ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ঢাকায়
বেতনভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের
দ্য আউটলুককে শেখ হাসিনা: ‘বাংলাদেশ ভালো নেই, দেশকে বাঁচাতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতেই ফিরব’
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতীয় রুপিতে বাণিজ্যের প্রস্তাব রাশিয়ার, চোখ রাঙাচ্ছে ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জিততে বিএনপি দলীয় লোক দিচ্ছে: জামায়াত
হেফাজতে ইসলাম: মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো সেক্যুলার ও ব্রাহ্মণ্যবাদের ধারাবাহিক অপপ্রচার
মার্কিন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর এর বাংলাদেশ সফর
দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর আজ বাংলাদেশ সফরে আসছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সফরটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের দেশে ফেরার সঙ্গে সমন্বয় করে অনুষ্ঠিত হবার অপেক্ষায় ছিল।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে তিন দেশ সফরে রয়েছেন এবং গত ২৮ জুলাই ঢাকায় ফিরেছেন।
বিএনপি সরকারের পাঁচ মাস পর প্রথম মার্কিন বিশেষ দূতের সফর
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পাঁচ মাস পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিশেষ দূতের বাংলাদেশ সফর। কূটনৈতিক সূত্রগুলো এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, তিস্তা নদীর প্রকল্প, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ বেশ কয়েকটি
চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার প্রেক্ষিতে সার্জিও গোরের সফরকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চলমান কৌশলগত প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সম্পাদিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এর প্রায় এক মাস পর চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অর্থায়ন চুক্তির পর শ্রম অধিকারের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র আরও ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে। এই পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি করেছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সার্জিও গোরের সফরে বাণিজ্য, শুল্ক হ্রাস, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক কৌশলগত বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে। পূর্ববর্তী মার্কিন দূত পল কাপুরের সফর মূলত বাণিজ্য চুক্তির শর্ত পালন নিয়ে
কেন্দ্রীভূত ছিল। সম্ভাব্য সামরিক ও কৌশলগত আলোচনা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সফরকে জিসোমিয়া (GSOMIA) ও আকসা (ACSA)-সহ সম্ভাব্য সামরিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা এবং চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজের কৌশলগত অবস্থান জোরদার করতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সফরকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার প্রেক্ষিতে সার্জিও গোরের সফরকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চলমান কৌশলগত প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সম্পাদিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশের উপর ১৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এর প্রায় এক মাস পর চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অর্থায়ন চুক্তির পর শ্রম অধিকারের অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র আরও ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে। এই পদক্ষেপ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি করেছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সার্জিও গোরের সফরে বাণিজ্য, শুল্ক হ্রাস, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক কৌশলগত বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে। পূর্ববর্তী মার্কিন দূত পল কাপুরের সফর মূলত বাণিজ্য চুক্তির শর্ত পালন নিয়ে
কেন্দ্রীভূত ছিল। সম্ভাব্য সামরিক ও কৌশলগত আলোচনা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সফরকে জিসোমিয়া (GSOMIA) ও আকসা (ACSA)-সহ সম্ভাব্য সামরিক সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে আলোচনা এবং চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজের কৌশলগত অবস্থান জোরদার করতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। সফরকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



