বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী দাঙ্গায় ঘরবন্দি প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি, ঘরবাড়ি ভাঙচুর – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ June, ২০২৬

বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী দাঙ্গায় ঘরবন্দি প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি, ঘরবাড়ি ভাঙচুর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ June, ২০২৬ |
উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অভিবাসীবিরোধী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এই দাঙ্গায় শহরে বসবাসকারী প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ঘরবন্দি অবস্থায় দিন পার করছেন। একটি বাংলাদেশি পরিবারের বাসায় সরাসরি হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের পর পুলিশ এসে তাদের মাত্র এক মিনিটের মধ্যে বাসা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ই জুন। বেলফাস্টের স্থানীয় শ্বেতাঙ্গ বাসিন্দা স্টিফেন ওগিলভিকে ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেন সুদান থেকে আসা একজন অভিবাসী। হামলায় গুরুতর আহত ওগিলভি একটি চোখ হারিয়েছেন। পুলিশ ওই সুদানি নাগরিকের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বেলফাস্ট

জুড়ে দাঙ্গা শুরু হয়। প্রথমে রাস্তাঘাট, দোকান, গাড়ি ও বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাতের দিকে সহিংসতার লক্ষ্যবস্তু হয় অভিবাসীদের বাড়িঘর। প্রথম রাতেই ১৩টি বাড়ির বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা পুলিশ ও জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে। এই সহিংসতায় সরাসরি ক্ষতির শিকার হয়েছে একটি বাংলাদেশি পরিবার। রাত নয়টার দিকে ২৫ থেকে ৩০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের বাসায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। বাসার মালিক আব্দুল আলিম জানান, পুলিশ ডাকার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর এসে তাদের এক মিনিটের মধ্যে বাসা থেকে বের করে অন্য এলাকার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। দুই বেডরুমের সেই ফ্ল্যাটে এখন তিনটি পরিবারের আট সদস্য

গাদাগাদি করে আছেন। নিজেদের পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে আব্দুল আলিম বলেন, ‘ভয়াবহ অবস্থা চারদিকে। আমরা প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। মনে হচ্ছে আমাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে চারদিক থেকে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সহিংসতার পেছনে শুধু ছুরিকাঘাতের ঘটনাটিই দায়ী নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসন বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক অসন্তোষ এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উসকানিমূলক তথ্য মিলিয়ে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, একটি অপরাধের দায় কোনো নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠী বা অভিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো উচিত নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের