ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে ৬০ কোটি টাকার জাহাজ: নজিরবিহীন সংকটে জাহাজ ভাঙা শিল্প
ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার সরাসরি ধাক্কা এসে লেগেছে বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙা (শিপব্রেকিং) শিল্পে। ভাঙার জন্য আমদানি করা প্রায় ৬০ কোটি টাকা মূল্যের ‘মেমেই’ নামের একটি বিশাল কেমিক্যাল ট্যাংকার জাহাজের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা জারি করায় তৈরি হয়েছে এক নজিরবিহীন ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। মার্কিন এই মারপ্যাঁচে জাহাজটি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে (আউটার অ্যাঙ্করেজ) আটকে আছে। উদ্ভূত আইনি ও আন্তর্জাতিক জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এসএন কর্পোরেশন।’
পৌঁছানোর ৬ দিন পরই মার্কিন ব্ল্যাকলিস্ট!
আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও জাহাজ ট্র্যাকিং ডেটা থেকে জানা যায়, ৪৪ হাজার ৮০০ টন ধারণক্ষমতার এই কেমিক্যাল ট্যাংকারটি নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঠিক
আগ মুহূর্তে স্ক্র্যাপ (ভাঙার জন্য) হিসেবে বিক্রি করা হয়েছিল। গত ২২ মে (২০২৬) জাহাজটি চট্টগ্রামের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। কিন্তু এর মাত্র ছয় দিন পর, গত ২৮ মে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ (ওএফএসি) জাহাজটিকে কালো তালিকাভুক্ত করে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই ‘মেমেই’ জাহাজটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে জড়িত ছিল। এই অপরাধে কেবল জাহাজটিই নয়, এর হংকং-ভিত্তিক মালিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান ‘এভার শাইনিং লিমিটেড’ এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত ‘ফ্লোরা’ নামের আরও একটি জাহাজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। বিপাকে ৬০ কোটির জাহাজ, দেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা জাহাজ রিসাইক্লিং বাজারের প্রতিবেদন
অনুযায়ী, মেমেই জাহাজটি ভাঙার আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ৪৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। নৌপরিবহন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘ট্রেড উইন্ডস’ ও স্থানীয় শিপিং এজেন্টরা বলছেন, আমদানির পর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে স্ক্র্যাপ জাহাজ ইয়ার্ডে বা সৈকতে তুলতে না পারার এমন ঘটনা বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে অত্যন্ত বিরল এবং নজিরবিহীন। এর ফলে একদিকে যেমন দেশীয় আমদানিকারক বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়েছেন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। যা বলছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে জাহাজটি ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। এস এন কর্পোরেশনের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন
ম্যানেজার) ওমর ফারুক সংবাদমাধ্যমকে জানান: ”আন্তর্জাতিক ও আইনি জটিলতার কারণে জাহাজটিকে বর্তমানে সৈকতে ভেড়ানো যাচ্ছে না। এটি সমুদ্রে নোঙর করা অবস্থায় রয়েছে। আমরা এখনো ফান্ড দেইনি। পরিস্থিতি বিবেচনায় জাহাজটি ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।” বিশ্ব রাজনীতির মেরুকরণ ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার এই খড়্গ বাংলাদেশের ভারী শিল্প খাতে কেমন প্রভাব ফেলে, এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আগামী দিনে আমদানিকারকরা কতটা সতর্ক অবস্থান নেন—এখন সেটিই দেখার বিষয়।
আগ মুহূর্তে স্ক্র্যাপ (ভাঙার জন্য) হিসেবে বিক্রি করা হয়েছিল। গত ২২ মে (২০২৬) জাহাজটি চট্টগ্রামের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। কিন্তু এর মাত্র ছয় দিন পর, গত ২৮ মে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ‘অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ (ওএফএসি) জাহাজটিকে কালো তালিকাভুক্ত করে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এই ‘মেমেই’ জাহাজটি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য পরিবহনে জড়িত ছিল। এই অপরাধে কেবল জাহাজটিই নয়, এর হংকং-ভিত্তিক মালিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান ‘এভার শাইনিং লিমিটেড’ এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত ‘ফ্লোরা’ নামের আরও একটি জাহাজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। বিপাকে ৬০ কোটির জাহাজ, দেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা জাহাজ রিসাইক্লিং বাজারের প্রতিবেদন
অনুযায়ী, মেমেই জাহাজটি ভাঙার আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ৪৯ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। নৌপরিবহন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘ট্রেড উইন্ডস’ ও স্থানীয় শিপিং এজেন্টরা বলছেন, আমদানির পর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে স্ক্র্যাপ জাহাজ ইয়ার্ডে বা সৈকতে তুলতে না পারার এমন ঘটনা বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে অত্যন্ত বিরল এবং নজিরবিহীন। এর ফলে একদিকে যেমন দেশীয় আমদানিকারক বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়েছেন, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। যা বলছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে জাহাজটি ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। এস এন কর্পোরেশনের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক (অ্যাডমিন
ম্যানেজার) ওমর ফারুক সংবাদমাধ্যমকে জানান: ”আন্তর্জাতিক ও আইনি জটিলতার কারণে জাহাজটিকে বর্তমানে সৈকতে ভেড়ানো যাচ্ছে না। এটি সমুদ্রে নোঙর করা অবস্থায় রয়েছে। আমরা এখনো ফান্ড দেইনি। পরিস্থিতি বিবেচনায় জাহাজটি ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।” বিশ্ব রাজনীতির মেরুকরণ ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার এই খড়্গ বাংলাদেশের ভারী শিল্প খাতে কেমন প্রভাব ফেলে, এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আগামী দিনে আমদানিকারকরা কতটা সতর্ক অবস্থান নেন—এখন সেটিই দেখার বিষয়।



