ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা রিমান্ড শেষে কারাগারে
বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফ সীমান্ত, আতঙ্ক
ঢাকার গাড়ির মালিকদের জন্য দুঃসংবাদ, চালু হচ্ছে ‘যানজট শুল্ক’
মেহেরপুরে বাচ্চা থাকা পচা ডিম ও ছত্রাকসহ পাউরুটি দেওয়া হলো স্কুল ফিডিংয়ে
বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি
টানা ৪ দিন ছুটির সুযোগ সরকারি চাকরিজীবীদের, যারা আওতার বাইরে
ফেসবুক থেকে আয় করছেন কোন কোন সংসদ সদস্য
ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড, জন্ম নেওয়া শিশু ও মায়ের দায়িত্বে জেলা প্রশাসন
বরিশালে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় আলমগীর সিকদার নামের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত। এছাড়া তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধর্ষণের পর জন্ম নেওয়া শিশু ও মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের কাছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আদালতের বিচারক আশরাফ উদ্দিন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আলমগীর সিকদার (৫২) বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পূর্ব কেসবকাঠি গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একে এম শামসুল হক জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী ৯ম শ্রণির মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষার্থী ও আলমগীর প্রতিবেশী। সেই সুবাদে ভুক্তভোগী আলমগীরের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতো ওই শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ আলমগীরের
বাসায় যায় ওই শিক্ষার্থী। বাসায় কেউ না থাকায় তাকে ধর্ষণ করে আলমগীর। পরবর্তীতে শিশুটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। ওই শিক্ষার্থীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুর বর্তমান বয়স ৩ বছর। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা উজিরপুর থানায় মামলা করেন। ২০২৪ সালের ৩১ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে আলমগীরকে আসামি করে চার্জশিট প্রদান করেন। ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশু ও তার মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হয়।
বাসায় যায় ওই শিক্ষার্থী। বাসায় কেউ না থাকায় তাকে ধর্ষণ করে আলমগীর। পরবর্তীতে শিশুটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। ওই শিক্ষার্থীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুর বর্তমান বয়স ৩ বছর। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ২১ মে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা উজিরপুর থানায় মামলা করেন। ২০২৪ সালের ৩১ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে আলমগীরকে আসামি করে চার্জশিট প্রদান করেন। ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশু ও তার মায়ের ভরণপোষণের দায়িত্ব জেলা প্রশাসনকে দেওয়া হয়।



