ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হালান্ডকে পাস না দেওয়ায় তীব্র অনলাইন হেনস্থার মুখে সোরলথ
তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে ২০ সেন্টিমিটার, উত্তরাঞ্চলে বড় বন্যার শঙ্কা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী: আগের সরকার পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর মজুদ রেখে যায়নি
নকল ব্যান্ডেজ পরে আদিবাসীদের ওপর হামলাকারী সেই ইনসাফ নেতা এবার হিন্দুদের দেশছাড়া করার উস্কানিতে সরব
বেকারত্ব-হতাশায় নেপালে তিন জেনজির আত্মহুতি: বালেন্দ্রর পদত্যাগ দাবি তরুণদের
চট্টগ্রামের ৫ জেলায় ৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে ডলারের দাম
কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় বন্যার পানিতে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৮ ঘণ্টা পর ইব্রাহিম নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জেলায় টানা ভারী বর্ষণ, বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ জনে।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মহেশকুম এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ইব্রাহিম স্থানীয় বাসিন্দা ছৈয়দ হোসেনের ছেলে।
রামু প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী মামুন জানান, বাঁকখালী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত কলারঝিরি ছড়ার ওপর নির্মিত একটি বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় রোববার সকাল ১০টার দিকে ইব্রাহিম পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও কোনো সন্ধান পাননি। পরে সোমবার দুপুরে তিনি যেখানে পানিতে
পড়েছিলেন, সেখানেই তার মরদেহ ভেসে ওঠে। রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, নিখোঁজের বিষয়ে প্রশাসনকে আগে জানানো হয়নি। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর বিষয়টি জানতে পেরেছি। নিহতের পরিবারের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে রবিবার একই উপজেলায় বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে নিরঞ্জন দাশ নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত ৩৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে পাহাড়ধসে মারা গেছেন ১৯ জন, যাদের ১৩ জনই রোহিঙ্গা। এছাড়া বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছেন আরও ১৪ জন।
পড়েছিলেন, সেখানেই তার মরদেহ ভেসে ওঠে। রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, নিখোঁজের বিষয়ে প্রশাসনকে আগে জানানো হয়নি। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর বিষয়টি জানতে পেরেছি। নিহতের পরিবারের জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে রবিবার একই উপজেলায় বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে নিরঞ্জন দাশ নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে এখন পর্যন্ত ৩৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে পাহাড়ধসে মারা গেছেন ১৯ জন, যাদের ১৩ জনই রোহিঙ্গা। এছাড়া বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছেন আরও ১৪ জন।



