ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধ, ব্যবসা গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দারাজ বাংলাদেশ
প্রবাসীদের বিক্ষোভের অতীত স্মৃতি স্মরণ করে লন্ডন সফর বাতিল করেন শফিকুল
বেনজীরের ‘ক্যাশিয়ার’ থেকে বিএনপির এমপি — জসিম উদ্দিনের বিস্ময়কর রাজনৈতিক পুনর্জন্ম
বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হওয়ার ১০ বছর পর জন্ম জামায়াত এমপির! সংসদে চাঞ্চল্যকর দাবি
জুলাই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের ঘোষণা ফেনীর পুলিশ সুপারের
বাজেটে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
বর্তমান সরকারের বাজেট প্রণয়নে তথ্য-উপাত্তের ক্ষেত্রে অমনোযোগ এবং ছলচাতুরীর আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো এবং নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি সতর্ক করেছেন, প্রবৃদ্ধির হিসাব বাড়িয়ে বলা কিংবা মূল্যস্ফীতির প্রকৃত চিত্র আড়াল করে বড় প্রকল্পের মাধ্যমে দৃষ্টি সরানোর যে প্রবণতা অতীতে দেখা গেছে, বর্তমান সরকারও যদি সেই একই পথে হাঁটে তবে সাধারণ মানুষের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।
আজ ১৫ই জুন, সোমবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ অসুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের জন্য কী আছে?’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সিপিডির
সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিডির রাশেদা কে চৌধুরী, তৌফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা। এ সময় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করলে উন্নয়ন সহযোগীদের আস্থা অর্জন এবং প্রকল্পের প্রকৃত মূল্যায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে। এছাড়া বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেবল ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাবের ওপর নির্ভর না করে সারা বছরের ধারাবাহিক চাহিদা ও সরবরাহের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের পুরনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা পরিকল্পনা বর্তমানের বাস্তব অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ড. দেবপ্রিয়। বাজেটকে কেবল একটি বার্ষিক দালিলিক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে এর
কার্যকর বাস্তবায়নে জনগণের পক্ষ থেকে নিরন্তর দাবি ও তদারকি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও বাজেট বাস্তবায়নে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন ড. দেবপ্রিয়। তার মতে, জ্বালানি তেলের মতো খাতে ভর্তুকি দেওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতার বিচার করা জরুরি। যার ব্যয়ভার বহনের ক্ষমতা আছে, তাকে ভর্তুকি না দিয়ে সেই অর্থ দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা উচিত। এ লক্ষ্যে ঢালাও ভর্তুকি ব্যবস্থার পরিবর্তে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের পদ্ধতিতে স্থানান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতির সময়ে চাল বিতরণ ও টিসিবির কার্যক্রম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন,
বাজেটে কেবল বরাদ্দের অঙ্ক নয়, বরং পুরো সমাজকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের উপযোগী করে গড়ে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নারী, তরুণ সমাজ এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের কর্মসংস্থান ও কর মওকুফের মতো বিষয়গুলো তাত্ত্বিক আলোচনার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের দাবি জানান তিনি।
সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিপিডির রাশেদা কে চৌধুরী, তৌফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা। এ সময় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করলে উন্নয়ন সহযোগীদের আস্থা অর্জন এবং প্রকল্পের প্রকৃত মূল্যায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে। এছাড়া বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কেবল ৩০ জুন পর্যন্ত হিসাবের ওপর নির্ভর না করে সারা বছরের ধারাবাহিক চাহিদা ও সরবরাহের দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। গত বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের পুরনো তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা পরিকল্পনা বর্তমানের বাস্তব অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ড. দেবপ্রিয়। বাজেটকে কেবল একটি বার্ষিক দালিলিক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে এর
কার্যকর বাস্তবায়নে জনগণের পক্ষ থেকে নিরন্তর দাবি ও তদারকি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও বাজেট বাস্তবায়নে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন ড. দেবপ্রিয়। তার মতে, জ্বালানি তেলের মতো খাতে ভর্তুকি দেওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতার বিচার করা জরুরি। যার ব্যয়ভার বহনের ক্ষমতা আছে, তাকে ভর্তুকি না দিয়ে সেই অর্থ দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা উচিত। এ লক্ষ্যে ঢালাও ভর্তুকি ব্যবস্থার পরিবর্তে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা প্রদানের পদ্ধতিতে স্থানান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতির সময়ে চাল বিতরণ ও টিসিবির কার্যক্রম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন,
বাজেটে কেবল বরাদ্দের অঙ্ক নয়, বরং পুরো সমাজকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের উপযোগী করে গড়ে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নারী, তরুণ সমাজ এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের কর্মসংস্থান ও কর মওকুফের মতো বিষয়গুলো তাত্ত্বিক আলোচনার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের দাবি জানান তিনি।



