ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“বন্যাদুর্গত মানুষের সাথে সরকার উপহাস করছে”— বিবৃতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের
রাশেদ: বিএনপি পাহারা না দিলে এনসিপি নেতাদের গিলে ফেলত আওয়ামী লীগ
যেই মানবপাচার সিন্ডিকেট হোতার গ্রেফতার চেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার, মালয়েশিয়া সফরে তার সাথেই সাক্ষাত করলেন তারেক রহমান
যশোরে বিএনপি-জামায়াতের মব সন্ত্রাসে আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যু
পরকীয়া প্রেমিকাসহ স্ত্রীর হাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে দলীয় পদ গেল জামায়াত নেতার
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
এনসিপির সমাবেশ চলাকালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল
জামিনের পরও ১১ বছর পুরোনো এক হত্যা মামলায় ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ আওয়ামী লীগের সাংসদ সেঁজুতি
জামিন পাওয়ার পরও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ ১৩ই জুলাই, সোমবার সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত এই নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনাথ মিত্রের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তারের এই নির্দেশ দেন।
২০২৫ সালের ২০শে মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন লায়লা পারভীন সেঁজুতি। বিশেষ ক্ষমতা আইন, নাশকতা ও একাধিক হত্যাসহ ধারাবাহিক বিভিন্ন মামলায় তাকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক
কর্নার এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৮শে আগস্ট সাতক্ষীরা-১ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন কাশেমপুর গ্রামের ইমদাদুল হক। পরে আদালতের নির্দেশে ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাতক্ষীরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ৪৬৪, ৩০২, ২০১, ১৪৯ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হয় (জিআর নং-৪০৩/২৪)। মামলার এজাহারে বাদী দাবি করেন, তার ভাই শহিদুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৫ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রাতে পুলিশ সদস্য ও তৎকালীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। সে সময়
ঘটনাটি হত্যা হিসেবে আমলে না নিয়ে ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে এজাহারে। লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য আল মাহামুদ পলাশ বলেন, “হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরও নতুন নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। একাধিক মামলায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন।”
কর্নার এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৮শে আগস্ট সাতক্ষীরা-১ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন কাশেমপুর গ্রামের ইমদাদুল হক। পরে আদালতের নির্দেশে ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাতক্ষীরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ৪৬৪, ৩০২, ২০১, ১৪৯ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হয় (জিআর নং-৪০৩/২৪)। মামলার এজাহারে বাদী দাবি করেন, তার ভাই শহিদুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৫ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি রাতে পুলিশ সদস্য ও তৎকালীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। সে সময়
ঘটনাটি হত্যা হিসেবে আমলে না নিয়ে ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে এজাহারে। লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য আল মাহামুদ পলাশ বলেন, “হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরও নতুন নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। একাধিক মামলায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন।”



