ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধীপ্রার মৃত্যুর জন্য দায়ী ও হত্যা ধামাচাপা দেওয়া কুশীলবদের দেশ ছাড়ার চেষ্টা
কাজ না করেই ১২ কোটি টাকা তুলে নিল ঠিকাদার, জড়িত এলজিইডির দুই প্রকৌশলী
দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করলেন জামায়াতের গুপ্ত কর্মী তারেক
নানা অজুহাতে সাধারণ কৃষকদের ধান ফেরত, প্রভাবশালীদের নিম্নমানের ধান কিনছে সরকার
বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা
ফায়ার স্টেশনের ভেতরে বহিরাগত নারী এনে আপত্তিকর নাচ-গানের আসর স্টেশন অফিসারের
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেফতার
খুলনায় মসজিদে ঢুকে অস্ত্রধারীদের গুলি: আইএসআই-এর ফর্মুলায় পাকিস্তানের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ?
ফজরের নামাজ শেষে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর এলাকায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জামে মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—বাংলাদেশ কি পাকিস্তানের মতোই আইএসআই-সমর্থিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও টিটিপি-সদৃশ গোষ্ঠীর তৎপরতার পথে হাঁটছে?
রবিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মসজিদের ভেতর ঢুকে অস্ত্রধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। আহতরা হলেন লোকমান হাকিম (মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি) ও আলম মণ্ডল। লোকমানের মাথায় গুলি লাগে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক—তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আলমের মাথা, গলার বাঁ পাশ ও ডান হাতে গুলি লেগেছে, তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নামাজ শেষে একজন কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন, অন্যজন বের হচ্ছিলেন। এমন সময় কয়েকজন
অস্ত্রধারী মসজিদে ঢুকে গুলি চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনা নিছক স্থানীয় ‘দুর্বৃত্তপনা’ নয় বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। পাকিস্তানে আইএসআই-এর ছত্রছায়ায় বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠী (টিটিপি সহ) মসজিদ-মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় স্থানে হামলা চালিয়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে। বাংলাদেশেও গত কয়েক বছরে জঙ্গি তৎপরতার পুনরুত্থান, ধর্মীয় স্থানে হামলা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক নেটওয়ার্কের খবর উঠে এসেছে। খুলনার এ ঘটনায় মসজিদের ভেতর সরাসরি গুলি চালানোর ধরন পাকিস্তানি স্টাইলের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ
করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ইসলামী জঙ্গিবাদের ইতিহাস নতুন নয়। অতীতে জেএমবি, আনসারুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা ও আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে আসছেন। খুলনার এ হামলা যদি জঙ্গি বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হয়, তাহলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। পুলিশের তদন্তে হামলার প্রকৃত কারণ, অপরাধীদের পরিচয় ও সম্ভাব্য বহিরাগত যোগাযোগ বেরিয়ে আসুক—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা। একই সঙ্গে সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। বাংলাদেশ যাতে পাকিস্তানের মতো জঙ্গি অশান্তির চক্রে পড়ে না যায়,
সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি।
অস্ত্রধারী মসজিদে ঢুকে গুলি চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনা নিছক স্থানীয় ‘দুর্বৃত্তপনা’ নয় বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। পাকিস্তানে আইএসআই-এর ছত্রছায়ায় বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠী (টিটিপি সহ) মসজিদ-মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় স্থানে হামলা চালিয়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে। বাংলাদেশেও গত কয়েক বছরে জঙ্গি তৎপরতার পুনরুত্থান, ধর্মীয় স্থানে হামলা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক নেটওয়ার্কের খবর উঠে এসেছে। খুলনার এ ঘটনায় মসজিদের ভেতর সরাসরি গুলি চালানোর ধরন পাকিস্তানি স্টাইলের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ
করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ইসলামী জঙ্গিবাদের ইতিহাস নতুন নয়। অতীতে জেএমবি, আনসারুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা ও আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে আসছেন। খুলনার এ হামলা যদি জঙ্গি বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হয়, তাহলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। পুলিশের তদন্তে হামলার প্রকৃত কারণ, অপরাধীদের পরিচয় ও সম্ভাব্য বহিরাগত যোগাযোগ বেরিয়ে আসুক—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা। একই সঙ্গে সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। বাংলাদেশ যাতে পাকিস্তানের মতো জঙ্গি অশান্তির চক্রে পড়ে না যায়,
সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি।



