ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বোয়িং থেকে তো অনেক কেনা হচ্ছে, আমাদের থেকেও ১০টি কেনা হোক- বিমানকে এয়ারবাসের অনুরোধ
৩.৭ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকায় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ ক্রয় প্রক্রিয়ার মধ্যেই এবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এয়ারবাস।
গতকাল ১৭ই মে, রোববার বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।
মার্কিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সইয়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এমন নতুন প্রস্তাব দিলো এয়ারবাস।
এর আগে গত সপ্তাহে সচিবালয়ে এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড ডেলাহ বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত ও বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
প্রস্তাবনা সম্পর্কে বিমান মহাব্যবস্থাপক
বলেন, এয়ারবাস সম্প্রতি উড়োজাহাজ বিক্রির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। বিমানের সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রস্তাবটি মূল্যায়ন করছে। তবে বোয়িংয়ের প্রস্তাবের বিস্তারিত তিনি জানাতে পারেননি। এয়ারবাসের পক্ষ থেকে বিমানের বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মতে, মিশ্র বহর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য উপকারী হবে। এয়ারবাসের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমানের ভবিষ্যৎ বহর গঠনের বিষয়ে কোম্পানির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বিমানের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, এয়ারবাস আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানের টেকনো-ফাইন্যান্স কমিটির কাছে এ প্রস্তাব জমা দেয়। প্রস্তাবে ৪টি ‘এ৩৫০-৯০০’ ওয়াইডবডি ও ৬টি ‘এ৩২১নিও’ ন্যারোবডি উড়োজাহাজ সরবরাহের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ এশিয়ায় দায়িত্বরত এয়ারবাসের এক মুখপাত্র বলেন,
‘গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে কি চলছে না, সে বিষয়ে আমরা মন্তব্য করি না।’ গত ৩০শে এপ্রিল বিমান আনুষ্ঠানিকভাবে বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করে। যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ঐতিহাসিক এ চুক্তির আওতায় বিমান ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ও ৪টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ উড়োজাহাজ কিনবে। বোয়িং ও এয়ারবাস কোম্পানি দুটি উড়োজাহাজ বিক্রির জন্য বিমানের কাছে বেশ কয়েক দফায় প্রস্তাব জমা দিয়েছে। বিমানের বহরে জায়গা করে নিতে গত প্রায় ৪ বছর ধরে এয়ারবাস জোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ২০২৩ সালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ঢাকা সফরের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত
নিয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সন্ত্রাসী হামলায় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে বোয়িং কেনার পক্ষে অবস্থান নেয়। এমনকি বিএনপি সরকারও সেই অবস্থানে অনড়। বিমানের বর্তমান বহরে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজই বেশি। বহরের ১৯টি উড়োজাহাজের মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের। বাকি পাঁচটি উড়োজাহাজ ড্যাশ-৮, যা কানাডার ডি হ্যাভিল্যান্ডের তৈরি।
বলেন, এয়ারবাস সম্প্রতি উড়োজাহাজ বিক্রির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। বিমানের সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রস্তাবটি মূল্যায়ন করছে। তবে বোয়িংয়ের প্রস্তাবের বিস্তারিত তিনি জানাতে পারেননি। এয়ারবাসের পক্ষ থেকে বিমানের বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মতে, মিশ্র বহর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য উপকারী হবে। এয়ারবাসের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমানের ভবিষ্যৎ বহর গঠনের বিষয়ে কোম্পানির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বিমানের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, এয়ারবাস আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানের টেকনো-ফাইন্যান্স কমিটির কাছে এ প্রস্তাব জমা দেয়। প্রস্তাবে ৪টি ‘এ৩৫০-৯০০’ ওয়াইডবডি ও ৬টি ‘এ৩২১নিও’ ন্যারোবডি উড়োজাহাজ সরবরাহের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দক্ষিণ এশিয়ায় দায়িত্বরত এয়ারবাসের এক মুখপাত্র বলেন,
‘গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে কি চলছে না, সে বিষয়ে আমরা মন্তব্য করি না।’ গত ৩০শে এপ্রিল বিমান আনুষ্ঠানিকভাবে বোয়িংয়ের সঙ্গে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করে। যুক্তরাষ্ট্রের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ঐতিহাসিক এ চুক্তির আওতায় বিমান ৮টি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার ও ৪টি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ উড়োজাহাজ কিনবে। বোয়িং ও এয়ারবাস কোম্পানি দুটি উড়োজাহাজ বিক্রির জন্য বিমানের কাছে বেশ কয়েক দফায় প্রস্তাব জমা দিয়েছে। বিমানের বহরে জায়গা করে নিতে গত প্রায় ৪ বছর ধরে এয়ারবাস জোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ২০২৩ সালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ঢাকা সফরের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত
নিয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সন্ত্রাসী হামলায় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে বোয়িং কেনার পক্ষে অবস্থান নেয়। এমনকি বিএনপি সরকারও সেই অবস্থানে অনড়। বিমানের বর্তমান বহরে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজই বেশি। বহরের ১৯টি উড়োজাহাজের মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের। বাকি পাঁচটি উড়োজাহাজ ড্যাশ-৮, যা কানাডার ডি হ্যাভিল্যান্ডের তৈরি।



