ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুদিনে ৪ বাংলাদেশির প্রাণহানি
ঝুঁকিতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা, আটক ৩১৭
আরব আমিরাতে ৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল, এখনও সমাধানের পথ খুঁজছে সরকার
বার্লিনে ১৫ ও ২১ আগস্ট স্মরণে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা: মিলাদ ও শোক সভায় শেখ হাসিনার ভাষণ
মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের বাধা সত্ত্বেও কানাডায় বঙ্গবন্ধু স্মরণে সাহিত্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল অংশগ্রহণে জার্মানিতে ১৫ই আগস্টের শোকসভা অনুষ্ঠিত
পর্তুগালে বিদেশি নাগরিককে অপহরণের অভিযোগে সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশি আটক
রোমে একই পরিবারের ৩ জনকে হত্যা, যাকে খুঁজছে ইতালি পুলিশ
ইতালির রোমে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার সন্দেহে শাহাদাত হোসেন নামে এক বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন ওই বাংলাদেশির নাম ছবিসহ পুলিশের ওয়েব সাইটে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) হৃদয়বিদারক ঘটনাটি রাজধানীর উত্তর-পশ্চিম মন্তিলিও এলাকায় ঘটে।
জানা গেছে, কামাল উদ্দিন, স্ত্রী আরজু, শিশুকন্যা আলিশিয়া তাদেরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের দেশের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে। পুলিশের তদন্তে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি কুড়াল উদ্ধার করাছে। আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। আসামিকে গ্রেফতার করতে বিশেষ অভিযান চলছে। এই ঘটনায় সন্দেহে তালিকায় ইতালি পুলিশ শাহাদাত হোসেন নামে এক বাংলাদেশিকে খুঁজে পেতে পুলিশের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশের কাছে কামাল উদ্দিনের কোনো খারাপ রেকর্ড না থাকায় পুলিশের অনুসন্ধান
আরও তীক্ষ্ণ করা হচ্ছে। নিহত কামাল উদ্দিন (৩৯) স্ত্রী আরজু (৩৮) ছোট শিশু আলিশিয়া (৫)। কামাল উদ্দিনের পরিবারের একমাত্র ছেলে ২০ বছর বয়সি ওনিয়ন প্রাণে বেচেঁ যায়। ঘটনার দিন দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হলে সে এখন আশংঙ্কা মুক্ত। তবে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। এই ঘটনায় ইতালিজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ায় ভয়ে আতংকে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ স্থানীয়রা। প্রকৃত খুনিকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য নমুনা সংগ্রহের কাজ পুলিশ অব্যাহত রেখেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়।
আরও তীক্ষ্ণ করা হচ্ছে। নিহত কামাল উদ্দিন (৩৯) স্ত্রী আরজু (৩৮) ছোট শিশু আলিশিয়া (৫)। কামাল উদ্দিনের পরিবারের একমাত্র ছেলে ২০ বছর বয়সি ওনিয়ন প্রাণে বেচেঁ যায়। ঘটনার দিন দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হলে সে এখন আশংঙ্কা মুক্ত। তবে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। এই ঘটনায় ইতালিজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হওয়ায় ভয়ে আতংকে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ স্থানীয়রা। প্রকৃত খুনিকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজসহ অন্যান্য নমুনা সংগ্রহের কাজ পুলিশ অব্যাহত রেখেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়।



