ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস: চবি ক্যাম্পাসে স্লোগানে স্লোগানে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগ। এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
জানা গেছে, গত ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জের ওই গণহত্যার জেরে ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করার সময় অংশগ্রণকারীদের স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে
চারপাশ। বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত নৃশংস আখ্যা দিয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে তাঁরা নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলব ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ”গোপালগঞ্জের মাটিতে আমাদের কর্মীর ওপর যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৃশংস ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ ঘরে বসে থাকবে না।” গোপালগঞ্জের সেই
গণহত্যার এক বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের এই আকস্মিক বড় শোডাউন ও তীব্র আলটিমেটাম স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
চারপাশ। বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত নৃশংস আখ্যা দিয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে তাঁরা নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলব ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ”গোপালগঞ্জের মাটিতে আমাদের কর্মীর ওপর যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৃশংস ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ ঘরে বসে থাকবে না।” গোপালগঞ্জের সেই
গণহত্যার এক বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের এই আকস্মিক বড় শোডাউন ও তীব্র আলটিমেটাম স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।





