খুলনায় মসজিদে ঢুকে অস্ত্রধারীদের গুলি: আইএসআই-এর ফর্মুলায় পাকিস্তানের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ June, ২০২৬

খুলনায় মসজিদে ঢুকে অস্ত্রধারীদের গুলি: আইএসআই-এর ফর্মুলায় পাকিস্তানের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ June, ২০২৬ |
ফজরের নামাজ শেষে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর এলাকায় ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জামে মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—বাংলাদেশ কি পাকিস্তানের মতোই আইএসআই-সমর্থিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক ও টিটিপি-সদৃশ গোষ্ঠীর তৎপরতার পথে হাঁটছে? রবিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মসজিদের ভেতর ঢুকে অস্ত্রধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। আহতরা হলেন লোকমান হাকিম (মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি) ও আলম মণ্ডল। লোকমানের মাথায় গুলি লাগে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক—তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আলমের মাথা, গলার বাঁ পাশ ও ডান হাতে গুলি লেগেছে, তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নামাজ শেষে একজন কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন, অন্যজন বের হচ্ছিলেন। এমন সময় কয়েকজন

অস্ত্রধারী মসজিদে ঢুকে গুলি চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল ইসলাম ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আব্দুর রাজ্জাক জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনা নিছক স্থানীয় ‘দুর্বৃত্তপনা’ নয় বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। পাকিস্তানে আইএসআই-এর ছত্রছায়ায় বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠী (টিটিপি সহ) মসজিদ-মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় স্থানে হামলা চালিয়ে অস্থিরতা তৈরি করেছে। বাংলাদেশেও গত কয়েক বছরে জঙ্গি তৎপরতার পুনরুত্থান, ধর্মীয় স্থানে হামলা এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনক নেটওয়ার্কের খবর উঠে এসেছে। খুলনার এ ঘটনায় মসজিদের ভেতর সরাসরি গুলি চালানোর ধরন পাকিস্তানি স্টাইলের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ

করা হচ্ছে। বাংলাদেশে ইসলামী জঙ্গিবাদের ইতিহাস নতুন নয়। অতীতে জেএমবি, আনসারুল ইসলামসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা ও আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করে আসছেন। খুলনার এ হামলা যদি জঙ্গি বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ হয়, তাহলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। পুলিশের তদন্তে হামলার প্রকৃত কারণ, অপরাধীদের পরিচয় ও সম্ভাব্য বহিরাগত যোগাযোগ বেরিয়ে আসুক—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা। একই সঙ্গে সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। বাংলাদেশ যাতে পাকিস্তানের মতো জঙ্গি অশান্তির চক্রে পড়ে না যায়,

সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
স্থানীয় নির্বাচনে সমঝোতার আহ্বান মামুনুল হকের আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডে স্বতন্ত্র শপিং অ্যাপ আনল টিকটক বৃষ্টির সময় পড়ার দোয়া ও এর ফজিলত অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ বিক্রিতে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নিউগিনি প্রপার্টিজে ফের হামলা ও ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১৪ সুরের মূর্ছনায় মুখর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ইসলামাবাদে পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, রাত ১০টায় মঞ্চে জেমস ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য ফাঁসে রাশিয়ার দিকে সন্দেহের আঙুল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধান: শুভেন্দু অধিকারী নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ