারায় তাদের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি না দেওয়ায় তাদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর বিরোধ তৈরি হয় বলেও সূত্রগুলো দাবি করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউএনও কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তাদের প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার এ এন এম বজলুর রশীদকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। নাটোরের
জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনকেও প্রত্যাহার করে একইভাবে মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। আর লালপুরের ইউএনও বরকত উল্লাহকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে ১২ই আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষের জেরে লালপুর ও বাগাতিপাড়া ইউএনও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। সোমবার এ ঘটনায় দুটি থানায় পৃথক এজাহার দেওয়া হয়। লালপুরের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু মাসুদ রানা বাদী হয়ে করা এজাহারে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাগাতিপাড়ার ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে
১৫০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দেওয়া হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে হামলা ও তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মামলা করার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরই প্রত্যাহার করা হলে মাঠ প্রশাসনে ভুল বার্তা যেতে পারে। এতে রাজনৈতিক চাপের মুখে কর্মকর্তাদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে পড়বে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, ইউএনওর কার্যালয়ে হামলা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপরই আঘাত। এমন ঘটনায় মামলা করার পর কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করা হলে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা যাবে। একজন ইউএনও বলেন, একাধিক ইউএনও কার্যালয়ে হামলার পরও সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো
কঠোর অবস্থান দেখা যায়নি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আরও জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন। অন্য একজন ইউএনও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। এদিকে প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে তার সুপারিশ এবং কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের সঙ্গে ওই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি যে, তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে তৈরি বিরোধের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না। ফলে এ বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্রের বক্তব্যের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়েও বিরোধ ছিল বলে প্রশাসনের একাধিক সূত্রের দাবি। তাদের ভাষ্য, ওই পদগুলোতে নিজের নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল। কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষায় অধিকাংশ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ভালো ফল করতে না পারায় তাদের নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি না দেওয়ায় তাদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর বিরোধ তৈরি হয় বলেও সূত্রগুলো দাবি করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউএনও কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তাদের প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার এ এন এম বজলুর রশীদকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। নাটোরের
জেলা প্রশাসক আসমা শাহীনকেও প্রত্যাহার করে একইভাবে মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। আর লালপুরের ইউএনও বরকত উল্লাহকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে ১২ই আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষের জেরে লালপুর ও বাগাতিপাড়া ইউএনও কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। সোমবার এ ঘটনায় দুটি থানায় পৃথক এজাহার দেওয়া হয়। লালপুরের ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু মাসুদ রানা বাদী হয়ে করা এজাহারে ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে অজ্ঞাতনামা আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাগাতিপাড়ার ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে
১৫০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দেওয়া হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে হামলা ও তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মামলা করার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরই প্রত্যাহার করা হলে মাঠ প্রশাসনে ভুল বার্তা যেতে পারে। এতে রাজনৈতিক চাপের মুখে কর্মকর্তাদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে পড়বে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, ইউএনওর কার্যালয়ে হামলা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ওপরই আঘাত। এমন ঘটনায় মামলা করার পর কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করা হলে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে নেতিবাচক বার্তা যাবে। একজন ইউএনও বলেন, একাধিক ইউএনও কার্যালয়ে হামলার পরও সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো
কঠোর অবস্থান দেখা যায়নি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আরও জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন। অন্য একজন ইউএনও বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করবে। এদিকে প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে গতকাল বিকেল পাঁচটার দিকে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে তার সুপারিশ এবং কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের সঙ্গে ওই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি যে, তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে তৈরি বিরোধের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না। ফলে এ বিষয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্রের বক্তব্যের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।



