ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
অন্তর্বর্তী সরকারের অপকর্মের দায় এড়াতে মরিয়া ইউনূসের নিয়োগদাতা সমন্বয়করা
অন্তর্বর্তী সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও অপকর্মের দায় এড়াতে ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিয়োগদাতা জুলাই আন্দোলনের ছাত্র সমন্বয় ল রাজনৈতিক দলের নেতারা।
এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে তারা কিছুই জানত না।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, “নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এই চুক্তিটি করা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে অবগত ছিলাম না।”
তিনি আরও দাবি করেন যে, দলটি ‘কিচেন ক্যাবিনেটে’ ছিল না বলে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা ছিল না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত পদক্ষেপ—বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে
পড়ে ইউনূসের নিয়োগদাতা পক্ষ ও দলগুলো এখন একে অপরের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে নিজেদের দায়মোচনের চেষ্টা করছে জনরোষের হাত থেকে বাচতে। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদনকে অনেকেই ‘রহস্যজনক’ ও ‘জনগণের স্বার্থবিরোধী’ বলে অভিহিত করেছেন। এনসিপির এই বক্তব্যকে অনেকে ‘দায় এড়ানোর কৌশল’ হিসেবে দেখছেন। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে ইউনূসের ঘনিষ্ঠদের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী সরাসরি সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এখন যখন জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, তখন “আমরা জানতাম না” ধরনের বক্তব্য দিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন। এ বিষয়ে জনগণের প্রতিক্রিয়াও তীব্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন— যারা সরকার চালানোর দায়িত্বে ছিল, তারা এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে
কীভাবে অজ্ঞ থাকতে পারে? এনসিপির এই অবস্থান কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের দায় এড়ানোর এই প্রবণতা ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
পড়ে ইউনূসের নিয়োগদাতা পক্ষ ও দলগুলো এখন একে অপরের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে নিজেদের দায়মোচনের চেষ্টা করছে জনরোষের হাত থেকে বাচতে। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এমন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদনকে অনেকেই ‘রহস্যজনক’ ও ‘জনগণের স্বার্থবিরোধী’ বলে অভিহিত করেছেন। এনসিপির এই বক্তব্যকে অনেকে ‘দায় এড়ানোর কৌশল’ হিসেবে দেখছেন। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে ইউনূসের ঘনিষ্ঠদের নেতৃত্বাধীন বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী সরাসরি সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এখন যখন জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে, তখন “আমরা জানতাম না” ধরনের বক্তব্য দিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সমালোচকরা মন্তব্য করেছেন। এ বিষয়ে জনগণের প্রতিক্রিয়াও তীব্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন— যারা সরকার চালানোর দায়িত্বে ছিল, তারা এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে
কীভাবে অজ্ঞ থাকতে পারে? এনসিপির এই অবস্থান কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের দায় এড়ানোর এই প্রবণতা ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।



