ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা
বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো
বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন
২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ
১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
আমেরিকার বিশ্বকাপে ‘ভয়ের পরিবেশ’, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর
আমেরিকায় বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। কিন্তু এর আগেই টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা ও পরিবেশ নিয়ে দেখা দিয়েছে বড় বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে এবার বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া সাংবাদিক এবং খেলা দেখতে আসা সাধারণ সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।
সংস্থাগুলোর অভিযোগ, আমেরিকার এই কড়া অবস্থানের মুখে ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা ফিফা এক ধরনের ‘বিপজ্জনক ভয়ের পরিবেশ’ তৈরি হতে দিচ্ছে।
‘স্পোর্ট অ্যান্ড রাইটস অ্যালায়েন্স’ নামের একটি মানবাধিকার জোট জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পর্দা উঠছে ৪৮ দলের এই বিশাল ক্রীড়াযজ্ঞের। কিন্তু ভিসা জটিলতা, কড়া সীমান্ত পাহারা ও পুলিশের বাড়তি তৎপরতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে
ফিফা এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আন্দ্রেয়া ফ্লোরেন্স তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফিফার এই দুর্বল ভূমিকার কারণে টুর্নামেন্টজুড়ে এক ধরনের ভয়, অনিশ্চয়তা আর নিপীড়নের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানবাধিকার বিরোধী বক্তব্য, অভিবাসীদের ওপর আগ্রাসী নীতি আর গণ-বহিষ্কারের অভিযান ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল উৎসবের ওপর একটা কালো মায়া তৈরি করেছে।’ এই বিষয়ে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আমেরিকার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল বলেন, ‘মানবজাতির ইতিহাসে এটি অন্যতম সেরা একটি আয়োজন হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ও ফিফা মিলে দর্শকদের জন্য
ইতিহাসের সবচেয়ে নিরাপদ বিশ্বকাপ উপহার দিতে কাজ করছে। কতিপয় বামপন্থী সংবাদমাধ্যম আর উদারপন্থী সংস্থাগুলো অযথা ভয় দেখানোর যে চেষ্টা করছে, তাতে কোনো লাভ হবে না।’ কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথভাবে এই বিশ্বকাপ আয়োজন করছে আমেরিকা। ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো সবাইকে স্বাগত জানানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, মাঠের চিত্র ভিন্ন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আমেরিকার অভিবাসন বিভাগ ‘আইসিই’ (ICE)-এর অভিযানের আশঙ্কায় আছেন বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয়দের অনেকেই। এর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফিফা প্রধানের অতিরিক্ত দহরম-মহরম নিয়েও সমালোচনা কম হচ্ছে না। এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দলগুলোর প্রস্তুতিতেও। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের ওপর আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর, ইরান দল তাদের ক্যাম্প
অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে। মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রেয়া ফ্লোরেন্সের মতে, ফিফা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উৎসবের কথা বললেও, খেলা শুরুর মাত্র সাত দিন আগে মাঠপর্যায়ের কর্মী, সাংবাদিক আর দর্শকদের জন্য বাস্তব পরিস্থিতিটা আসলে খুবই থমথমে। অবশ্য লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির শেরিফ রবার্ট লুনা কিছুটা আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, লস অ্যাঞ্জেলেসের ম্যাচ বা অনুষ্ঠানগুলোতে অভিবাসন সংক্রান্ত কোনো পুলিশি অভিযান চালানো হবে না। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের পরিবেশ কেমন থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
ফিফা এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আন্দ্রেয়া ফ্লোরেন্স তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ফিফার এই দুর্বল ভূমিকার কারণে টুর্নামেন্টজুড়ে এক ধরনের ভয়, অনিশ্চয়তা আর নিপীড়নের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানবাধিকার বিরোধী বক্তব্য, অভিবাসীদের ওপর আগ্রাসী নীতি আর গণ-বহিষ্কারের অভিযান ইতিমধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল উৎসবের ওপর একটা কালো মায়া তৈরি করেছে।’ এই বিষয়ে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে আমেরিকার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গল বলেন, ‘মানবজাতির ইতিহাসে এটি অন্যতম সেরা একটি আয়োজন হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ও ফিফা মিলে দর্শকদের জন্য
ইতিহাসের সবচেয়ে নিরাপদ বিশ্বকাপ উপহার দিতে কাজ করছে। কতিপয় বামপন্থী সংবাদমাধ্যম আর উদারপন্থী সংস্থাগুলো অযথা ভয় দেখানোর যে চেষ্টা করছে, তাতে কোনো লাভ হবে না।’ কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথভাবে এই বিশ্বকাপ আয়োজন করছে আমেরিকা। ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো সবাইকে স্বাগত জানানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, মাঠের চিত্র ভিন্ন বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আমেরিকার অভিবাসন বিভাগ ‘আইসিই’ (ICE)-এর অভিযানের আশঙ্কায় আছেন বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয়দের অনেকেই। এর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফিফা প্রধানের অতিরিক্ত দহরম-মহরম নিয়েও সমালোচনা কম হচ্ছে না। এদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দলগুলোর প্রস্তুতিতেও। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের ওপর আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর, ইরান দল তাদের ক্যাম্প
অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছে। মানবাধিকার কর্মী আন্দ্রেয়া ফ্লোরেন্সের মতে, ফিফা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উৎসবের কথা বললেও, খেলা শুরুর মাত্র সাত দিন আগে মাঠপর্যায়ের কর্মী, সাংবাদিক আর দর্শকদের জন্য বাস্তব পরিস্থিতিটা আসলে খুবই থমথমে। অবশ্য লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির শেরিফ রবার্ট লুনা কিছুটা আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, লস অ্যাঞ্জেলেসের ম্যাচ বা অনুষ্ঠানগুলোতে অভিবাসন সংক্রান্ত কোনো পুলিশি অভিযান চালানো হবে না। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের পরিবেশ কেমন থাকে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।



