ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩
হালান্ডকে পাস না দেওয়ায় তীব্র অনলাইন হেনস্থার মুখে সোরলথ
স্বাস্থ্যমন্ত্রী: আগের সরকার পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রীর মজুদ রেখে যায়নি
নকল ব্যান্ডেজ পরে আদিবাসীদের ওপর হামলাকারী সেই ইনসাফ নেতা এবার হিন্দুদের দেশছাড়া করার উস্কানিতে সরব
বেকারত্ব-হতাশায় নেপালে তিন জেনজির আত্মহুতি: বালেন্দ্রর পদত্যাগ দাবি তরুণদের
চট্টগ্রামের ৫ জেলায় ৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত
পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে ডলারের দাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে ২০ সেন্টিমিটার, উত্তরাঞ্চলে বড় বন্যার শঙ্কা
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার প্রায় ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে—যা মৌসুমের অন্যতম বড় বন্যার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
সোমবার সকাল থেকে দেওয়া পূর্বাভাসে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়ে কিছু কিছু জায়গায় বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
গাইবান্ধায় তিস্তা এবং কুড়িগ্রামে ধরলা নদীও সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। কেন্দ্রটি সার্বিকভাবে দেশের ৯টি জেলার
চলমান স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কার কথাও জানিয়েছে, যদিও একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত দিয়েছে। সরেজমিন তথ্যে দেখা যায়, সোমবার বিকেলে লালমনিরহাট অংশে তিস্তার পানি বিপদসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল, যা যেকোনো মুহূর্তে বিপৎসীমা অতিক্রম করার শঙ্কা তৈরি করেছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের সবক’টি জলকপাট খুলে রেখে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পানি বাড়ছে এবং নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি অপ্রয়োজনে নদীতে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তিস্তা বিপৎসীমা অতিক্রমের মুখে পড়ল।
এর আগে ২৩ জুন প্রথমবার এবং ২৮ জুন দ্বিতীয়বার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়েছিল, যদিও দুই দফাতেই কিছু ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে গিয়েছিল। তবে এবারের পূর্বাভাসে যে মাত্রার (২০ সেন্টিমিটার) কথা বলা হচ্ছে, তা আগের দুই দফার তুলনায় অনেক বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা তৈরি করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পাউবো কর্মকর্তারা। নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের অভিযোগ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দুর্বল অংশগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পানি বাড়লেই ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়, আর শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী মেরামতের বদলে বর্ষাকালে তড়িঘড়ি মেরামত করায় সুরক্ষা কার্যকর হয় না। এদিকে দেশের অন্যান্য অংশেও একযোগে বন্যা পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। সুরমা নদীর ছাতক, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও
ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পূর্বাভাস কেন্দ্র আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলাতেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কার কথা জানিয়েছে। অর্থাৎ চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় ৫১ জনের প্রাণহানি ঘটিয়ে দেশ এখনো একটি বন্যা কাটিয়ে না উঠতেই উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন বন্যার শঙ্কা যুক্ত হলো। কেন এবারের পূর্বাভাস উদ্বেগজনক তিস্তা অববাহিকায় এর আগে বিপৎসীমা অতিক্রমের ঘটনাগুলো ছিল স্বল্পস্থায়ী—কয়েক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে গেছে। কিন্তু ২০ সেন্টিমিটার মাত্রার পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার তিস্তাপাড়ের নিচু এলাকা, চর ও কৃষিজমি ব্যাপকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে
আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। ইতিমধ্যে টানা বৃষ্টিতে এসব এলাকার বাদাম, পাট, মরিচ ও সবজিখেত ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীতীরবর্তী মানুষদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনে আগেভাগে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছে।
চলমান স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কার কথাও জানিয়েছে, যদিও একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত দিয়েছে। সরেজমিন তথ্যে দেখা যায়, সোমবার বিকেলে লালমনিরহাট অংশে তিস্তার পানি বিপদসীমার মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল, যা যেকোনো মুহূর্তে বিপৎসীমা অতিক্রম করার শঙ্কা তৈরি করেছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ পানির চাপ সামলাতে ব্যারাজের সবক’টি জলকপাট খুলে রেখে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে। পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পানি বাড়ছে এবং নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি অপ্রয়োজনে নদীতে না নামার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তিস্তা বিপৎসীমা অতিক্রমের মুখে পড়ল।
এর আগে ২৩ জুন প্রথমবার এবং ২৮ জুন দ্বিতীয়বার নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়েছিল, যদিও দুই দফাতেই কিছু ঘণ্টার মধ্যে পানি নেমে গিয়েছিল। তবে এবারের পূর্বাভাসে যে মাত্রার (২০ সেন্টিমিটার) কথা বলা হচ্ছে, তা আগের দুই দফার তুলনায় অনেক বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী বন্যার আশঙ্কা তৈরি করছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পাউবো কর্মকর্তারা। নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের অভিযোগ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দুর্বল অংশগুলো দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পানি বাড়লেই ভাঙনের ঝুঁকি বেড়ে যায়, আর শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী মেরামতের বদলে বর্ষাকালে তড়িঘড়ি মেরামত করায় সুরক্ষা কার্যকর হয় না। এদিকে দেশের অন্যান্য অংশেও একযোগে বন্যা পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। সুরমা নদীর ছাতক, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও
ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টেও পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পূর্বাভাস কেন্দ্র আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলাতেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কার কথা জানিয়েছে। অর্থাৎ চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাত জেলায় ৫১ জনের প্রাণহানি ঘটিয়ে দেশ এখনো একটি বন্যা কাটিয়ে না উঠতেই উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন বন্যার শঙ্কা যুক্ত হলো। কেন এবারের পূর্বাভাস উদ্বেগজনক তিস্তা অববাহিকায় এর আগে বিপৎসীমা অতিক্রমের ঘটনাগুলো ছিল স্বল্পস্থায়ী—কয়েক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে গেছে। কিন্তু ২০ সেন্টিমিটার মাত্রার পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার তিস্তাপাড়ের নিচু এলাকা, চর ও কৃষিজমি ব্যাপকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে
আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। ইতিমধ্যে টানা বৃষ্টিতে এসব এলাকার বাদাম, পাট, মরিচ ও সবজিখেত ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীতীরবর্তী মানুষদের সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনে আগেভাগে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছে।



