ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষের অনভিপ্রেত নাটকে কাঠগড়ায় আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ
মাদ্রিদে পৌঁছাল বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দল
বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন
জিদান থেকে এনজো ফার্নান্দেজ—বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছেন কারা
ফাতিমার কাছে না ছিল পাসপোর্ট-ভিসার ঠিকঠাক ব্যবস্থা, না ছিল হাতে টাকা
ফাইনাল শোচনীয় হারের পর নিজ দেশি পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়াল আর্জেন্টাইনরা
ইতিহাস গড়ে টানা দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট পেলেন এমবাপে
নিউ জার্সিতে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি নিজের গোলসংখ্যা আর বাড়াতে পারলেন না। আর তাতেই ফুটবলের নতুন এক ইতিহাস গড়লেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পরপর দুইবার বিশ্বকাপের ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের অনন্য কীর্তি এখন তার দখলে।
টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত খেলে ১০টি গোল করে তালিকার সবার উপরে জায়গা করে নিয়েছেন এমবাপে। অন্যদিকে, আটটি গোল নিয়ে তার ঠিক পেছনেই শেষ করেছেন মেসি। এছাড়া ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম এবং নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্দ প্রত্যেকে করেছেন সাতটি করে গোল।
২৭ বছর বয়সী রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপেও গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন, যদিও সেবার রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট
থাকতে হয়েছিল তার দলকে। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া এই ফরাসি তারকা গত শনিবার ইংল্যান্ডের সঙ্গে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও জোড়া গোল করেন, যদিও ম্যাচটিতে ফ্রান্স ৬-৪ ব্যবধানে হেরে যায়। এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে এমবাপে আরেকটি বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোলসংখ্যা এখন ২২টি, যা তাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিণত করেছে। তিনি মেসির চেয়ে ঠিক ১টি গোল এগিয়ে আছেন। রেকর্ডের চেয়েও আক্ষেপ যেখানে বড় ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এমবাপের কাছে এই বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও দেশের হয়ে ফাইনাল খেলার গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি। ইতিহাস গড়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এক আক্ষেপ জড়ানো কণ্ঠে তিনি বলেন: ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ
গোলদাতা হওয়ার চেয়ে আমি বরং আগামীকালকের ফাইনাল ম্যাচটিতে খেলতে বেশি পছন্দ করতাম।’
থাকতে হয়েছিল তার দলকে। ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া এই ফরাসি তারকা গত শনিবার ইংল্যান্ডের সঙ্গে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও জোড়া গোল করেন, যদিও ম্যাচটিতে ফ্রান্স ৬-৪ ব্যবধানে হেরে যায়। এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে এমবাপে আরেকটি বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে তার মোট গোলসংখ্যা এখন ২২টি, যা তাকে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতায় পরিণত করেছে। তিনি মেসির চেয়ে ঠিক ১টি গোল এগিয়ে আছেন। রেকর্ডের চেয়েও আক্ষেপ যেখানে বড় ১০০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এমবাপের কাছে এই বিশ্বরেকর্ডের চেয়েও দেশের হয়ে ফাইনাল খেলার গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি। ইতিহাস গড়ার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এক আক্ষেপ জড়ানো কণ্ঠে তিনি বলেন: ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বোচ্চ
গোলদাতা হওয়ার চেয়ে আমি বরং আগামীকালকের ফাইনাল ম্যাচটিতে খেলতে বেশি পছন্দ করতাম।’



