ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বড্ড ছন্নছাড়া ছিলাম আমরা’, বিদায়ের সব দায় নিজের কাঁধেই নিলেন এমবাপে
যে রেফারি থাকলে কখনো হারেন না মেসিরা, তাকেই ইংল্যান্ড ম্যাচে নিয়োগ দিল ফিফা
ফ্রান্স-স্পেন মহাদ্বৈরথ: রেকর্ড আর রোমাঞ্চের সেমিফাইনাল
রয়টার্সের প্রতিবেদন: মহাবিতর্ক নিয়ে যেভাবে সেমি’তে ‘ভার্জেন্টিনা’, ফুটবল সমর্থকদের আস্থাহীনতা
ইয়ামাল নাকি এমবাপ্পে: ৩০০ কোটি ডলারের ম্যাচে শেষ হাসি হাসবে কে?
সেমিতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে রেফারির দায়িত্ব পেলেন যিনি
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে রাজকীয় জুয়ার আসরে নেইমার!
ফ্রান্সকে অনায়াসে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে ওঠার আনন্দে বিভোর স্পেন
ফেভারিট ফ্রান্সকে অনায়াসে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখেছে স্পেন। সেমিফাইনালের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্প্যানিশদের ২-০ ব্যবধানের জয়ে দুর্দান্ত অবদান রেখেছেন পেড্রো পোরো। দলের দ্বিতীয় গোলটি করে জয় নিশ্চিত করার পর টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার ফাইনালে ওঠার অনুভূতিকে বর্ণনা করেছেন ‘স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো’ এক মুহূর্ত হিসেবে।
ম্যাচ শেষে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ২৬ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলের সবার যে মনোভাব ছিল, তা এক কথায় দারুণ। আমি ভীষণ খুশি। ফাইনালে ওঠার জন্য আজ আমাদের যা যা করার দরকার ছিল, তার সবই আমরা করতে পেরেছি। আমরা একটা দুর্দান্ত ম্যাচ খেলেছি।’
দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠের লড়াইটা
মোটেও সহজ ছিল না। তবে মাঠের খেলায় স্পেন যেভাবে দাপট দেখিয়েছে, তাতে ফরাসিদের প্রতিরোধ ভেঙে পড়েছে সহজেই। প্রতিপক্ষকে সমীহ করে পোরো বলেন, ‘এটা সত্যিই একটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ব্যাপার। আমরা জানতাম ফ্রান্স কতটা কঠিন প্রতিপক্ষ। ওরা সাম্প্রতিক সময়ে অসাধারণ ফুটবল খেলছিল। তবে সত্যি বলতে, এই সাফল্য কিন্তু আমার একার নয়, এটা পুরো দলের অর্জন।’ ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দলকে হারাতে স্পেন যে তাদের সেরা ফুটবলটাই উপহার দিয়েছে, পোরোর কথাতেই তার প্রমাণ মেলে। তার মতে, শিরোপার মঞ্চে ওঠার লড়াইয়ে স্পেন একটি ‘অনবদ্য ম্যাচ’ খেলেছে। বিশ্বকাপের রাজমুকুট পরার লড়াইয়ে স্পেনের সামনে এখন শেষ ধাপের চ্যালেঞ্জ। আগামী সোমবারের ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার
মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দলের সঙ্গে।
মোটেও সহজ ছিল না। তবে মাঠের খেলায় স্পেন যেভাবে দাপট দেখিয়েছে, তাতে ফরাসিদের প্রতিরোধ ভেঙে পড়েছে সহজেই। প্রতিপক্ষকে সমীহ করে পোরো বলেন, ‘এটা সত্যিই একটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ব্যাপার। আমরা জানতাম ফ্রান্স কতটা কঠিন প্রতিপক্ষ। ওরা সাম্প্রতিক সময়ে অসাধারণ ফুটবল খেলছিল। তবে সত্যি বলতে, এই সাফল্য কিন্তু আমার একার নয়, এটা পুরো দলের অর্জন।’ ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দলকে হারাতে স্পেন যে তাদের সেরা ফুটবলটাই উপহার দিয়েছে, পোরোর কথাতেই তার প্রমাণ মেলে। তার মতে, শিরোপার মঞ্চে ওঠার লড়াইয়ে স্পেন একটি ‘অনবদ্য ম্যাচ’ খেলেছে। বিশ্বকাপের রাজমুকুট পরার লড়াইয়ে স্পেনের সামনে এখন শেষ ধাপের চ্যালেঞ্জ। আগামী সোমবারের ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার
মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দলের সঙ্গে।



