ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রতিবেদনের জবাবে ওবায়দুল কাদেরের জবাব- গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৬ দফা দাবী
বিটিভিতে খরচের বাম্পার ফলন; আয়ের ৩০ গুণ বেশি খরচ
১৮ হাজার পুলিশেও নিশ্চিত হতে পারছে না সরকার, এবার আওয়ামী লীগ ঠেকাতে সেনা মোতায়েন
৬ জেলায় সেনা মোতায়েন
সংস্কৃতি, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার এক এমওইউ, দুই দলিল বিনিময়
ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ
শত শত কোটি টাকায় ভাসতে থাকা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনে আজ তিনমাস ধরে বেতন বন্ধ
জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য আওয়ামী লীগের নতুন করে দেশ গড়ার প্রত্যয়
আগামী ২৩শে জুন। বাঙালি জাতির ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৪৯ সালের এই দিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দেখতে দেখতে দলটির গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সমাগত। আওয়ামী লীগের ইতিহাস আর বাংলাদেশের ইতিহাস—দুটি মূলত একই সুতোয় গাঁথা। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী দেশ গঠন থেকে শুরু করে আজকের আধুনিক বাংলাদেশ—প্রতিটি স্তরেই জড়িয়ে আছে এই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলটির নাম।
মুক্তির সংগ্রাম ও দেশ গঠনে অনন্য ভূমিকা:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, '৫৪'-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, '৬৬'-এর ছয় দফা, '৬৯'-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ—বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি বাঁকে নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পেয়েছে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ, নিজস্ব মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা। স্বাধীনতার পর শূন্য কোষাগার ও ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পুনর্গঠনে হাত দেন, তখনও প্রধান চালিকাশক্তি ছিল আওয়ামী লীগ। পরবর্তীতে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অন্ধকার পেরিয়ে আলোর মুখ দেখে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ অগণিত মেগা প্রজেক্টের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ মানেই এ দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন, আওয়ামী লীগ মানেই বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। ইতিহাস ও বর্তমান: নিষিদ্ধের চক্রান্ত বনাম জনগণের
প্রতিরো ইতিহাসের এক অদ্ভুত পুনরাবৃত্তি আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। স্বাধীনতার আগে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছিল, দমন করতে চেয়েছিল বাঙালির কণ্ঠস্বর। কিন্তু তার ফল কী হয়েছিল? এ দেশের বীর জনতা সেই নিষেধাজ্ঞা মানেনি; বরং বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং একটি স্বাধীন বাংলাদেশ ছিনিয়ে এনেছিল। আজ এত বছর পর, সেই পাকিস্তানিদেরই ভাবাদর্শের উত্তরসূরিরা দেশি-বিদেশি নানামুখী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা আবারও আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার জন্য, নিশ্চিহ্ন করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা ভুলে গেছে, আওয়ামী লীগ কোনো ড্রয়িংরুমের দল নয়; এটি এ দেশের মাটি ও মানুষের দল। "যে দল বাঙালির
অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে, তাকে নিষিদ্ধ করে রুখবে সাধ্য কার? যা তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকেরা পারেনি, তাদের আজকের উত্তরসূরিরাও তা পারবে না।" গণতন্ত্র উদ্ধার ও সমহিমায় প্রত্যাবর্তনের লড়াই: ইতিহাস সাক্ষী, পাকিস্তানি শোষকদের আইন এ দেশের মানুষ মেনে নেয়নি, আর আজ এই 'পাকি বীজদের' অন্যায় সিদ্ধান্তও কোটি কোটি জনতা প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে শুরু করে দেশের আপামর জনগণ আজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। আর এই লড়াইয়ের অগ্রভাগে অবিচল নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ বারবার প্রমাণ করেছে, তারা এ দেশে শোষণ করতে আসে না, তারা আসে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে, দেশের উন্নয়ন করতে।
আর উন্নয়ন করবেই না কেন? এ দেশের জন্মই যে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দলের হাত ধরে হয়েছে। মায়ের প্রতি সন্তানের যে টান, বাংলাদেশের প্রতি আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি ঠিক তেমনই অকৃত্রিম। উপসংহার: কোনো সাময়িক ঝড় বা ষড়যন্ত্র দিয়ে বাঙালির প্রাণের এই সংগঠনকে স্তব্ধ করা যাবে না। সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ও অন্ধকার ছিন্ন করে, ইনশাআল্লাহ, জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবার সমহিমায় ফিরে আসবে। আবারও এ দেশের হাল ধরবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে প্রগতির পথে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ আবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে—৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই হোক প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের দৃঢ় প্রত্যয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। লেখকঃ রাব্বি হাসান, শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পেয়েছে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ, নিজস্ব মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা। স্বাধীনতার পর শূন্য কোষাগার ও ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পুনর্গঠনে হাত দেন, তখনও প্রধান চালিকাশক্তি ছিল আওয়ামী লীগ। পরবর্তীতে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অন্ধকার পেরিয়ে আলোর মুখ দেখে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ অগণিত মেগা প্রজেক্টের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ মানেই এ দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন, আওয়ামী লীগ মানেই বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। ইতিহাস ও বর্তমান: নিষিদ্ধের চক্রান্ত বনাম জনগণের
প্রতিরো ইতিহাসের এক অদ্ভুত পুনরাবৃত্তি আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। স্বাধীনতার আগে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছিল, দমন করতে চেয়েছিল বাঙালির কণ্ঠস্বর। কিন্তু তার ফল কী হয়েছিল? এ দেশের বীর জনতা সেই নিষেধাজ্ঞা মানেনি; বরং বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে নিজেদের জীবনের পরোয়া না করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং একটি স্বাধীন বাংলাদেশ ছিনিয়ে এনেছিল। আজ এত বছর পর, সেই পাকিস্তানিদেরই ভাবাদর্শের উত্তরসূরিরা দেশি-বিদেশি নানামুখী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা আবারও আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার জন্য, নিশ্চিহ্ন করার জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা ভুলে গেছে, আওয়ামী লীগ কোনো ড্রয়িংরুমের দল নয়; এটি এ দেশের মাটি ও মানুষের দল। "যে দল বাঙালির
অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে, তাকে নিষিদ্ধ করে রুখবে সাধ্য কার? যা তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকেরা পারেনি, তাদের আজকের উত্তরসূরিরাও তা পারবে না।" গণতন্ত্র উদ্ধার ও সমহিমায় প্রত্যাবর্তনের লড়াই: ইতিহাস সাক্ষী, পাকিস্তানি শোষকদের আইন এ দেশের মানুষ মেনে নেয়নি, আর আজ এই 'পাকি বীজদের' অন্যায় সিদ্ধান্তও কোটি কোটি জনতা প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী থেকে শুরু করে দেশের আপামর জনগণ আজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। আর এই লড়াইয়ের অগ্রভাগে অবিচল নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ বারবার প্রমাণ করেছে, তারা এ দেশে শোষণ করতে আসে না, তারা আসে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে, দেশের উন্নয়ন করতে।
আর উন্নয়ন করবেই না কেন? এ দেশের জন্মই যে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই দলের হাত ধরে হয়েছে। মায়ের প্রতি সন্তানের যে টান, বাংলাদেশের প্রতি আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি ঠিক তেমনই অকৃত্রিম। উপসংহার: কোনো সাময়িক ঝড় বা ষড়যন্ত্র দিয়ে বাঙালির প্রাণের এই সংগঠনকে স্তব্ধ করা যাবে না। সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ও অন্ধকার ছিন্ন করে, ইনশাআল্লাহ, জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবার সমহিমায় ফিরে আসবে। আবারও এ দেশের হাল ধরবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে প্রগতির পথে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ আবারও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে—৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই হোক প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের দৃঢ় প্রত্যয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। লেখকঃ রাব্বি হাসান, শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।



