ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘আপনার বহু আগে ঢাকায় আমি ছাত্রদল করে আসছি’— কুমিল্লা এসপির বিস্ফোরক মন্তব্য ভাইরাল
শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার মুখে ছাই: নাটোরে পরীক্ষার হলে দেদারসে নকল, ধরিয়ে দিয়ে উল্টো বহিষ্কার শিক্ষার্থী
ফেনীতে যুবলীগ নেতাকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় যুবদল ক্যাডারদের
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ফেনীতে আওয়ামী লীগের মিছিল
হ্যারি কেইনও পারলেন না পরীমনির বিয়ে ঠেকাতে
যশোরে আওয়ামী লীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার, বিএনপির ২ নেতাকর্মী আটক
নরসিংদীর কানখেকো সেই বিএনপি নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস: চবি ক্যাম্পাসে স্লোগানে স্লোগানে ছাত্রলীগের প্রতিবাদ
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগ। এই নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
জানা গেছে, গত ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জের ওই গণহত্যার জেরে ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করার সময় অংশগ্রণকারীদের স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে
চারপাশ। বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত নৃশংস আখ্যা দিয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে তাঁরা নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলব ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ”গোপালগঞ্জের মাটিতে আমাদের কর্মীর ওপর যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৃশংস ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ ঘরে বসে থাকবে না।” গোপালগঞ্জের সেই
গণহত্যার এক বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের এই আকস্মিক বড় শোডাউন ও তীব্র আলটিমেটাম স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
চারপাশ। বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনাকে অত্যন্ত নৃশংস আখ্যা দিয়ে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একই সাথে তাঁরা নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলব ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ”গোপালগঞ্জের মাটিতে আমাদের কর্মীর ওপর যে গণহত্যা চালানো হয়েছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৃশংস ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ ঘরে বসে থাকবে না।” গোপালগঞ্জের সেই
গণহত্যার এক বছরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের এই আকস্মিক বড় শোডাউন ও তীব্র আলটিমেটাম স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



