ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মালয়েশিয়ায় অবৈধ ব্যবসা ও ভিসা অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা
নভেম্বরে আসিয়ান ডিজিটাল অর্থনীতি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা
মালয়েশিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থায় সাময়িক বিঘ্ন, সাইবার হামলার অভিযোগ নাকচ
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন সিস্টেম বিকল, সীমান্তজুড়ে চরম ভোগান্তি
ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধনে মালয়েশিয়ায় ঈদ উদযাপিত
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে খবর দিলেন বাংলাদেশি
পর্তুগালে ট্রেনের ধাক্কায় এক বাংলাদেশি নিহত, আহত ৪
বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী দাঙ্গায় ঘরবন্দি প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি, ঘরবাড়ি ভাঙচুর
উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে একটি ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অভিবাসীবিরোধী সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। এই দাঙ্গায় শহরে বসবাসকারী প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ঘরবন্দি অবস্থায় দিন পার করছেন। একটি বাংলাদেশি পরিবারের বাসায় সরাসরি হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের পর পুলিশ এসে তাদের মাত্র এক মিনিটের মধ্যে বাসা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ই জুন। বেলফাস্টের স্থানীয় শ্বেতাঙ্গ বাসিন্দা স্টিফেন ওগিলভিকে ছুরি দিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেন সুদান থেকে আসা একজন অভিবাসী। হামলায় গুরুতর আহত ওগিলভি একটি চোখ হারিয়েছেন। পুলিশ ওই সুদানি নাগরিকের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনেছে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বেলফাস্ট
জুড়ে দাঙ্গা শুরু হয়। প্রথমে রাস্তাঘাট, দোকান, গাড়ি ও বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাতের দিকে সহিংসতার লক্ষ্যবস্তু হয় অভিবাসীদের বাড়িঘর। প্রথম রাতেই ১৩টি বাড়ির বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা পুলিশ ও জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে। এই সহিংসতায় সরাসরি ক্ষতির শিকার হয়েছে একটি বাংলাদেশি পরিবার। রাত নয়টার দিকে ২৫ থেকে ৩০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের বাসায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। বাসার মালিক আব্দুল আলিম জানান, পুলিশ ডাকার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর এসে তাদের এক মিনিটের মধ্যে বাসা থেকে বের করে অন্য এলাকার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। দুই বেডরুমের সেই ফ্ল্যাটে এখন তিনটি পরিবারের আট সদস্য
গাদাগাদি করে আছেন। নিজেদের পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে আব্দুল আলিম বলেন, ‘ভয়াবহ অবস্থা চারদিকে। আমরা প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। মনে হচ্ছে আমাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে চারদিক থেকে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সহিংসতার পেছনে শুধু ছুরিকাঘাতের ঘটনাটিই দায়ী নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসন বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক অসন্তোষ এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উসকানিমূলক তথ্য মিলিয়ে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, একটি অপরাধের দায় কোনো নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠী বা অভিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো উচিত নয়।
জুড়ে দাঙ্গা শুরু হয়। প্রথমে রাস্তাঘাট, দোকান, গাড়ি ও বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাতের দিকে সহিংসতার লক্ষ্যবস্তু হয় অভিবাসীদের বাড়িঘর। প্রথম রাতেই ১৩টি বাড়ির বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা পুলিশ ও জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে। এই সহিংসতায় সরাসরি ক্ষতির শিকার হয়েছে একটি বাংলাদেশি পরিবার। রাত নয়টার দিকে ২৫ থেকে ৩০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের বাসায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। বাসার মালিক আব্দুল আলিম জানান, পুলিশ ডাকার ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর এসে তাদের এক মিনিটের মধ্যে বাসা থেকে বের করে অন্য এলাকার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। দুই বেডরুমের সেই ফ্ল্যাটে এখন তিনটি পরিবারের আট সদস্য
গাদাগাদি করে আছেন। নিজেদের পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে আব্দুল আলিম বলেন, ‘ভয়াবহ অবস্থা চারদিকে। আমরা প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি। মনে হচ্ছে আমাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে চারদিক থেকে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সহিংসতার পেছনে শুধু ছুরিকাঘাতের ঘটনাটিই দায়ী নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভিবাসন বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক অসন্তোষ এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উসকানিমূলক তথ্য মিলিয়ে পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, একটি অপরাধের দায় কোনো নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠী বা অভিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো উচিত নয়।



