ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
ইউনূস সরকারের সকল নৈরাজ্যের সুরক্ষা দিয়ে অবশেষে ব্যারাকে ফিরছে সেনাবাহিনী মিশন ব্যর্থ নাকি সফলতার পর দৃশ্যপট ত্যাগ?
জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠপর্যায় থেকে প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথমে দূরবর্তী জেলাগুলো থেকে সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে আনা হবে, তারপর ধাপে ধাপে বিভাগীয় শহর ও বড় জেলাগুলো থেকে। এই প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে চলা সেনাবাহিনীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বের অধ্যায়টি শেষ হতে চলেছে।
২০২৪ সালের ৩ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার সেনাবাহিনীর কাছে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব অর্পণ করে। কিন্তু মাত্র দুই দিন পর, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্যে দিয়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা শুরু, তারপর থেকে দেশজুড়ে অভূতপূর্ব নৈরাজ্য দেখা দেয়। সারাদেশে থানায় হামলা, অস্ত্র লুট, পুলিশ সদস্যদের হত্যা, মব লিঞ্চিং, ব্যক্তিগত ও সরকারি সম্পত্তির
ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং অসংখ্য নৃশংস ঘটনা ঘটে যায়—যখন সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘটে যাওয়া সকল অনাচার আর নৈরাজ্যকে সফলভাবে হতে দেয়াই সেনাবাহিনীর একমাত্র সফলতা ছিলো কি? বিগত ১৯ মাসে দেশে সফলতার সাথে তো ঘটতে পেরেছে দুইটি মাত্র বিষয়, এক ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের নামে নৈরাজ্য-ধ্বংসযজ্ঞ আর তথাকথিত সন্ধ্যার নির্বাচন। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে মাঠে থেকেও যখন থানা লুট, পুলিশ হত্যা ও মববাজির মতো ঘটনা অব্যাহত ছিল। একপক্ষ বিনা বাঁধায় ও রাষ্ট্রিয় নিরাপত্তার সাথে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে, মব করেছে, মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল করেছে, লুট করেছে কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান। আর আরেকপক্ষ
কিছু না করেই রাষ্ট্র কর্তৃক অবৈধ পন্থায় অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞার খড়গ মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে আর গ্রেফতার হয়েছে ডেভিল হান্ট অপারেশনে। কে ডেভিল আর কে এনজেল, সেই সংজ্ঞা ১৯ মাসে সফলভাবে বদলে দেয়া। সেনাবাহিনীর একটা সফলতা বৈকি। আর জাতীয় নির্বাচন! সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে ব্যারাকে ফিরছে। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, নির্বাচনের আয়োজন করতে গিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও জনজীবনের যে ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়। আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টি, দেশের দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দলবিহীন নির্বাচন কেমন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হয়েছে, বিরোধী দলীয় ইসলামিক ঐক্যজোটের অভিযোগে প্রমাণ পাওয়া যায় সেটা। নির্বাচনে কতোটা দক্ষতা বা নিরপত্তার
সাথে দায়িত্ব পালন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, যাদের দেশের আপামর জনসাধারন ত্রাতা হিসাবে ভেবেছিল? যারা সেনাবাহিনীকে “বীর” বলে অভিহিত করেন, তারা যুক্তি দেন যে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে তারা নির্বাচনের পথ সুগম করেছে। অন্যদিকে যারা “ব্যর্থতা” দেখেন, তারা বলেন—আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব নিয়ে যখন দেশে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে, তখন দায় এড়ানো যায় না। সেনাবাহিনীর এই প্রত্যাহারকে কেউ কেউ “স্বাভাবিক প্রক্রিয়া” হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে এটিকে “মিশন শেষে ফেরা” হিসেবেও ব্যাখ্যা করছেন। জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এই ধাপে ধাপে প্রত্যাহার শেষ হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুরোপুরি পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর ওপর বর্তাবে। এখন প্রশ্ন থেকে যায়—গত দেড় বছর কি সেনাবাহিনী বীরত্ব দেখিয়েছে, নাকি জনমানুষ
আর রাজনৈতিক নেতাকর্মিদের নিরাপত্তা, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে? ইতিহাস এর উত্তর দেবে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো ইতিমধ্যেই স্পষ্ট।
ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং অসংখ্য নৃশংস ঘটনা ঘটে যায়—যখন সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘটে যাওয়া সকল অনাচার আর নৈরাজ্যকে সফলভাবে হতে দেয়াই সেনাবাহিনীর একমাত্র সফলতা ছিলো কি? বিগত ১৯ মাসে দেশে সফলতার সাথে তো ঘটতে পেরেছে দুইটি মাত্র বিষয়, এক ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের নামে নৈরাজ্য-ধ্বংসযজ্ঞ আর তথাকথিত সন্ধ্যার নির্বাচন। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে মাঠে থেকেও যখন থানা লুট, পুলিশ হত্যা ও মববাজির মতো ঘটনা অব্যাহত ছিল। একপক্ষ বিনা বাঁধায় ও রাষ্ট্রিয় নিরাপত্তার সাথে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে, মব করেছে, মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল করেছে, লুট করেছে কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান। আর আরেকপক্ষ
কিছু না করেই রাষ্ট্র কর্তৃক অবৈধ পন্থায় অগণতান্ত্রিক নিষেধাজ্ঞার খড়গ মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে আর গ্রেফতার হয়েছে ডেভিল হান্ট অপারেশনে। কে ডেভিল আর কে এনজেল, সেই সংজ্ঞা ১৯ মাসে সফলভাবে বদলে দেয়া। সেনাবাহিনীর একটা সফলতা বৈকি। আর জাতীয় নির্বাচন! সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করে ব্যারাকে ফিরছে। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, নির্বাচনের আয়োজন করতে গিয়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও জনজীবনের যে ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়। আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টি, দেশের দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দলবিহীন নির্বাচন কেমন সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হয়েছে, বিরোধী দলীয় ইসলামিক ঐক্যজোটের অভিযোগে প্রমাণ পাওয়া যায় সেটা। নির্বাচনে কতোটা দক্ষতা বা নিরপত্তার
সাথে দায়িত্ব পালন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, যাদের দেশের আপামর জনসাধারন ত্রাতা হিসাবে ভেবেছিল? যারা সেনাবাহিনীকে “বীর” বলে অভিহিত করেন, তারা যুক্তি দেন যে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে তারা নির্বাচনের পথ সুগম করেছে। অন্যদিকে যারা “ব্যর্থতা” দেখেন, তারা বলেন—আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব নিয়ে যখন দেশে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে, তখন দায় এড়ানো যায় না। সেনাবাহিনীর এই প্রত্যাহারকে কেউ কেউ “স্বাভাবিক প্রক্রিয়া” হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে এটিকে “মিশন শেষে ফেরা” হিসেবেও ব্যাখ্যা করছেন। জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এই ধাপে ধাপে প্রত্যাহার শেষ হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পুরোপুরি পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর ওপর বর্তাবে। এখন প্রশ্ন থেকে যায়—গত দেড় বছর কি সেনাবাহিনী বীরত্ব দেখিয়েছে, নাকি জনমানুষ
আর রাজনৈতিক নেতাকর্মিদের নিরাপত্তা, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে? ইতিহাস এর উত্তর দেবে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের কাছে এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো ইতিমধ্যেই স্পষ্ট।



