ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা
বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো
২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ
১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
বিনা খরচে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি
বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন
ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনা ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। এবারের আসরটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ, যেখানে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দেশ। ফলে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক ফুটবলার বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাচ্ছেন।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে দলগুলোর গড় বয়স, বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব এবং কোন লিগ থেকে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন—এসব তথ্যও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
কোন ক্লাবের কত ফুটবলার
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় পাঠানো ক্লাবগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা না জিতলেও ক্লাবটির ১৯ জন ফুটবলার ১২টি ভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্ব করে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ, যাদের ১৮ জন ফুটবলার বিশ্বকাপে খেলবেন।
এছাড়া আর্সেনালের ১৬ জন খেলোয়াড় ১০টি দেশের হয়ে মাঠে নামবেন। পিএসজি থেকে ১৫ জন এবং বার্সেলোনা থেকে ১৪ জন ফুটবলার বিভিন্ন দেশের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান থেকেও সাতজন খেলোয়াড় বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। তবে ইতালি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে না পারায় ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। ইপিএলে কারা এগিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০টি ক্লাবের মধ্যে প্রতিনিধিত্বের দিক থেকে চমক দেখিয়েছে ক্রিস্টাল প্যালেস। লিগে ১৫তম স্থানে মৌসুম শেষ করলেও ক্লাবটির ১২ জন ফুটবলার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। ক্রিস্টাল প্যালেসের চেয়ে বেশি খেলোয়াড় পাঠিয়েছে কেবল আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার সিটি এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অন্যদিকে চেলসি ও লিভারপুলের সমান ১১ জন ফুটবলার বিশ্বকাপে পাঠিয়েছে সান্ডারল্যান্ড, যা অনেকের জন্যই
বিস্ময়কর। সবচেয়ে কম প্রতিনিধিত্ব রয়েছে লিডস ইউনাইটেডের। তাদের মাত্র চারজন ফুটবলার বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। ইউরোপের পাঁচ লিগের হাল কী ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী পাঁচটি লিগ হিসেবে বিবেচনা করা হয় ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লিগ, স্পেনের লা লিগা, জার্মানির বুন্দেসলিগা, ইতালির সিরি আ এবং ফ্রান্সের লিগ ওয়ানকে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে একমাত্র স্পেনের সব খেলোয়াড়ই এই পাঁচটি শীর্ষ লিগের কোনো না কোনো ক্লাবে খেলেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ড দলে রয়েছেন সৌদি আরবের আল আহলির স্ট্রাইকার ইভান টনি। জার্মানি দলে জায়গা পেয়েছেন তুরস্কের গালাতাসারাইয়ে খেলা লেরয় সানে। ফ্রান্সের স্কোয়াডে আছেন সৌদি ক্লাব আল হিলালের থিও হার্নান্দেজ এবং তুরস্কের ফেনারবাচের এনগোলো কান্তে। সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের অধিকাংশ খেলোয়াড় ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতেই খেলেন।
ইউরোপের বাইরে আর্জেন্টিনা ও সেনেগালের বেশিরভাগ ফুটবলারও ইউরোপের প্রথম সারির ক্লাবগুলোতে খেলছেন। অন্যদিকে কুরাসাও, ইরান, ইরাক এবং কাতারের স্কোয়াডে এমন কোনো ফুটবলার নেই যারা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলেন। যদিও ইরাকের ফরোয়ার্ড আলি জাসিম ইতালির কোমো ক্লাবের খেলোয়াড়, তবে তিনি বেশিরভাগ সময় লোনে সৌদি আরবের আল-নাজমা ক্লাবে কাটিয়েছেন। ব্রাজিল দলেও এমন বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন, যারা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের বাইরে নিজেদের ক্লাব ফুটবল খেলেন। সবচেয়ে বেশি বয়স বিশ্বকাপে সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে পানামা। দলটির গড় বয়স ৩০ বছর ১৫৫ দিন। তাদের পরেই রয়েছে ইরান, যাদের গড় বয়স ৩০ বছর ১২১ দিন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলম্বিয়া, দলটির গড় বয়স ৩০ বছর ৩২ দিন। ব্রাজিলও
তুলনামূলকভাবে অভিজ্ঞ একটি দল নিয়ে খেলতে যাচ্ছে। কার্লো আনচেলোত্তির দলে নেইমার, দানিলো ও কাসেমিরোর মতো ৩৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ফুটবলাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ব্রাজিলের গড় বয়স ২৯ বছর ৭৪ দিন। সবচেয়ে বেশি বয়সি ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়সী খেলোয়াড় হচ্ছেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন। বিশ্বকাপ শুরুর সময় তার বয়স হবে ৪৩ বছর ১৬২ দিন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন পর্তুগালের কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। টুর্নামেন্ট শুরুর সময় তার বয়স হবে ৪১ বছর ১২৬ দিন। এছাড়া মেক্সিকোর অভিজ্ঞ গোলরক্ষক গিলেরমো ওচোয়ার বয়স হবে ৪০ বছর ৩৩৩ দিন এবং ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচের বয়স হবে ৪০ বছর ২৭৫ দিন। সবচেয়ে কম বয়সি দল তারুণ্যে ভরপুর দল নিয়ে বিশ্বকাপে নামছে
আইভরি কোস্ট। দলটির গড় বয়স মাত্র ২৫ বছর ৩১০ দিন, যা এবারের আসরের মধ্যে সর্বনিম্ন। দলের দুই তরুণ তারকা ইয়ান দিয়োমান্দে এবং বাজুমানা তুরেকে ঘিরে রয়েছে বড় প্রত্যাশা। তাদের বয়স যথাক্রমে ১৯ ও ২০ বছর। তালিকায় পরের অবস্থানে রয়েছে মরক্কো, যাদের গড় বয়স ২৬ বছর ১৪৪ দিন। স্পেনের গড় বয়স ২৬ বছর ২৭৩ দিন। এ ছাড়া বসনিয়া ২৬ বছর ১৫৪ দিনের গড় বয়স নিয়ে অন্যতম তরুণ দল হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। সবচেয়ে কম বয়সি ফুটবলার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়সী খেলোয়াড় যেমন মেক্সিকোর দলে রয়েছেন, তেমনি সবচেয়ে কম বয়সি খেলোয়াড়ও এসেছেন সেই দেশ থেকেই। মেক্সিকোর তরুণ প্রতিভা গিলবার্তো মোরা মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে বিশ্বকাপে অংশ নিতে
যাচ্ছেন। তার পাশাপাশি চেকিয়ার হুগো সোচুরেক, জার্মানির লেনার্ট কার্ল এবং সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়েও তরুণ প্রতিভা হিসেবে নজর কাড়ছেন। এই তিন ফুটবলারের বয়সও মাত্র ১৮ বছরের সামান্য বেশি। বিশ্বকাপের মাঠে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের এই মিশ্রণই এবারের আসরকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। কোথাও অভিজ্ঞদের নেতৃত্ব, কোথাও আবার তরুণদের সাহসী ফুটবল—সব মিলিয়ে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় সমর্থকরা।
এছাড়া আর্সেনালের ১৬ জন খেলোয়াড় ১০টি দেশের হয়ে মাঠে নামবেন। পিএসজি থেকে ১৫ জন এবং বার্সেলোনা থেকে ১৪ জন ফুটবলার বিভিন্ন দেশের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিলান থেকেও সাতজন খেলোয়াড় বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। তবে ইতালি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে না পারায় ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। ইপিএলে কারা এগিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০টি ক্লাবের মধ্যে প্রতিনিধিত্বের দিক থেকে চমক দেখিয়েছে ক্রিস্টাল প্যালেস। লিগে ১৫তম স্থানে মৌসুম শেষ করলেও ক্লাবটির ১২ জন ফুটবলার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছেন। ক্রিস্টাল প্যালেসের চেয়ে বেশি খেলোয়াড় পাঠিয়েছে কেবল আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার সিটি এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অন্যদিকে চেলসি ও লিভারপুলের সমান ১১ জন ফুটবলার বিশ্বকাপে পাঠিয়েছে সান্ডারল্যান্ড, যা অনেকের জন্যই
বিস্ময়কর। সবচেয়ে কম প্রতিনিধিত্ব রয়েছে লিডস ইউনাইটেডের। তাদের মাত্র চারজন ফুটবলার বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন। ইউরোপের পাঁচ লিগের হাল কী ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী পাঁচটি লিগ হিসেবে বিবেচনা করা হয় ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লিগ, স্পেনের লা লিগা, জার্মানির বুন্দেসলিগা, ইতালির সিরি আ এবং ফ্রান্সের লিগ ওয়ানকে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে একমাত্র স্পেনের সব খেলোয়াড়ই এই পাঁচটি শীর্ষ লিগের কোনো না কোনো ক্লাবে খেলেন। অন্যদিকে ইংল্যান্ড দলে রয়েছেন সৌদি আরবের আল আহলির স্ট্রাইকার ইভান টনি। জার্মানি দলে জায়গা পেয়েছেন তুরস্কের গালাতাসারাইয়ে খেলা লেরয় সানে। ফ্রান্সের স্কোয়াডে আছেন সৌদি ক্লাব আল হিলালের থিও হার্নান্দেজ এবং তুরস্কের ফেনারবাচের এনগোলো কান্তে। সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের অধিকাংশ খেলোয়াড় ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতেই খেলেন।
ইউরোপের বাইরে আর্জেন্টিনা ও সেনেগালের বেশিরভাগ ফুটবলারও ইউরোপের প্রথম সারির ক্লাবগুলোতে খেলছেন। অন্যদিকে কুরাসাও, ইরান, ইরাক এবং কাতারের স্কোয়াডে এমন কোনো ফুটবলার নেই যারা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলেন। যদিও ইরাকের ফরোয়ার্ড আলি জাসিম ইতালির কোমো ক্লাবের খেলোয়াড়, তবে তিনি বেশিরভাগ সময় লোনে সৌদি আরবের আল-নাজমা ক্লাবে কাটিয়েছেন। ব্রাজিল দলেও এমন বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছেন, যারা ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের বাইরে নিজেদের ক্লাব ফুটবল খেলেন। সবচেয়ে বেশি বয়স বিশ্বকাপে সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে পানামা। দলটির গড় বয়স ৩০ বছর ১৫৫ দিন। তাদের পরেই রয়েছে ইরান, যাদের গড় বয়স ৩০ বছর ১২১ দিন। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলম্বিয়া, দলটির গড় বয়স ৩০ বছর ৩২ দিন। ব্রাজিলও
তুলনামূলকভাবে অভিজ্ঞ একটি দল নিয়ে খেলতে যাচ্ছে। কার্লো আনচেলোত্তির দলে নেইমার, দানিলো ও কাসেমিরোর মতো ৩৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ফুটবলাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। ব্রাজিলের গড় বয়স ২৯ বছর ৭৪ দিন। সবচেয়ে বেশি বয়সি ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়সী খেলোয়াড় হচ্ছেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন। বিশ্বকাপ শুরুর সময় তার বয়স হবে ৪৩ বছর ১৬২ দিন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন পর্তুগালের কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। টুর্নামেন্ট শুরুর সময় তার বয়স হবে ৪১ বছর ১২৬ দিন। এছাড়া মেক্সিকোর অভিজ্ঞ গোলরক্ষক গিলেরমো ওচোয়ার বয়স হবে ৪০ বছর ৩৩৩ দিন এবং ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচের বয়স হবে ৪০ বছর ২৭৫ দিন। সবচেয়ে কম বয়সি দল তারুণ্যে ভরপুর দল নিয়ে বিশ্বকাপে নামছে
আইভরি কোস্ট। দলটির গড় বয়স মাত্র ২৫ বছর ৩১০ দিন, যা এবারের আসরের মধ্যে সর্বনিম্ন। দলের দুই তরুণ তারকা ইয়ান দিয়োমান্দে এবং বাজুমানা তুরেকে ঘিরে রয়েছে বড় প্রত্যাশা। তাদের বয়স যথাক্রমে ১৯ ও ২০ বছর। তালিকায় পরের অবস্থানে রয়েছে মরক্কো, যাদের গড় বয়স ২৬ বছর ১৪৪ দিন। স্পেনের গড় বয়স ২৬ বছর ২৭৩ দিন। এ ছাড়া বসনিয়া ২৬ বছর ১৫৪ দিনের গড় বয়স নিয়ে অন্যতম তরুণ দল হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। সবচেয়ে কম বয়সি ফুটবলার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বয়সী খেলোয়াড় যেমন মেক্সিকোর দলে রয়েছেন, তেমনি সবচেয়ে কম বয়সি খেলোয়াড়ও এসেছেন সেই দেশ থেকেই। মেক্সিকোর তরুণ প্রতিভা গিলবার্তো মোরা মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে বিশ্বকাপে অংশ নিতে
যাচ্ছেন। তার পাশাপাশি চেকিয়ার হুগো সোচুরেক, জার্মানির লেনার্ট কার্ল এবং সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়েও তরুণ প্রতিভা হিসেবে নজর কাড়ছেন। এই তিন ফুটবলারের বয়সও মাত্র ১৮ বছরের সামান্য বেশি। বিশ্বকাপের মাঠে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের এই মিশ্রণই এবারের আসরকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। কোথাও অভিজ্ঞদের নেতৃত্ব, কোথাও আবার তরুণদের সাহসী ফুটবল—সব মিলিয়ে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় সমর্থকরা।



