ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিক এনায়েত শাওনকে হুমকি, নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা
ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড, জন্ম নেওয়া শিশু ও মায়ের দায়িত্বে জেলা প্রশাসন
সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা রিমান্ড শেষে কারাগারে
বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফ সীমান্ত, আতঙ্ক
ঢাকার গাড়ির মালিকদের জন্য দুঃসংবাদ, চালু হচ্ছে ‘যানজট শুল্ক’
মেহেরপুরে বাচ্চা থাকা পচা ডিম ও ছত্রাকসহ পাউরুটি দেওয়া হলো স্কুল ফিডিংয়ে
বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি
“জুলাই আন্দোলন আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত!”—সমন্বয়কের তীব্র অনুশোচনা
জুলাই-আগস্টের সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে এবার প্রকাশ্যেই তীব্র ক্ষোভ ও চরম হতাশা ব্যক্ত করলেন, লক্ষ্মীপুরের অন্যতম সমন্বয়ক এম এ অনিক। আন্দোলনের দীর্ঘ সময় পর নিজের অবস্থান নিয়ে অনুশোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দেওয়া একটি পোস্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আজ ১লা জুলাই, বুধবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অনিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকে তার জীবনের “সবচেয়ে বাজে ভুল” বলে আখ্যায়িত করেন।
ফেসবুক পোস্টে এম এ অনিক আন্দোলনের দিনগুলোর স্মৃতি এবং এর পেছনের ত্যাগকে চরম আক্ষেপের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, “July করা আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে ডিসিশন গুলোর একটা!
জুলাই করার কারনে আজকাল এলাকায় সাধারণ মানুষের কথা শুনেও হজম করতে হচ্ছে।” আন্দোলনের পেছনে নিজের পকেটের অর্থ ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভে তিনি আরও বলেন, “জুলাইতে নিজের পকেটের প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ করেছি, যেটা আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে ইনভেস্টমেন্ট গুলোর একটা, এই টাকা একটা কুকুরকে খাওয়ালে আরো বেশি সম্মানের হতো।” আন্দোলন-পরবর্তী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্নে নিজের চরম অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এই সমন্বয়ক। আন্দোলনের মূল স্পিরিট ও বর্তমান বাস্তবতার বৈপরীত্য তুলে ধরে অনিক লেখেন, “জুলাইতে নেওয়া প্রতিটা স্টেপ ভুল ছিলো, যদি জানতাম জুলাইয়ের পর বাকস্বাধীনতায় এভাবে হস্তক্ষেপ করা হবে এবং দেশের এমন করুণ অবস্থা হবে, তবে কোনোদিন জুলাই
আন্দোলন করতামনা। এখন মনে হচ্ছে, একটা মহলের স্বার্থের জন্য এগুলা সাজানো হয়েছে।” অনিকের এই বিস্ফোরক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় সচেতন মহলে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, আন্দোলনের পর সাধারণ মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ না হওয়ায় এবং বর্তমানে বাকস্বাধীনতার ওপর নানা বিধি-নিষেধ বা চাপের কারণেই একজন মাঠপর্যায়ের সমন্বয়কের মুখ থেকে এমন চরম হতাশার কথা বেরিয়ে এসেছে। অন্য এক পক্ষ অবশ্য এটিকে তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা সাময়িক কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।
জুলাই করার কারনে আজকাল এলাকায় সাধারণ মানুষের কথা শুনেও হজম করতে হচ্ছে।” আন্দোলনের পেছনে নিজের পকেটের অর্থ ব্যয়ের কথা উল্লেখ করে তীব্র ক্ষোভে তিনি আরও বলেন, “জুলাইতে নিজের পকেটের প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ করেছি, যেটা আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে ইনভেস্টমেন্ট গুলোর একটা, এই টাকা একটা কুকুরকে খাওয়ালে আরো বেশি সম্মানের হতো।” আন্দোলন-পরবর্তী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্নে নিজের চরম অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এই সমন্বয়ক। আন্দোলনের মূল স্পিরিট ও বর্তমান বাস্তবতার বৈপরীত্য তুলে ধরে অনিক লেখেন, “জুলাইতে নেওয়া প্রতিটা স্টেপ ভুল ছিলো, যদি জানতাম জুলাইয়ের পর বাকস্বাধীনতায় এভাবে হস্তক্ষেপ করা হবে এবং দেশের এমন করুণ অবস্থা হবে, তবে কোনোদিন জুলাই
আন্দোলন করতামনা। এখন মনে হচ্ছে, একটা মহলের স্বার্থের জন্য এগুলা সাজানো হয়েছে।” অনিকের এই বিস্ফোরক পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় সচেতন মহলে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, আন্দোলনের পর সাধারণ মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ না হওয়ায় এবং বর্তমানে বাকস্বাধীনতার ওপর নানা বিধি-নিষেধ বা চাপের কারণেই একজন মাঠপর্যায়ের সমন্বয়কের মুখ থেকে এমন চরম হতাশার কথা বেরিয়ে এসেছে। অন্য এক পক্ষ অবশ্য এটিকে তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা সাময়িক কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।



