ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা
বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো
বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন
২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ
১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
সান মারিনোর বিপক্ষে ফলাফলে ডুলী খুশি, তবে আরও উন্নতির সুযোগ দেখছেন
শুক্রবার সান মারিনোর বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের ঐতিহাসিক জয়টি কেবল ইউরোপের কোনো দলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম জয়ই এনে দেয়নি, বরং এই জার্মান-আমেরিকান কোচ জাতীয় দলে যে ধরনের ফুটবল খেলাতে চান, তার একটা আশাবাজক ঝলকও দেখিয়েছে।
তবে এই ফলাফল যেমন উদযাপনের অনেক সুযোগ তৈরি করেছে এবং থমাস ডুলীকে তৃপ্ত করেছে, তেমনি কোচ এটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, দলের খেলায় বেশ কিছু খামতি বা দুর্বলতাও ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশকে যদি সামনে এগিয়ে যেতে হয়, তবে অবশ্যই এই জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে।
ম্যাচ শেষে ডুলী বলেন, ‘ম্যাচের ফলাফলে আমি অবশ্যই ভীষণ খুশি।’
‘গত এক সপ্তাহে আমরা গত কয়েক বছরে সান মারিনোর খেলা ম্যাচগুলো খুব ভালোভাবে বিশ্লেষণ
করেছি। দুই দিন আগের সংবাদ সম্মেলনেও আমি বলেছিলাম, ইউরোপে খেলার কারণে ওরা নিয়মিত জার্মানি বা ইতালির মতো অবিশ্বাস্য রকমের শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হয়। তাই কেবল ফলাফল দিয়ে ওদের আসল মান বোঝা যায় না।’ বাংলাদেশ দল সান মারিনোয় যাওয়ার সময়ই জানত যে ওদের খেলোয়াড়রা শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী এবং ইউরোপের বড় বড় দেশের সঙ্গে খেলে অভ্যস্ত। ডুলীর মতে, এই কারণে প্রস্তুতি নেওয়াটা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি যে বিশ্বে ২২, ৪২, ৩৭, ৭৬ এবং ১২০ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দলগুলোর বিরুদ্ধে ওদের পারফরম্যান্স ও ফলাফল বেশ ভালো ছিল। তাই এই ম্যাচটা নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম।’ ‘স্বাভাবিকভাবেই আমরা ওদের বেশ কয়েকটি ম্যাচ দেখেছি এবং
বুঝতে পেরেছি যে ওরা শারীরিকভাবে খুব শক্তিশালী দল। বাতাসে ওরা ভালো খেলে এবং ওদের গায়ের জোরও দারুণ।’ ‘এশিয়ার দল হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই এই জায়গায় আমরা কিছুটা পিছিয়ে থাকি, তবে আমাদের গতি ওদের চেয়ে একটু ভালো। আমরা মূলত পাসিং ফুটবল খেলা, মাঠের ফাঁকা জায়গাগুলো কাজে লাগানো এবং সুযোগ পেলেই সেটাকে গোলে রূপান্তর করার ওপর ভরসা করছিলাম।’ পুরো ম্যাচ জুড়েই বাংলাদেশের এই কৌশল পরিষ্কার দেখা গেছে। রক্ষণাত্মকভাবে কেবল নিজেদের বক্সের সামনে দল বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে, সফরকারী বাংলাদেশ দল দ্রুত বল পাস করে সুযোগ বুঝে ফাঁকা জায়গায় আক্রমণ করার চেষ্টা করেছে। শেষ পর্যন্ত তপু বর্মণের জোড়া গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যাচের
দুই অর্ধে একটি করে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। তবে ডুলী মনে করেন, বাংলাদেশ যদি বল পায়ে রাখার ক্ষেত্রে এবং গোলের সামনে আরেকটু নিখুঁত হতো, তাহলে জয়ের ব্যবধান আরও বড় ও আরামদায়ক হতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান দুর্বলতা হলো, একটা মাত্র গোল করার জন্যও আমাদের এখনও অনেক বেশি সুযোগের দরকার হয়।’ কোচ কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার কথা তুলে ধরেন, যা বারবার বাংলাদেশের আক্রমণের গতি নষ্ট করেছে; বিশেষ করে রক্ষণভাগ থেকে যখন আক্রমণ তৈরি করে ওপরে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ‘কখনও কখনও আমাদের ফার্স্ট টাচ (বল প্রথম ছোঁয়া) ঠিক হয় না। এই কারণেই আমি দলের সঙ্গে একদম মৌলিক এবং প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছি
— যেমন নিখুঁতভাবে পাস দেওয়া এবং বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়া।’ ‘রক্ষণভাগ থেকে বল ওপরে নেওয়ার সময় আমরা কিছু সহজ বল হারিয়েছি, যা ফুটবল মাঠে মোটেও মেনে নেওয়া যায় না। আমি একদম শুরু থেকেই খেলোয়াড়দের এই ব্যাপারে সতর্ক করেছিলাম।’ ডুলী অবশ্য জোর দিয়ে বলেছেন যে, তিনি যে সমস্যাগুলো দেখছেন তা খুব বড় বা স্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। বারবার অনুশীলন এবং মানসিকতা বদলালেই এগুলো ঠিক করা সম্ভব। তিনি বলেন, ‘এগুলো খুব সহজেই শুধরে নেওয়া যায়।’ ‘এই বিষয়টা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। আমাদের আগে মানসিকতা বদলাতে হবে, তারপর অনুশীলনের ধরন বদলাতে হবে এবং সবশেষে আমাদের খেলার ধরনও বদলে ফেলতে হবে। আর এটা পুরোপুরি সম্ভব।’
করেছি। দুই দিন আগের সংবাদ সম্মেলনেও আমি বলেছিলাম, ইউরোপে খেলার কারণে ওরা নিয়মিত জার্মানি বা ইতালির মতো অবিশ্বাস্য রকমের শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হয়। তাই কেবল ফলাফল দিয়ে ওদের আসল মান বোঝা যায় না।’ বাংলাদেশ দল সান মারিনোয় যাওয়ার সময়ই জানত যে ওদের খেলোয়াড়রা শারীরিকভাবে বেশ শক্তিশালী এবং ইউরোপের বড় বড় দেশের সঙ্গে খেলে অভ্যস্ত। ডুলীর মতে, এই কারণে প্রস্তুতি নেওয়াটা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি যে বিশ্বে ২২, ৪২, ৩৭, ৭৬ এবং ১২০ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দলগুলোর বিরুদ্ধে ওদের পারফরম্যান্স ও ফলাফল বেশ ভালো ছিল। তাই এই ম্যাচটা নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত ছিলাম।’ ‘স্বাভাবিকভাবেই আমরা ওদের বেশ কয়েকটি ম্যাচ দেখেছি এবং
বুঝতে পেরেছি যে ওরা শারীরিকভাবে খুব শক্তিশালী দল। বাতাসে ওরা ভালো খেলে এবং ওদের গায়ের জোরও দারুণ।’ ‘এশিয়ার দল হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই এই জায়গায় আমরা কিছুটা পিছিয়ে থাকি, তবে আমাদের গতি ওদের চেয়ে একটু ভালো। আমরা মূলত পাসিং ফুটবল খেলা, মাঠের ফাঁকা জায়গাগুলো কাজে লাগানো এবং সুযোগ পেলেই সেটাকে গোলে রূপান্তর করার ওপর ভরসা করছিলাম।’ পুরো ম্যাচ জুড়েই বাংলাদেশের এই কৌশল পরিষ্কার দেখা গেছে। রক্ষণাত্মকভাবে কেবল নিজেদের বক্সের সামনে দল বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে, সফরকারী বাংলাদেশ দল দ্রুত বল পাস করে সুযোগ বুঝে ফাঁকা জায়গায় আক্রমণ করার চেষ্টা করেছে। শেষ পর্যন্ত তপু বর্মণের জোড়া গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ম্যাচের
দুই অর্ধে একটি করে গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। তবে ডুলী মনে করেন, বাংলাদেশ যদি বল পায়ে রাখার ক্ষেত্রে এবং গোলের সামনে আরেকটু নিখুঁত হতো, তাহলে জয়ের ব্যবধান আরও বড় ও আরামদায়ক হতে পারত। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান দুর্বলতা হলো, একটা মাত্র গোল করার জন্যও আমাদের এখনও অনেক বেশি সুযোগের দরকার হয়।’ কোচ কিছু টেকনিক্যাল সমস্যার কথা তুলে ধরেন, যা বারবার বাংলাদেশের আক্রমণের গতি নষ্ট করেছে; বিশেষ করে রক্ষণভাগ থেকে যখন আক্রমণ তৈরি করে ওপরে ওঠার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ‘কখনও কখনও আমাদের ফার্স্ট টাচ (বল প্রথম ছোঁয়া) ঠিক হয় না। এই কারণেই আমি দলের সঙ্গে একদম মৌলিক এবং প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছি
— যেমন নিখুঁতভাবে পাস দেওয়া এবং বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়া।’ ‘রক্ষণভাগ থেকে বল ওপরে নেওয়ার সময় আমরা কিছু সহজ বল হারিয়েছি, যা ফুটবল মাঠে মোটেও মেনে নেওয়া যায় না। আমি একদম শুরু থেকেই খেলোয়াড়দের এই ব্যাপারে সতর্ক করেছিলাম।’ ডুলী অবশ্য জোর দিয়ে বলেছেন যে, তিনি যে সমস্যাগুলো দেখছেন তা খুব বড় বা স্থায়ী কোনো সমস্যা নয়। বারবার অনুশীলন এবং মানসিকতা বদলালেই এগুলো ঠিক করা সম্ভব। তিনি বলেন, ‘এগুলো খুব সহজেই শুধরে নেওয়া যায়।’ ‘এই বিষয়টা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। আমাদের আগে মানসিকতা বদলাতে হবে, তারপর অনুশীলনের ধরন বদলাতে হবে এবং সবশেষে আমাদের খেলার ধরনও বদলে ফেলতে হবে। আর এটা পুরোপুরি সম্ভব।’



