এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে: জুবায়ের কেমন শিবির? – ইউ এস বাংলা নিউজ




আনন্দ কুটুম
আপডেটঃ ৩০ জুলাই, ২০২৬

এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে: জুবায়ের কেমন শিবির?

আনন্দ কুটুম
আপডেটঃ ৩০ জুলাই, ২০২৬ |
ঢাকায় থাকি ষোল বছরের উপরে। এখনো জানি না ঢাকায় কোথায় কয়টা মদের দোকান আছে (যদিও গুলশানের একটা বারে গিয়েছি কলিগদের সাথে কয়েকবার। খুব একটা সফিস্টিগেটেড লাগে নাই)। কোথায় কয়টা ব্রোথেল আছে তাও জানি না। কোন এলাকায়, কোন পার্কে বা কোন ওভারব্রিজের উপরে গনিকারা পন্য সাজিয়ে বসে তাও জানি না। আমার এলাকায় কে গুটি বেচে আর কে শুকনা বেচে তাও জানি না। এসব জানার দরকারও পরেনি কখনো। এসব না জেনেই কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন পেরিয়ে পৌঢ় হওয়ার পথে। অথচ সদ্য ইন্টারমিডিয়েট পাশ করা পোলাপাইন ঢাকা ইউনিভার্সিটি ভর্তি হয়েই লাইব্রেরি চেনার আগে চেনে পরিবাগের ওভার ব্রিজ। রমনা পার্কের চিপাচাপা আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাঞ্জা

সাপ্লায়ারদের টং-এর দোকান। ঢাকা ইউনিভার্সিটির এতোই সুনাম। এবি জুবায়ের গতকাল যা করেছে সেটাই অধিকাংশ ইউনিভার্সিটি গোইং স্টুডেন্টদের বাস্তবতা। প্রেম নাই, গার্লফ্রেন্ড নাই, আবেগ শেয়ারের যায়গা নাই, পলিটিকাল কায়ক্যাচালে মন খুলে কথা বলার মতো বন্ধু নাই। শেষ ভরসা ঐ গণিকারাই। এবি জুবায়েরের যে পার্সোনালিটি তাতে সারাজীবন অভুক্ত থাকলেও তো কোন মেয়ে তার দিকে ফিরে তাকাবে না। একটা ছেলে দেখতে কুচ্ছিত (যদিও চেহারা আল্লাহর দান। এটা নিয়ে কথা বলা উচিৎ না), কোদালের মতো দাত, দেখলেই মনে হয় শরীরে ঘষা দিলে ময়লা উঠবে। এটিটিউড সন্ত্রাসীদের মতো। একে মারবে, ওকে ধরবে, তার পিছে লাগবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, এরকম কেওটিক একটা ছেলেকে কোন মেয়ে তার দেহ বা মন

দেবে? কে তার সাথে প্রেম করবে? যার নাই নুন্যতম সৌজন্যবোধ, নেই পার্সোনাল গ্রুমিং, নাই সভ্যভব্য আচারন। অগত্যা ওভার ব্রিজের উপরের হিজড়াই তার শেষ ভরসা। এবি জুবায়ের গতরাতের এই ঘটনা দেখে তার জন্য আমার ঘৃণা হবার চেয়ে করুণাই হয়েছে বেশি। আহারে মনুষ্য জীবন। সামান্য সেক্স শেয়ার করার মতো একজন সঙ্গী নাই। মেয়েও পায়নি, যেতে হইছে হিজড়াদের কাছে। হিজড়া/ছেলে যদি তার প্রেফারেন্স হয় তাতে কোন আপত্তি নাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, হিজড়াটাকে দিয়ে কাজ করিয়ে তাকে পেমেন্ট দেবে না? মানে এই লেভেলের ছ্যাচড়া এরা কেমনে হয়? জামাত শিবিরের একটা ডায়লগ আছে- “এলাকার সবচেয়ে ভদ্র ছেলেটা শিবির করে”। এই হলো সেই ভদ্র ছেলের নমুনা। ভদ্রদের

মধ্যে অধিক ভদ্র যে আবার ঢাকা ইউনিভার্সিটির মতো যায়গায় স্টুডেন্ট লিডার। শিবিরের ক্রিম অব দ্য ক্রিম। আপনার সন্তানকে শিবির বানানোর আগে, অন্তত পার্সোনাল গ্রুমিং শেখান। তাহলে হয়তো চিপায় চাপায় যেতে হবে না। আসেন এবার এবি জুবায়ের স্ট্যাটাসটা পোস্টমর্টেম করি। সে দাবী করেছে তার এক বন্ধু হিজড়াদের ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য তাকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলো। যাবার আগে সে থানায় জানিয়ে যায়। এখানে প্রশ্ন হলো… ১. কোন থানা? কাকে জানিয়ে গেছে। কিভাবে জানিয়েছে? তার প্রমান কোথায়? ২. কোন সাংবাদিক বন্ধু? কোন হাউজে কাজ করে সে? সম্পাদক কে? তাকে কে এই এসাইনমেন্ট দিয়েছে? এসাইনমেন্টের প্রমান কোথায়? নাকি এসাইনমেন্ট ছাড়াই নিজ উদ্যোগে গিয়েছে সে এই প্রতিবেদন করতে? ৩. ঢাবির স্টুডেন্ট লিডার এবং

সাংবাদিক উভয়ের কাজের গন্ডি ঢাকা ইউনিভার্সিটির এরিয়ার ভেতরে। পরিবাগ ওভার ব্রিজ তো ঢাবির এরিয়ায় পরে না। সেখানে রিপোর্ট করতে কেন এবি জুবায়ের যাবে? কারন কী? জুবায়ের বন্ধু মানে খুব স্বাভাবিক যে সেও ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রীক জার্নালিস্ট। তারা ইউনিভার্সিটির এরিয়ার বাইরে প্রতিবেদন করতে কেন গিয়েছে? এবং সবচেয়ে ইমপর্ট্যান্ট পয়েন্ট হলো… মধ্যরাতে এরকম রিস্ক জোনে সাক্ষাৎকার করার পার্মিশন তাদের কে দিয়েছে? দুনিয়ায় আর কেউ সাংবাদিকতা করে না? এসব ক্ষেত্রে কি হয়? এসব ক্ষেত্রে হয় যে, আগে সোর্সের মাধ্যমে সাবজেক্টের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তারপর সাবজেক্টের সুবিধা মতো সময়ে এবং প্লেসে গিয়ে তাদের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। কিন্তু তা না করে মধ্যরাতে যেখানে তারা সার্ভিস দিচ্ছে সরাসরি সেখানে

গিয়ে তাদের অনুমতি না নিয়েই তাদের ইন্টারভিউ করতে শুরু করা এটা কোন লেভেলের সাংবাদিকতা? কে শিখিয়েছে এবি জুবায়েরদের এই সাংবাদিকতা? সেই পন্ডিতকে একটু দেখতে চাই। মোদ্দা কথা হলো, এবি জুবায়ের যে এক্সপ্লেনেশন দিয়েছে সেটা পুরোটাই ভুয়া। সে হিজড়াদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে যখন টাকা দেয়নি, হিজড়ারা ভিডিও করে ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন সে একটা মনগড়া গল্প আমাদের শোনাচ্ছে। তার গল্পের ভেতরেই তার জন্য মরনফাদ লুকায় আছে। ভালো করে লক্ষ করলেই দেখা যাবে। সেই পুরানা কথা। এলাকার সবচেয়ে ভালো ছেলেটা শিবির করে। এই হলো ভালো ছেলের নমুনা। জামাতের তো অনেক স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, গার্মেন্টস ইত্যাদি আছে। এবার একটা ব্রোথেল বানাক। তাতে অন্তত তাদের লোকজন রাস্তাঘাটে,

হোটেলে, বাসে লাগালাগি করতে গিয়ে এভাবে এক্সপোজ হবে না। জামাতের জন্য এখন একটা ব্রোথেল বানানো সময়ের দাবী।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মাদকাসক্তি: ইসলামে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, মহানবীর (সা.) সতর্কবার্তা ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আগস্ট থেকে প্রকোপ বাড়ার শঙ্কা ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা ঢাবির ৬ অধ্যাপককে অব্যাহতি, সাদেকা হালিমকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ৮৬ ডেপুটি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে যে সিদ্ধান্ত এলো হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু মার্কিন অবরোধকে ফাঁকি দিয়ে মালয়েশিয়ায় বিক্রি হচ্ছে ইরানের তেল, চূড়ান্ত গন্তব্য চীন বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার সিলেটে পরপর দুবার এনসিপির শীর্ষ নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ঢাকায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন আগুনে পুড়ে নিহত ৬ প্রবাসীর কঙ্কাল উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে জটিলতা বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মারামারির ঘটনায় আর্জেন্টিনার তিন জনের বিরুদ্ধে ফিফার মামলা মার্কিন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর এর বাংলাদেশ সফর দ্য আউটলুককে শেখ হাসিনা: ‘বাংলাদেশ ভালো নেই, দেশকে বাঁচাতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতেই ফিরব’ ঘটনাস্থলে না থেকেও জুলাই মামলা: আদালতে আত্মসমর্পণ ফেনী জেলা আওয়ামী লীগ নেতার বাউফলে গৃহবধূর সাথে পরকীয়া, জামায়াত সেক্রেটারিকে ব্যাপক উত্তম-মধ্যম খোদ চাঁদপুরেই মধ্যবিত্তের নাগালের অনেক বাইরে সাধের ইলিশ, ডিমের কেজিও ৬ হাজার