ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ঢাকায়
মার্কিন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর এর বাংলাদেশ সফর
দ্য আউটলুককে শেখ হাসিনা: ‘বাংলাদেশ ভালো নেই, দেশকে বাঁচাতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতেই ফিরব’
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতীয় রুপিতে বাণিজ্যের প্রস্তাব রাশিয়ার, চোখ রাঙাচ্ছে ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জিততে বিএনপি দলীয় লোক দিচ্ছে: জামায়াত
হেফাজতে ইসলাম: মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো সেক্যুলার ও ব্রাহ্মণ্যবাদের ধারাবাহিক অপপ্রচার
বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ৭ দফা দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছে জেএমআই সিরিঞ্জ ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে মহাসড়কের নোয়াপাড়া রাজেন্দ্রপুর এলাকায় এ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় একাধিকবার ফ্যাক্টরির মূল ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে শ্রমিকরা। ইট পাটকেল মেরে ফ্যাক্টরির কয়েকটি গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। তবে পুলিশের সতর্ক অবস্থানের কারণে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে তারা মহাসড়কে অবস্থান নেয়। টানা ৩ ঘণ্টা মহাসড়কে অবস্থানের পর আড়াইটার দিকে ইউএনওর আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় শ্রমিকরা।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানায়, ৭ দফা দাবিতে ২০২৪ সালে শ্রমিকরা আন্দোলন করলে কর্তৃপক্ষ তা মেনে নেয়। তারা আন্দোলন
বন্ধ করে কাজে যোগ দিলেও দাবিগুলোর অধিকাংশই মানা হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুলাই সোমবার কাজ বন্ধ করে বেতন ভাতা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করাসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকরা। ফ্যাক্টরির মালিক গোলাম মোস্তফা বলেন, ২০২৪ সালে শ্রমিকদের অধিকাংশ দাবি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গত সোমবার থেকে তারা আবার আন্দোলন শুরু করে। শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি ও বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে দাবি মানার আশ্বাসে শ্রমিক প্রতিনিধিরা মিটিং ত্যাগ করে এবং কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শ্রমিকদের ছোট্ট একটা অংশ আবারও বিশৃঙ্খলা শুরু করে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বেতন বাড়ানোর দাবি মানা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না। প্রয়োজনে আমি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেব। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, বিভিন্ন দাবিতে জেএমআই ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আশ্বস্ত করলে মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেয়। শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি।
বন্ধ করে কাজে যোগ দিলেও দাবিগুলোর অধিকাংশই মানা হয়নি। এরই প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুলাই সোমবার কাজ বন্ধ করে বেতন ভাতা বৃদ্ধি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আলাদা নামাজের ব্যবস্থা করাসহ ৭ দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শ্রমিকরা। ফ্যাক্টরির মালিক গোলাম মোস্তফা বলেন, ২০২৪ সালে শ্রমিকদের অধিকাংশ দাবি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গত সোমবার থেকে তারা আবার আন্দোলন শুরু করে। শ্রমিকদের দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি ও বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে দাবি মানার আশ্বাসে শ্রমিক প্রতিনিধিরা মিটিং ত্যাগ করে এবং কাজে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু শ্রমিকদের ছোট্ট একটা অংশ আবারও বিশৃঙ্খলা শুরু করে।
তিনি বলেন, বর্তমানে বেতন বাড়ানোর দাবি মানা আমার পক্ষে সম্ভব হবে না। প্রয়োজনে আমি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেব। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন জানান, বিভিন্ন দাবিতে জেএমআই ফ্যাক্টরির শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আশ্বস্ত করলে মহাসড়কের অবরোধ তুলে নেয়। শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি।



