ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এমআরটি লাইন-৫-এর ব্যয় বাড়ছে ১২৬%, ৪১ হাজার কোটি থেকে এক লাফে ৯৩ হাজার কোটি টাকা
সাধারণ জনগণের জন্য কষ্টকর হলেও সরকারি চাকুরেদের পে-স্কেল ঘোষণা অচিরেই: মুখ্যসচিব
১৫ আগস্টের বৈঠক সন্দেহে আওয়ামীপন্থি জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আইনজীবীদের নিন্দা
পঁচাত্তরের ১৫ই আগস্টের পর বঙ্গবন্ধুর কন্যাদের আশ্রয়দাতা হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর স্মৃতিচারণ
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব: বর্তমানে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের দায় সরকারের নয়
‘১৭ বছরে একটি গ্যাসকূপও খনন হয়নি’—তারেক রহমানের দাবিকে ‘অপপ্রচার’ বলছে ফ্যাক্ট ডিটেক্টর
রাজধানীর ডেমরায় অদ্ভূত গড়নের বোমাসহ দুই যুবক আটক, তদন্তে নেমেছে এটিইউ ও সিটিটিসি
১৩০০ কোটি টাকা খরচে দেশের আনাচে-কানাচে বসবে ১০ লাখ এআই ক্যামেরা, নাগরিকের গতিবিধি নজরদারিতে!
অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরার আওতায় পুরো দেশকে আনার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬৪ জেলা, সব মহানগর এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে গড়ে তোলা হবে একটি বিস্তৃত নজরদারি নেটওয়ার্ক।
পুলিশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রায় ১০ লাখ এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এসব ক্যামেরা কেনা ও স্থাপনে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, প্রচলিত সিসি ক্যামেরার তুলনায় এআই ক্যামেরার সক্ষমতা অনেক বেশি। এসব ক্যামেরা রিয়েল টাইমে সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করার পাশাপাশি অপরাধী ও যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে পারবে।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ঘটনাও
স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করার সক্ষমতা থাকবে এর। জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের মুখ শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে পারবে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্যামেরা। ডেটাবেজে থাকা সাজাপ্রাপ্ত আসামি, পরোয়ানাভুক্ত ব্যক্তি কিংবা নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্ত করতেও এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। দেশ রূপান্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এআই ক্যামেরা ব্যবহারে পাওয়া ফলাফলের ভিত্তিতেই দেশজুড়ে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যামেরা সরবরাহ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের। সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা বলছেন, বিশাল এই ক্যামেরা নেটওয়ার্ককে বিভিন্ন সরকারি ডেটাবেজ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশও ইতিমধ্যে এআই ক্যামেরার ব্যবহার শুরু করেছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে বর্তমানে ৩৭টি এআই ক্যামেরা রয়েছে। তার দাবি, এসব ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে ট্রাফিক আইন অমান্যের প্রবণতা কমেছে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজধানীর দুই শতাধিক পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। শুধু যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নয়, গাড়ি চুরি প্রতিরোধ ও অপরাধী শনাক্তের ক্ষেত্রেও এসব ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, কোনো দ্রুতগতির গাড়ির নম্বর প্লেট শনাক্ত করে সেটি জাতীয় ডেটাবেজের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সম্ভব
হবে। একইভাবে সন্দেহজনক জটলা, মারামারি, অগ্নিকাণ্ড কিংবা পরিত্যক্ত কোনো বস্তু শনাক্ত হলে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণকক্ষে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা পাঠাতে পারবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ক্যামেরার ব্যবহার আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিগন্যাল অমান্য, উল্টোপথে গাড়ি চালানো, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম কিংবা ট্রাফিক লাইন অতিক্রমের মতো অপরাধ শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-মামলা তৈরির ব্যবস্থা থাকবে। মামলার তথ্য সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল ফোনে পাঠানো হবে। এরই মধ্যে এ ব্যবস্থার সফটওয়্যারের সঙ্গে বিআরটিএর সার্ভার যুক্ত করা হয়েছে। নিখোঁজ শিশু কিংবা অপহৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো অপরাধী গাড়িতে করে পালিয়ে গেলে ক্যামেরার মাধ্যমে নম্বর প্লেট শনাক্ত করে বিভিন্ন এলাকার ক্যামেরা নেটওয়ার্কের
সাহায্যে তার গতিপথ অনুসরণ করা সম্ভব হবে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ডেটাবেজের সঙ্গেও ভবিষ্যতে ক্যামেরা নেটওয়ার্ক যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে ৯৯৯-এ কোনো অভিযোগ বা জরুরি বার্তা এলে ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা ক্যামেরাগুলোর লাইভ ফুটেজ নিয়ন্ত্রণকক্ষে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। নজরদারির এই নেটওয়ার্ক শুধু শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কও পর্যায়ক্রমে এর আওতায় আসবে। আগস্টের শেষ দিকে ঢাকা-মাওয়া সড়কে ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-বগুড়া, ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনাসহ গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। এরই মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। ওভারস্পিড, অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে চলাচলসহ বিভিন্ন
ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা করা হবে। পরে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিককে। পুলিশের আশা, স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থা সড়কে আইন মানার প্রবণতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনা কমাতেও ভূমিকা রাখবে। তবে দেশজুড়ে এত বড় পরিসরে এআই ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পুলিশ জানিয়েছে, নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যামেরা নেটওয়ার্কের নিরাপত্তায় ফায়ারওয়াল ও এনক্রিপশন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রযুক্তি পরিচালনা এবং সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় বড় ধরনের
পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে ১০ লাখ ক্যামেরার মাধ্যমে নাগরিকদের চলাচল ও পরিচয় শনাক্তের যে ব্যাপক সক্ষমতা তৈরি হবে, তার অপব্যবহার ঠেকানো, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নজরদারির সুস্পষ্ট সীমা নির্ধারণও হয়ে উঠবে বড় চ্যালেঞ্জ।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করার সক্ষমতা থাকবে এর। জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষের মুখ শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করতে পারবে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্যামেরা। ডেটাবেজে থাকা সাজাপ্রাপ্ত আসামি, পরোয়ানাভুক্ত ব্যক্তি কিংবা নিখোঁজ ব্যক্তিদের শনাক্ত করতেও এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। দেশ রূপান্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআইভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এআই ক্যামেরা ব্যবহারে পাওয়া ফলাফলের ভিত্তিতেই দেশজুড়ে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যামেরা সরবরাহ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের। সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তারা বলছেন, বিশাল এই ক্যামেরা নেটওয়ার্ককে বিভিন্ন সরকারি ডেটাবেজ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশও ইতিমধ্যে এআই ক্যামেরার ব্যবহার শুরু করেছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, রাজধানীর ১৬টি পয়েন্টে বর্তমানে ৩৭টি এআই ক্যামেরা রয়েছে। তার দাবি, এসব ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে ট্রাফিক আইন অমান্যের প্রবণতা কমেছে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরতে শুরু করেছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে রাজধানীর দুই শতাধিক পয়েন্টে ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। শুধু যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নয়, গাড়ি চুরি প্রতিরোধ ও অপরাধী শনাক্তের ক্ষেত্রেও এসব ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, কোনো দ্রুতগতির গাড়ির নম্বর প্লেট শনাক্ত করে সেটি জাতীয় ডেটাবেজের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সম্ভব
হবে। একইভাবে সন্দেহজনক জটলা, মারামারি, অগ্নিকাণ্ড কিংবা পরিত্যক্ত কোনো বস্তু শনাক্ত হলে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণকক্ষে স্বয়ংক্রিয় সতর্কবার্তা পাঠাতে পারবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই ক্যামেরার ব্যবহার আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিগন্যাল অমান্য, উল্টোপথে গাড়ি চালানো, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো, নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম কিংবা ট্রাফিক লাইন অতিক্রমের মতো অপরাধ শনাক্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-মামলা তৈরির ব্যবস্থা থাকবে। মামলার তথ্য সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল ফোনে পাঠানো হবে। এরই মধ্যে এ ব্যবস্থার সফটওয়্যারের সঙ্গে বিআরটিএর সার্ভার যুক্ত করা হয়েছে। নিখোঁজ শিশু কিংবা অপহৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো অপরাধী গাড়িতে করে পালিয়ে গেলে ক্যামেরার মাধ্যমে নম্বর প্লেট শনাক্ত করে বিভিন্ন এলাকার ক্যামেরা নেটওয়ার্কের
সাহায্যে তার গতিপথ অনুসরণ করা সম্ভব হবে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ডেটাবেজের সঙ্গেও ভবিষ্যতে ক্যামেরা নেটওয়ার্ক যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে ৯৯৯-এ কোনো অভিযোগ বা জরুরি বার্তা এলে ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা ক্যামেরাগুলোর লাইভ ফুটেজ নিয়ন্ত্রণকক্ষে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। নজরদারির এই নেটওয়ার্ক শুধু শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কও পর্যায়ক্রমে এর আওতায় আসবে। আগস্টের শেষ দিকে ঢাকা-মাওয়া সড়কে ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-বগুড়া, ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-বরিশাল ও ঢাকা-খুলনাসহ গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। এরই মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। ওভারস্পিড, অবৈধ পার্কিং, উল্টোপথে চলাচলসহ বিভিন্ন
ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা করা হবে। পরে এসএমএসের মাধ্যমে মামলার তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিককে। পুলিশের আশা, স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থা সড়কে আইন মানার প্রবণতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনা কমাতেও ভূমিকা রাখবে। তবে দেশজুড়ে এত বড় পরিসরে এআই ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পুলিশ জানিয়েছে, নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যামেরা নেটওয়ার্কের নিরাপত্তায় ফায়ারওয়াল ও এনক্রিপশন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রযুক্তি পরিচালনা এবং সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় বড় ধরনের
পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে ১০ লাখ ক্যামেরার মাধ্যমে নাগরিকদের চলাচল ও পরিচয় শনাক্তের যে ব্যাপক সক্ষমতা তৈরি হবে, তার অপব্যবহার ঠেকানো, তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নজরদারির সুস্পষ্ট সীমা নির্ধারণও হয়ে উঠবে বড় চ্যালেঞ্জ।



