ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাত সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি সরকার: ভারতের পদাঙ্ক অনুসরণে উত্তরণের চিন্তা
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: সফর সংক্ষিপ্ত করে তড়িঘড়ি দেশে ফিরছেন স্পিকার
আওয়ামী লীগের ‘১.৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র লক্ষ্যমাত্রা বিএনপি আমলে নামল ১ ট্রিলিয়নে, সময়ও বাড়ল ১০ বছর
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
হাতে সময় নেই, দ্রুতই পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
ডব্লিউএফপির প্রতিবেদন: বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে প্রায় ২ কোটি মানুষ
জিয়া হত্যা সম্পৃক্ততায় আটক মেজর মোজাফফরকে জুলাই মামলায় গ্রেপ্তারের আদেশ
তরুণদের মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে টানতে এনসিপি নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক!
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি (Agreement on Reciprocal Trade) নিয়ে দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের উত্তরসূরি অ্যাম্বাসেডর ক্রিস্টেনসেন এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
ইউএস এম্বাসি ঢাকার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি পোস্টে রাষ্ট্রদূত বলেন, “এনসিপির কনভেনার ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সংসদীয় এজেন্ডা নিয়ে খোলামেলা আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। আমরা দুই দেশের সমৃদ্ধির জন্য এই ধরনের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে সমর্থন করে যাব।”
যদিও মার্কিন এম্বেসির ফেসবুক পেইজে দেয়া প্রাথমিক পোস্ট যেখানে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ নিয়ে আলোচনার উল্লেখ ছিলো, সেটা এডিট করে পরে বাংলা অনুবাদ যুক্ত করার সময় মার্কিন বাণিজ্যিক চুক্তির বিষয়টি বাদ
দেয়া হয়। (প্রথম পোস্টের স্ক্রীনশট নীচে যুক্ত করা হলো) এনসিপির অবস্থান ও বিতর্ক এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ এতদিন বলে আসছিলেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে পদত্যাগের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। তাই এই চুক্তির কোনো দায় এনসিপির নেই। তবে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে এনসিপির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সরাসরি বৈঠক ও চুক্তি-সংক্রান্ত আলোচনাকে অনেকে তরুণ সমাজের কাছে চুক্তিটিকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। জনমতের প্রতিক্রিয়া দেশের বিভিন্ন মহলে এই চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অনেকে মনে করেন, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উচ্চমূল্যের মার্কিন পণ্য কেনায় বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। ইতোমধ্যে
সারাদেশে চুক্তির বিরুদ্ধে বিপুল জনমত গড়ে উঠেছে। এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে চুক্তির পক্ষে জনমত তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে জানা যায়। এনসিপি এখন সংসদে প্রথম বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে এই ইস্যুতে মার্কিন দূতাবাসের সরাসরি যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। চুক্তিটি নিয়ে সংসদে কী ধরনের আলোচনা হবে এবং এনসিপি কোন অবস্থান নেবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
দেয়া হয়। (প্রথম পোস্টের স্ক্রীনশট নীচে যুক্ত করা হলো) এনসিপির অবস্থান ও বিতর্ক এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ এতদিন বলে আসছিলেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে পদত্যাগের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। তাই এই চুক্তির কোনো দায় এনসিপির নেই। তবে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে এনসিপির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সরাসরি বৈঠক ও চুক্তি-সংক্রান্ত আলোচনাকে অনেকে তরুণ সমাজের কাছে চুক্তিটিকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। জনমতের প্রতিক্রিয়া দেশের বিভিন্ন মহলে এই চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অনেকে মনে করেন, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উচ্চমূল্যের মার্কিন পণ্য কেনায় বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে, যা দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। ইতোমধ্যে
সারাদেশে চুক্তির বিরুদ্ধে বিপুল জনমত গড়ে উঠেছে। এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে চুক্তির পক্ষে জনমত তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে জানা যায়। এনসিপি এখন সংসদে প্রথম বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে এই ইস্যুতে মার্কিন দূতাবাসের সরাসরি যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। চুক্তিটি নিয়ে সংসদে কী ধরনের আলোচনা হবে এবং এনসিপি কোন অবস্থান নেবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র কৌতূহল দেখা দিয়েছে।



