শরিফুল হাসান
আরও খবর
মব এবং ব্যাঙ্কিং খাতের সংকট একই মেটিকুলাস প্ল্যানের অংশ
৫ আগস্ট ও শেখ হাসিনার ‘তৃতীয় পথ’: একটি কৌশলগত ও মানবিক মূল্যায়ন
আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে সংসদ ভবন চত্ত্বরে বিদেশী কোন দেশের স্বাধীনতা দিবস পালন হলে কি হতো?
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
বাংলাদেশে কি একটা নিরব গণহত্যা চলছে?
ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে
বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের পাশে দাঁড়ানো কেন বাংলাদেশের নৈতিক ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব?
পাকিস্তানের সামরিক-রাজনৈতিক শাসনের অধীনে পূর্ববাংলার মানুষ যে শোষণ, বৈষম্য, নির্যাতন ও সাংস্কৃতিক সংকোচনের শিকার হয়েছিল, আজ ঠিক সেই একই চিত্র ফুটে উঠেছে বেলুচিস্তানে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ছিল শুধু একটি ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং নিপীড়িত জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই। বেলুচ জনগণ আজ সেই একই লড়াইয়ে নিয়োজিত।
বাংলাদেশের উচিত এই সংগ্রামে নৈতিকভাবে পাশে দাঁড়ানো এবং স্বাধীন বেলুচিস্তানকে স্বীকৃতি দেওয়া—কারণ ইতিহাসের প্রতি সততা, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিজস্ব মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ঐতিহাসিক সাদৃশ্য: একই শোষকের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম
পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ববাংলাকে “কলোনি” হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে—সম্পদ লুট, অর্থনৈতিক বৈষম্য, ভাষা-সংস্কৃতির উপর আঘাত এবং সামরিক নির্যাতন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করে গণহত্যা চালানো হয়েছিল। বেলুচিস্তানেও একই চিত্র। ১৯৪৮ সালে কালাত রাজ্যকে জোর করে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকে বেলুচ জনগণ বারবার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার দাবি তুলেছে। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসন বেলুচিস্তানের বিশাল খনিজ সম্পদ (সুই গ্যাস, রেকো ডিক ইত্যাদি), গোয়াদার বন্দর এবং CPEC প্রকল্পের মাধ্যমে লুটপাট চালায়, অথচ স্থানীয় মানুষ দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অবহেলায় ভোগে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, ২০২৫-২৬ সালে বেলুচিস্তানে শত শত enforced disappearance (জোরপূর্বক গুম), extrajudicial killing এবং নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। Frontier Corps, intelligence agencies এবং অন্যান্য বাহিনীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঠেছে। ছাত্র, শ্রমিক, ব্যবসায়ী—কেউই রেহাই পায় না। এটি ১৯৭১-এর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর
অত্যাচারের প্রতিচ্ছবি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও বেলুচিস্তানের মুক্তিকামী জনগণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাঙালির নেতা ছিলেন না। ১৯৬৯ সালে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে বাংলা, সিন্ধ, ফ্রন্টিয়ার ও বেলুচিস্তানের নিপীড়িত মানুষ সকলে এক—তারা সকলে শোষণের বিরুদ্ধে লড়ছে। তাঁর ছয় দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের সনদ, যা শুধু পূর্ববাংলার জন্য নয়, অন্য প্রদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক ছিল। বঙ্গবন্ধু যদি আজ থাকতেন, তিনি নিশ্চয়ই বেলুচ ভাই-বোনদের সংগ্রামকে সমর্থন করতেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল ন্যায়, গণতন্ত্র ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। এই চেতনা অনুসরণ করলে বেলুচিস্তানের পাশে না দাঁড়ানো অসম্ভব। স্বাধিকারের যেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, সেই মৌলিক বৈশিষ্ট্য থেকে ফিলিস্তিন, বেলুচিস্তান সহ বিশ্বের সর্বত্র
নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব। কেন স্বীকৃতি দেওয়া উচিত? নৈতিক সামঞ্জস্যতা: বাংলাদেশ নিজে যখন নিজস্ব ভুখন্ডের স্বাধীনতা চেয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল, তখন ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের ৭ তারিখ প্রতিবেশী রাষ্ট্র প্রথমে ভুটান ও পরে ভারতের স্বীকৃতি যুদ্ধকে শক্তি যুগিয়েছিল। আজ বাংলাদেশ যদি একই নীতি অনুসরণ না করে, শোষকের পক্ষ নিয়ে চুপ থাকে তাহলে যেই চেতনার উপর মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল, তা অনেকাংশে কলঙ্কিত হয়ে যায়। “আমরা মুক্তি পেয়েছি, তোমরা পাবে না”—এমন চেতনার উপর ভিত্তি করে বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানবাধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার: জাতিসংঘের সনদে নিপীড়িত জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। বেলুচিস্তানে গুম, হত্যা, নির্যাতনের যে প্রমাণিত চিত্র
রয়েছে, তাতে চুপ থাকা মানবাধিকারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। বাংলাদেশ যদি রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে পারে, তাহলে বেলুচ ইস্যুতেও বলতে পারবে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ: পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য হুমকি। একটি গণতান্ত্রিক, স্বাধীন বেলুচিস্তান চীন-পাকিস্তানের সম্প্রসারণবাদী এজেন্ডাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি যদি ন্যায়ভিত্তিক হয়, তাহলে এটি তার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা শুধু বাঙালিদের নয়, সকল নিপীড়িতের অনুপ্রেরণা। এই ঋণ শোধ করার একটি উপায় হলো বেলুচ সংগ্রামকে স্বীকৃতি দেওয়া। এতে অবশ্যই কূটনৈতিক ঝুঁকি আছে—পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক, অর্থনৈতিক লেনদেন, আন্তর্জাতিক চাপ। কিন্তু নীতির প্রশ্নে সুবিধাবাদী হলে বাংলাদেশ কখনো স্বাধীন হতো না। স্বীকৃতি দেওয়া
মানে সামরিক হস্তক্ষেপ নয়; এটি নৈতিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন। বাংলাদেশ প্রথমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা করে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে এবং পরে প্রয়োজনে স্বীকৃতি দিয়ে নেতৃত্ব দিতে পারে। উপসংহারে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রুপকার যেভাবে বলেছিলেন, “কেউ যদি নায্য কথা বলে, সে যদি সংখ্যায় একজনও হয়, আমরা তাহার কথা মানিয়া লইবো”, যে ছিল নায্যতা আর ন্যায় ভিত্তিক রাষ্ট গঠনের প্রথম ভিত্তি। শোষকের নিপীড়ন আর দমন পীড়নের বিরুদ্ধে যে নৈতিক অবস্থান থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল, সেই নৈতিক অবস্থান থেকে শুধু নিজের সীমানায় আটকে থাকলে চলবে না। ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোই সত্যিকারের স্বাধীনতার চেতনা। ফিলিস্তিন, বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো এবং
স্বাধীন বেলুচিস্তানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে ইতিহাসের সঠিক পথে চলা। জয় বাংলা, জয় বেলুচিস্তানের ন্যায়সঙ্গত লড়াই। এই অবস্থান গ্রহণ করলে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সাহসী জাতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করে গণহত্যা চালানো হয়েছিল। বেলুচিস্তানেও একই চিত্র। ১৯৪৮ সালে কালাত রাজ্যকে জোর করে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকে বেলুচ জনগণ বারবার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার দাবি তুলেছে। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসন বেলুচিস্তানের বিশাল খনিজ সম্পদ (সুই গ্যাস, রেকো ডিক ইত্যাদি), গোয়াদার বন্দর এবং CPEC প্রকল্পের মাধ্যমে লুটপাট চালায়, অথচ স্থানীয় মানুষ দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অবহেলায় ভোগে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুসারে, ২০২৫-২৬ সালে বেলুচিস্তানে শত শত enforced disappearance (জোরপূর্বক গুম), extrajudicial killing এবং নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। Frontier Corps, intelligence agencies এবং অন্যান্য বাহিনীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঠেছে। ছাত্র, শ্রমিক, ব্যবসায়ী—কেউই রেহাই পায় না। এটি ১৯৭১-এর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর
অত্যাচারের প্রতিচ্ছবি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও বেলুচিস্তানের মুক্তিকামী জনগণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাঙালির নেতা ছিলেন না। ১৯৬৯ সালে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে বাংলা, সিন্ধ, ফ্রন্টিয়ার ও বেলুচিস্তানের নিপীড়িত মানুষ সকলে এক—তারা সকলে শোষণের বিরুদ্ধে লড়ছে। তাঁর ছয় দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের সনদ, যা শুধু পূর্ববাংলার জন্য নয়, অন্য প্রদেশের জন্যও প্রাসঙ্গিক ছিল। বঙ্গবন্ধু যদি আজ থাকতেন, তিনি নিশ্চয়ই বেলুচ ভাই-বোনদের সংগ্রামকে সমর্থন করতেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল চেতনা ছিল ন্যায়, গণতন্ত্র ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। এই চেতনা অনুসরণ করলে বেলুচিস্তানের পাশে না দাঁড়ানো অসম্ভব। স্বাধিকারের যেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, সেই মৌলিক বৈশিষ্ট্য থেকে ফিলিস্তিন, বেলুচিস্তান সহ বিশ্বের সর্বত্র
নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশের নৈতিক দায়িত্ব। কেন স্বীকৃতি দেওয়া উচিত? নৈতিক সামঞ্জস্যতা: বাংলাদেশ নিজে যখন নিজস্ব ভুখন্ডের স্বাধীনতা চেয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল, তখন ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের ৭ তারিখ প্রতিবেশী রাষ্ট্র প্রথমে ভুটান ও পরে ভারতের স্বীকৃতি যুদ্ধকে শক্তি যুগিয়েছিল। আজ বাংলাদেশ যদি একই নীতি অনুসরণ না করে, শোষকের পক্ষ নিয়ে চুপ থাকে তাহলে যেই চেতনার উপর মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল, তা অনেকাংশে কলঙ্কিত হয়ে যায়। “আমরা মুক্তি পেয়েছি, তোমরা পাবে না”—এমন চেতনার উপর ভিত্তি করে বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন বা মুক্তিযুদ্ধ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানবাধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার: জাতিসংঘের সনদে নিপীড়িত জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে। বেলুচিস্তানে গুম, হত্যা, নির্যাতনের যে প্রমাণিত চিত্র
রয়েছে, তাতে চুপ থাকা মানবাধিকারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। বাংলাদেশ যদি রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে পারে, তাহলে বেলুচ ইস্যুতেও বলতে পারবে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ: পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য হুমকি। একটি গণতান্ত্রিক, স্বাধীন বেলুচিস্তান চীন-পাকিস্তানের সম্প্রসারণবাদী এজেন্ডাকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি যদি ন্যায়ভিত্তিক হয়, তাহলে এটি তার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা শুধু বাঙালিদের নয়, সকল নিপীড়িতের অনুপ্রেরণা। এই ঋণ শোধ করার একটি উপায় হলো বেলুচ সংগ্রামকে স্বীকৃতি দেওয়া। এতে অবশ্যই কূটনৈতিক ঝুঁকি আছে—পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক, অর্থনৈতিক লেনদেন, আন্তর্জাতিক চাপ। কিন্তু নীতির প্রশ্নে সুবিধাবাদী হলে বাংলাদেশ কখনো স্বাধীন হতো না। স্বীকৃতি দেওয়া
মানে সামরিক হস্তক্ষেপ নয়; এটি নৈতিক, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন। বাংলাদেশ প্রথমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা করে, শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে এবং পরে প্রয়োজনে স্বীকৃতি দিয়ে নেতৃত্ব দিতে পারে। উপসংহারে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার রুপকার যেভাবে বলেছিলেন, “কেউ যদি নায্য কথা বলে, সে যদি সংখ্যায় একজনও হয়, আমরা তাহার কথা মানিয়া লইবো”, যে ছিল নায্যতা আর ন্যায় ভিত্তিক রাষ্ট গঠনের প্রথম ভিত্তি। শোষকের নিপীড়ন আর দমন পীড়নের বিরুদ্ধে যে নৈতিক অবস্থান থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল, সেই নৈতিক অবস্থান থেকে শুধু নিজের সীমানায় আটকে থাকলে চলবে না। ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোই সত্যিকারের স্বাধীনতার চেতনা। ফিলিস্তিন, বেলুচিস্তানের নিপীড়িত জনগণের স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো এবং
স্বাধীন বেলুচিস্তানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে ইতিহাসের সঠিক পথে চলা। জয় বাংলা, জয় বেলুচিস্তানের ন্যায়সঙ্গত লড়াই। এই অবস্থান গ্রহণ করলে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সাহসী জাতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে।



