ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডব্লিউএফপির প্রতিবেদন: বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়বে প্রায় ২ কোটি মানুষ
জিয়া হত্যা সম্পৃক্ততায় আটক মেজর মোজাফফরকে জুলাই মামলায় গ্রেপ্তারের আদেশ
জামায়াতের সদস্যদের লিঙ্গভিত্তিক শিক্ষকতার নির্দেশ: মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণ ঠেকানোই কি উদ্দেশ্য, নাকি নতুন কোনো কূটকৌশল?
মুফতি তাহেরী: কট খাওয়ার আগে রোমান্টিক, কট খেলে কয় বউ, আবার বট বাহিনীও আছে
জাতিসংঘের প্রতিবেদন: বাংলাদেশে স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য নেই ৬ কোটি ৭৮ লাখ মানুষের
এনবিআরের মাঠপর্যায়ের তদারকি নিয়ে উদ্বেগ: ‘হয়রানি-দুর্নীতি বাড়ার শঙ্কা, সমাধান ডিজিটাল করব্যবস্থা’
কিয়োডো নিউজকে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: “দেশে ফিরলে কী হতে পারে, সেই ঝুঁকিটা আমি জানি”
হাতে সময় নেই, দ্রুতই পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি
শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
বিডি ডাইজেস্টের কাছে সূত্রগুলোর দাবি, তিনি ইতোমধ্যে পদত্যাগের বিষয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন।
রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “নিশ্চিত তিনি যাচ্ছেন, সময় খুবই কম।”
যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বঙ্গভবনের একাধিক সূত্রের ভাষ্য, সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে সুবিধাজনক সময়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরপর থেকেই তিনি পদত্যাগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।
সূত্রগুলোর দাবি, পদত্যাগের জন্য তার হাতে খুব বেশি সময় নেই।
নাম প্রকাশ
না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রায়ই তার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, “শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, যে কোনো সময় যে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি।” আরেক কর্মকর্তা জানান, পদত্যাগের সম্ভাবনা থাকলেও এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। যথাযথ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক
আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনা চলছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন এবং একই বছরের ২৪শে এপ্রিল তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
না করার শর্তে বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রায়ই তার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন, “শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, যে কোনো সময় যে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি।” আরেক কর্মকর্তা জানান, পদত্যাগের সম্ভাবনা থাকলেও এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। যথাযথ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে পারেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পিকার সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক
আলোচনা শুরু হয়েছে। কয়েকদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনা চলছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন মো. সাহাবুদ্দিন এবং একই বছরের ২৪শে এপ্রিল তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।



