ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষের অনভিপ্রেত নাটকে কাঠগড়ায় আর্জেন্টিনা
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, বোমা বিস্ফোরণ
মাদ্রিদে পৌঁছাল বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দল
বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছে স্পেন
জিদান থেকে এনজো ফার্নান্দেজ—বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছেন কারা
ফাতিমার কাছে না ছিল পাসপোর্ট-ভিসার ঠিকঠাক ব্যবস্থা, না ছিল হাতে টাকা
ফাইনাল শোচনীয় হারের পর নিজ দেশি পুলিশের সাথেও সংঘর্ষে জড়াল আর্জেন্টাইনরা
ম্যাচ হেরে স্পেনের খেলোয়াড়ের গলা চেপে মাটিতে ফেলে পেটালেন আর্জেন্টিনার পারেদেস
বিশ্বকাপের শিরোপা হাতছাড়া হতেই মাঠের ভেতর চরম অখেলোয়াড়সুলভ ও হিংস্র আচরণ করে বসলেন আর্জেন্টিনার লিয়েন্দ্রো পারেদেস। নিউ জার্সির ফাইনাল ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার ওপর সশরীরে চড়াও হন তিনি। হারের চরম ক্ষোভ উগরে দিয়ে আচমকা গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং তীব্র শক্তিতে ধাক্কা মেরে বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডারকে পিচেন ওপর আছড়ে ফেলেন। পারেদেসের এমন আকস্মিক ও সহিংস হামলায় মুহূর্তের মধ্যে ফাইনালের মঞ্চ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। ২০১০ সালের পর এটি স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়। তবে স্প্যানিশদের এই ঐতিহাসিক উদযাপনের আনন্দ অনেকটাই ম্লান হয়ে
যায় ম্যাচ শেষের ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ও কলঙ্কজনক মারামারির ঘটনায়। পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল ফাউলের ছড়াছড়ি। ৯০ মিনিটে স্পেনের পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা মোট ছয়টি হলুদ কার্ড দেখেন, যার মধ্যে একটি ছিল খোদ পারেদেসের। বদলি হিসেবে নামার পরপরই একটি মারাত্মক ট্যাকেলের জন্য হলুদ কার্ড দেখেছিলেন বোকা জুনিয়র্সের এই মিডফিল্ডার। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই পারেদেসের সেই ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ রূপ নেয় চরম সহিংসতায়। নিজের আবেগ ও মেজাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তেড়ে যান এরিক গার্সিয়ার দিকে। কোনো উসকানি ছাড়াই সরাসরি গার্সিয়ার গলা টিপে ধরেন এবং এতটাই জোরে ধাক্কা দেন
যে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পারেদেসের এই উগ্র রূপ দেখে মাঠে থাকা সবাই স্তব্ধ হয়ে যান। গার্সিয়া মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর ঘটনা আর পারেদেসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। দুই দলের খেলোয়াড়, বদলি বেঞ্চের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফরা একে অপরের সঙ্গে চরম হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে মাঠজুড়ে চলে এই মারমুখী তাণ্ডব। পরবর্তীতে সবাইকে আলাদা করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। অবশ্য মাঠের এই কুৎসিত অধ্যায়ের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রূপ নেয়। স্পেনের খেলোয়াড়রা আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে সান্ত্বনা ও সৌজন্য বিনিময় করেন। অন্যদিকে দুই দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি ও লুইস দে লা ফুয়েন্তে মাঠের মাঝখানে একে অপরকে দীর্ঘক্ষণ জড়িয়ে
ধরে স্পোর্টিং মনোভাবের পরিচয় দেন। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি বলেন, ‘আমরা জয়ে যেমন বিনীত, পরাজয়েও আমাদের তেমনই থাকতে হবে। আমরা হার মেনে নিচ্ছি; আমাদের ফুটবলাররা নিজেদের সবটুকু দিয়ে লড়েছে। আজকে তারা যেভাবে মাঠে উজাড় করে দিয়েছে, তা আমাদের দেশের মানুষের জন্য একটি দারুণ উদাহরণ।’ পরাজয়ের গ্লানি ভুলে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনি হারবেন, এবং আপনাকে আবার উঠে দাঁড়াতে হবে।’
যায় ম্যাচ শেষের ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ও কলঙ্কজনক মারামারির ঘটনায়। পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিল ফাউলের ছড়াছড়ি। ৯০ মিনিটে স্পেনের পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ। পুরো ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা মোট ছয়টি হলুদ কার্ড দেখেন, যার মধ্যে একটি ছিল খোদ পারেদেসের। বদলি হিসেবে নামার পরপরই একটি মারাত্মক ট্যাকেলের জন্য হলুদ কার্ড দেখেছিলেন বোকা জুনিয়র্সের এই মিডফিল্ডার। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই পারেদেসের সেই ভেতরে জমে থাকা ক্ষোভ রূপ নেয় চরম সহিংসতায়। নিজের আবেগ ও মেজাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তেড়ে যান এরিক গার্সিয়ার দিকে। কোনো উসকানি ছাড়াই সরাসরি গার্সিয়ার গলা টিপে ধরেন এবং এতটাই জোরে ধাক্কা দেন
যে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পারেদেসের এই উগ্র রূপ দেখে মাঠে থাকা সবাই স্তব্ধ হয়ে যান। গার্সিয়া মাটিতে পড়ে যাওয়ার পর ঘটনা আর পারেদেসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। দুই দলের খেলোয়াড়, বদলি বেঞ্চের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফরা একে অপরের সঙ্গে চরম হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে মাঠজুড়ে চলে এই মারমুখী তাণ্ডব। পরবর্তীতে সবাইকে আলাদা করে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। অবশ্য মাঠের এই কুৎসিত অধ্যায়ের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রূপ নেয়। স্পেনের খেলোয়াড়রা আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে সান্ত্বনা ও সৌজন্য বিনিময় করেন। অন্যদিকে দুই দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি ও লুইস দে লা ফুয়েন্তে মাঠের মাঝখানে একে অপরকে দীর্ঘক্ষণ জড়িয়ে
ধরে স্পোর্টিং মনোভাবের পরিচয় দেন। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি বলেন, ‘আমরা জয়ে যেমন বিনীত, পরাজয়েও আমাদের তেমনই থাকতে হবে। আমরা হার মেনে নিচ্ছি; আমাদের ফুটবলাররা নিজেদের সবটুকু দিয়ে লড়েছে। আজকে তারা যেভাবে মাঠে উজাড় করে দিয়েছে, তা আমাদের দেশের মানুষের জন্য একটি দারুণ উদাহরণ।’ পরাজয়ের গ্লানি ভুলে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনি হারবেন, এবং আপনাকে আবার উঠে দাঁড়াতে হবে।’



