ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙার ধারাবাহিকতা: এবার ভাঙল বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্য, জানে না প্রশাসন
পৌরসভার ২ কোটি টাকা মূল্যের ৫টি গাড়ি উধাও
তিন সংসদ সদস্যসহ মঞ্চ ভেঙে নিচে পড়লেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু
শাহজালাল (রহ.) মাজার ঘিরে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য, দানবাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
আমলাদের চাপে পিছু হটল সরকার, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা মিলবে ৫০ হাজার
বন্যার ৯ম দিনেও জলবন্দি বাঁশখালী: অপরিকল্পিত চিংড়ি ঘের ও অবৈধ বাঁধের বলি হাজারো পরিবার
বাংলাদেশকে ৫ বছরে শোধ করতে হবে ২৬ বিলিয়ন ডলার, বৈদেশিক ঋণ নিয়ে আইএমএফের বাড়তি নজর
ঢাকায় তিন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্টের নীরব সফর: যার একজন ইউএস আর্মির সদস্য, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার হওয়ার মধ্যে তিনজন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্ট (মহামারি বিশেষজ্ঞ) নীরবে ঢাকায় এসেছেন। এদের মধ্যে একজন ইউএস আর্মির সাবেক সদস্য, যা বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
মার্কিন দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে তাদের এই নীরব সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।
নর্থইস্ট নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, ১১ই জুলাই বিকেলে অ্যাডাম ক্রলি এবং ভ্যানেসা মেলানসন ঢাকার গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে চেক-ইন করেন। তারা যথাক্রমে ১৭ ও ১৮ই জুলাই পর্যন্ত থাকবেন বলে জানা গেছে। তাদের আগমনের পরের দিন ১২ই জুলাই স্টেফানি ফাজেকাস স্যালিয়ার একই হোটেলে চেক-ইন করেন এবং তিনি ২৬শে জুলাই পর্যন্ত থাকবেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল ভ্যানেসা মেলানসন: ইউএস আর্মি মেডিকেল সার্ভিস কর্পসে প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর হিসেবে
কাজ করেছেন ইউএস আর্মি মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব ইনফেকশাস ডিজিজেস (ইউএসএএমআরআইআইডি)-এ। তিনি বায়োডিফেন্স গবেষণায় যুক্ত ছিলেন এবং ইবোলা, মারবার্গ ভাইরাসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। বর্তমানে ইউএস আর্মি রিজার্ভে কর্মরত। অ্যাডাম ক্রলি: ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর সঙ্গে যুক্ত এপিডেমিওলজিস্ট। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে-এর সঙ্গেও সম্পৃক্ত। জনস্বাস্থ্য প্রস্তুতি, রোগ নজরদারি এবং প্রারম্ভিক প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্টেফানি ফাজেকাস স্যালিয়ার: ভেটেরিনারি এপিডেমিওলজিস্ট এবং গ্লোবাল হেলথ বিশেষজ্ঞ। ‘ওয়ান হেলথ’ অ্যাপ্রোচে (মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সমন্বিত স্বাস্থ্য) কাজ করেন। সিডিসি-তে বিভিন্ন দেশে (জর্জিয়া, কাজাখস্তান, কলম্বিয়া প্রভৃতি) দায়িত্ব পালন করেছেন। জুনোটিক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও মহামারি প্রস্তুতিতে তার দক্ষতা রয়েছে। প্রতিবেদনে
বলা হয়েছে, এই তিনজন ছাড়াও আরও তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা (নিরাপত্তা সম্পর্কিত পটভূমির) একই হোটেলে উঠেছেন বলে অপ্রমাণিত খবর রয়েছে। তবে তাদের যোগাযোগের বিষয় বা সাক্ষাৎকারীদের বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। উদ্দেশ্য নিয়ে নীরবতা মার্কিন দূতাবাস বা বাংলাদেশ সরকার এই সফরের উদ্দেশ্য, কর্মসূচি বা তাদের পরিচয় প্রকাশ্যে জানায়নি। এতে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এটি রুটিন জনস্বাস্থ্য সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন, গবেষণা বা অন্য কোনো দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ কি না—তা স্পষ্ট নয়। বাংলাদেশ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উঠে আসায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য, নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা ও জলবায়ু সহযোগিতা বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই সফরকে অনেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে দেখছেন, তবে স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন
দূতাবাস বা বাংলাদেশ সরকার ভবিষ্যতে আরও তথ্য প্রকাশ করলে সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা যায়।
কাজ করেছেন ইউএস আর্মি মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব ইনফেকশাস ডিজিজেস (ইউএসএএমআরআইআইডি)-এ। তিনি বায়োডিফেন্স গবেষণায় যুক্ত ছিলেন এবং ইবোলা, মারবার্গ ভাইরাসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। বর্তমানে ইউএস আর্মি রিজার্ভে কর্মরত। অ্যাডাম ক্রলি: ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর সঙ্গে যুক্ত এপিডেমিওলজিস্ট। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে-এর সঙ্গেও সম্পৃক্ত। জনস্বাস্থ্য প্রস্তুতি, রোগ নজরদারি এবং প্রারম্ভিক প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। স্টেফানি ফাজেকাস স্যালিয়ার: ভেটেরিনারি এপিডেমিওলজিস্ট এবং গ্লোবাল হেলথ বিশেষজ্ঞ। ‘ওয়ান হেলথ’ অ্যাপ্রোচে (মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের সমন্বিত স্বাস্থ্য) কাজ করেন। সিডিসি-তে বিভিন্ন দেশে (জর্জিয়া, কাজাখস্তান, কলম্বিয়া প্রভৃতি) দায়িত্ব পালন করেছেন। জুনোটিক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও মহামারি প্রস্তুতিতে তার দক্ষতা রয়েছে। প্রতিবেদনে
বলা হয়েছে, এই তিনজন ছাড়াও আরও তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা (নিরাপত্তা সম্পর্কিত পটভূমির) একই হোটেলে উঠেছেন বলে অপ্রমাণিত খবর রয়েছে। তবে তাদের যোগাযোগের বিষয় বা সাক্ষাৎকারীদের বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। উদ্দেশ্য নিয়ে নীরবতা মার্কিন দূতাবাস বা বাংলাদেশ সরকার এই সফরের উদ্দেশ্য, কর্মসূচি বা তাদের পরিচয় প্রকাশ্যে জানায়নি। এতে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এটি রুটিন জনস্বাস্থ্য সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন, গবেষণা বা অন্য কোনো দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ কি না—তা স্পষ্ট নয়। বাংলাদেশ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উঠে আসায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য, নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা ও জলবায়ু সহযোগিতা বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে এই সফরকে অনেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে দেখছেন, তবে স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন
দূতাবাস বা বাংলাদেশ সরকার ভবিষ্যতে আরও তথ্য প্রকাশ করলে সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা যায়।



