ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা-অশ্রুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহর শেষ বিদায়, পাননি রাষ্ট্রীয় সম্মাননা
ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি তিন মেয়ে ও দুই ছেলের বাবা।
সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমতুল্লাহর জানাজা ঢাকার বেরাইদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৩রা জুন, বুধবার বিকেল ৪টায় বেরাইদ রহমতউল্লাহ স্টেডিয়াম ও বেরাইদ বড় মসজিদ মাঠে জানাজার পর মা-বাবার কবরের পাশে শায়িত করা হয়েছে।
হাজার হাজার মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যে দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহর শেষ বিদায় হলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পাননি বিধি মোতাবেক রাষ্ট্রীয় সম্মাননাটুকুও।
তাঁর একাত্তরের রণাঙ্গনের সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক
সহকর্মী এবং অনুসারী শত শত মানুষকে নীরবে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানাতে দেখা যায় এসময়। গতকাল বুধবার ভোর ৪টা ৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে রহমতুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে বলে তাঁর কন্যা মানসুরা রহমতুল্লাহ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। বেরাইদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সাজেদুল হক সুজন বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতউল্লাহকে বিকাল সাড়ে ৫টায় বেরাইদ কবরস্থানে মা বাবাসহ পূর্বপুরুষদের সাথে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় রহমতুল্লাহর কয়েক হাজার সমর্থকসহ হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার বলেন, এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না। এর আগে বিকাল সোয়া ৪টায় দিকে বেরাইদ রহমত উল্লাহ
স্টেডিয়াম, বেরাইদ বড় মসজিদ মাঠ, বেরাইদ খেলার মাঠে মাইকের মাধ্যমে সংযোগ রেখে একযোগে জানাজা নামাজ পড়া হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহ আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সহকর্মী এবং অনুসারী শত শত মানুষকে নীরবে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানাতে দেখা যায় এসময়। গতকাল বুধবার ভোর ৪টা ৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে রহমতুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে বলে তাঁর কন্যা মানসুরা রহমতুল্লাহ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। বেরাইদ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সাজেদুল হক সুজন বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতউল্লাহকে বিকাল সাড়ে ৫টায় বেরাইদ কবরস্থানে মা বাবাসহ পূর্বপুরুষদের সাথে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় রহমতুল্লাহর কয়েক হাজার সমর্থকসহ হাজার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন না করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার বলেন, এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না। এর আগে বিকাল সোয়া ৪টায় দিকে বেরাইদ রহমত উল্লাহ
স্টেডিয়াম, বেরাইদ বড় মসজিদ মাঠ, বেরাইদ খেলার মাঠে মাইকের মাধ্যমে সংযোগ রেখে একযোগে জানাজা নামাজ পড়া হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমতুল্লাহ আমৃত্যু আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৮৬ সালে তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।



