ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ঈদের দ্বিতীয় দিনে ফাঁকা রাজধানী
কোরবানির ঈদের ছুটি শুরু হতেই অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে রাজধানী ঢাকা। কর্মব্যস্ত নগরীর সড়কগুলোতে কমেছে যানবাহনের চাপ, নেই প্রতিদিনের চিরচেনা যানজট।
বিভিন্ন বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাট দিয়ে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামায় রাজধানীর অনেক এলাকা এখন নিরিবিলি পরিবেশে পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সকাল থেকে রাজধানীর নিউমার্কেট, শাহবাগ, ফার্মগেট, মতিঝিল ও গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সড়কে যান চলাচল তুলনামূলকভাবে কম।
সাধারণ ছুটির দিনের তুলনায় ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস ও রিকশার সংখ্যাও ছিল অনেক কম। অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নগরজীবনে নেমে এসেছে স্বস্তি।
সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে দায়িত্ব
পালন করতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের। এ ছাড়া অধিকাংশ দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ থাকায় বিভিন্ন মার্কেট এলাকায় ছিল সুনসান পরিবেশ। ঈদের ছুটিতে ট্রাফিক পুলিশের কর্মব্যস্ততা কিছুটা কমলেও সীমিতসংখ্যক সদস্যকে সড়কে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। যেসব এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ উপস্থিত নেই, সেখানে চালকেরা স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল মেনেই যানবাহন চালাচ্ছেন। সিগন্যাল বাতি অনুসরণ করে নিয়ম মেনে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায় অধিকাংশ চালককে। তবে রাজধানী ছাড়তে মানুষের চাপ ছিল কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও বিভিন্ন বাস কাউন্টারে। পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করতে নগর ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। অন্যদিকে ফাঁকা সড়কে স্বস্তিতে চলাচল করছেন রাজধানীতে অবস্থান করা মানুষ। কোথাও কোথাও শিশু-কিশোরদের রাস্তায় খেলাধুলা করতেও
দেখা গেছে। নগরবাসীর ধারণা, ঈদের ছুটির পুরো সময়জুড়েই রাজধানী এমন শান্ত ও ফাঁকা পরিবেশে থাকবে।
পালন করতে দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের। এ ছাড়া অধিকাংশ দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ থাকায় বিভিন্ন মার্কেট এলাকায় ছিল সুনসান পরিবেশ। ঈদের ছুটিতে ট্রাফিক পুলিশের কর্মব্যস্ততা কিছুটা কমলেও সীমিতসংখ্যক সদস্যকে সড়কে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। যেসব এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ উপস্থিত নেই, সেখানে চালকেরা স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল মেনেই যানবাহন চালাচ্ছেন। সিগন্যাল বাতি অনুসরণ করে নিয়ম মেনে গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায় অধিকাংশ চালককে। তবে রাজধানী ছাড়তে মানুষের চাপ ছিল কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও বিভিন্ন বাস কাউন্টারে। পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করতে নগর ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। অন্যদিকে ফাঁকা সড়কে স্বস্তিতে চলাচল করছেন রাজধানীতে অবস্থান করা মানুষ। কোথাও কোথাও শিশু-কিশোরদের রাস্তায় খেলাধুলা করতেও
দেখা গেছে। নগরবাসীর ধারণা, ঈদের ছুটির পুরো সময়জুড়েই রাজধানী এমন শান্ত ও ফাঁকা পরিবেশে থাকবে।



