ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বরগুনায় ১৯ দিনে ২২ মরদেহ উদ্ধার
তীব্র সমালোচনার মুখে ‘কাকতালীয়ভাবে’ পরিবর্তিত ইউনিয়নের নাম পুনর্বহালের নির্দেশনা
ইউনিয়নের পর এবার স্কুলও! নাম পরিবর্তন কাণ্ডে মীর শাহে আলমকে ঘিরে নতুন বিতর্ক
এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক জুলাইযোদ্ধাকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ, করতেন মাদকবিরোধী সংগঠনও
সাভারে শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
ব্যবসায়ী থেকে চাঁদার টাকা আনতে যাওয়া বিএনপির ২ নেতাকে গণপিটুনি, মুচলেকায় মুক্তি
খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ
তুমুল সমালোচিত প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে নিয়ে সংবাদ করায় সাংবাদিকের মামলায় সম্পাদক কারাগারে
‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বগুড়া ডিবি পুলিশের একটি দল গত রাতে গাজীপুর উপজেলার গাছা উপজেলার বোর্ড বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ ১৯শে জুন, শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতাউর রহমান এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংবাদ করায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এবং দ্য নিউনেশন পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন গত ১৫ই জুন ওই পত্রিকার সম্পাদক-প্রকাশকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।
বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সদর থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিবেদক মো. শামস এবং বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসান। বাদী মামলার আরজিতে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন। গত ১২ই জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ
সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সাংবাদিক ছিলেন দাবি করে এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন রাস্তাকাণ্ডে বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এছাড়া ১৩ই জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফর উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার বাদী তানভীর আলম তার আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিরা কোনও ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করেছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদীর আবেদন ও প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মামলাটি
এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সদর থানা পুলিশ সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করে। পরবর্তীতে মামলাটি বগুড়া ডিবি পুলিশের এসআই রহমাতুল্লাহ মানিককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বগুড়ার ডিবির ওসি ইকবাল বাহার জানান, তদন্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে গাজীপুর জেলার গাছা উপজেলার বোর্ড বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে এজাহারনামীয় ২নং আসামি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুর উপজেলার বসুরা এলাকার জলিল মিয়ার ছেলে। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রহমাতুল্লাহ মানিক জানান, মামলার অপর আসামিদের
গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সদর থানায় মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিবেদক মো. শামস এবং বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসান। বাদী মামলার আরজিতে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করেছেন। গত ১২ই জুন বগুড়া প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ
সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সাংবাদিক ছিলেন দাবি করে এবার সাংবাদিকদের উপদেশ দিলেন রাস্তাকাণ্ডে বিতর্কিত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম’ শিরোনামে একটি পোস্ট প্রচার করা হয়। এছাড়া ১৩ই জুন প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সফর উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার বাদী তানভীর আলম তার আবেদনে উল্লেখ করেন, আসামিরা কোনও ধরনের নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব তথ্য প্রচার করেছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১, ৫০৪ ও ১০৯ ধারায় অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাদীর আবেদন ও প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত মামলাটি
এজাহার হিসেবে গ্রহণ করতে বগুড়া সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। সদর থানা পুলিশ সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করে। পরবর্তীতে মামলাটি বগুড়া ডিবি পুলিশের এসআই রহমাতুল্লাহ মানিককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বগুড়ার ডিবির ওসি ইকবাল বাহার জানান, তদন্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি দল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে গাজীপুর জেলার গাছা উপজেলার বোর্ড বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে এজাহারনামীয় ২নং আসামি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুর উপজেলার বসুরা এলাকার জলিল মিয়ার ছেলে। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রহমাতুল্লাহ মানিক জানান, মামলার অপর আসামিদের
গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



