ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারীসহ গ্রেফতার ১৭
জনতার ক্ষোভের মুখে আ.লীগ নেতাকে নিতে পারল না পুলিশ
বরিশালে কিশোর গ্যাংয়ের সশস্ত্র শোডাউন
তুমুল সমালোচিত প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে নিয়ে সংবাদ করায় সাংবাদিকের মামলায় সম্পাদক কারাগারে
বরগুনায় ১৯ দিনে ২২ মরদেহ উদ্ধার
তীব্র সমালোচনার মুখে ‘কাকতালীয়ভাবে’ পরিবর্তিত ইউনিয়নের নাম পুনর্বহালের নির্দেশনা
ইউনিয়নের পর এবার স্কুলও! নাম পরিবর্তন কাণ্ডে মীর শাহে আলমকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি-জনতা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্তে ২০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি ও স্থানীয় জনতা।
শনিবার (২০ জুন) ভোর ৫টার দিকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৭৭/২ এস এলাকা দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
পুশইনের শিকার ২০ জন মধ্যে- ৫ জন পুরুষ, ১১ জন নারী ও ৪ জন শিশু ছিল। তাদের আর্ন্তজাতিক শূন্য রেখায় দীর্ঘসময় বসিয়ে রাখা হয়। স্থানীয় জনতা এবং বিজিবি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করলে বিএসএফ পুশইনের শিকার ২০ জনকে ভারতের ৬০ গজ অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
এ সময় সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বিজিবির সঙ্গে বাংলাদেশী স্থানীয় জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলে। একপর্যায়ে বিজিবি ও জনতা বাধা দিলে বিএসএফ'র সঙ্গে
বিজিবির তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এ সময় বিজিবি কঠোরভাবে তাদের ফেরত নিতে বললে পুশইন হওয়া ২০ জনকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএসএফ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। তবে সীমান্তে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, পুশইনের শিকার এসব মানুষকে গত ৬/৭ দিন থেকে ভারতের শুখদেবপুর সীমান্ত জড়ো করা হয়। ফলে নারী এবং শিশুরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে শনিবার ভোরে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করা হয়। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, উভয় দেশের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭৮/৩ এস পিলারের নিকটবর্তী সংলগ্ন সুখদেবপুর এলাকায় বিএসএফের মাধ্যমে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত
নেওয়ার মাধ্যমে উক্ত অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে প্রতিহত করা হয়েছে। তিনি জানান, বিজিবি সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইন মেনে নেওয়া হবে না।
বিজিবির তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এ সময় বিজিবি কঠোরভাবে তাদের ফেরত নিতে বললে পুশইন হওয়া ২০ জনকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএসএফ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। তবে সীমান্তে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, পুশইনের শিকার এসব মানুষকে গত ৬/৭ দিন থেকে ভারতের শুখদেবপুর সীমান্ত জড়ো করা হয়। ফলে নারী এবং শিশুরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে শনিবার ভোরে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করা হয়। মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, উভয় দেশের কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭৮/৩ এস পিলারের নিকটবর্তী সংলগ্ন সুখদেবপুর এলাকায় বিএসএফের মাধ্যমে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত
নেওয়ার মাধ্যমে উক্ত অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে প্রতিহত করা হয়েছে। তিনি জানান, বিজিবি সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের অবৈধ পুশইন মেনে নেওয়া হবে না।



