ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ
জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা, ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে তাঁর বীরত্ব এবং এর ফলে ভারতের সাথে তাঁর যে দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক ও কৌশলগত দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল তা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি এক নিবন্ধে বিশ্লেষক মইনুল হক দাবি করেছেন, জিয়াউর রহমানের প্রতি ভারতের অবিশ্বাসের মূলে ছিল ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের ঐতিহাসিক স্মৃতি, যা পরবর্তীকালে তাঁর হত্যাকাণ্ড এবং বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক দিশাহীনতার সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে অসীম সাহসিকতার জন্য জিয়াউর রহমান ‘হিলাল-ই-জুরাত’ খেতাব পান। লেখক প্রশ্ন তুলেছেন, যুদ্ধের মাত্র ৬ বছর পর ১৯৭১ সালে সেই একই অফিসার যখন
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কমান্ডার হিসেবে আবির্ভূত হন, তখন ভারতীয় সামরিক নেতৃত্ব তাঁকে কতটা আস্থায় নিয়েছিল? বিশ্লেষকদের মতে, একজন ‘পরীক্ষিত সাবেক শত্রু’ হিসেবে ভারতীয় গোয়েন্দা ও সামরিক কাঠামোর কাছে জিয়া সবসময়ই ছিলেন ‘Carefully managed asset’। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা জিয়াকে সাধারণ বিদ্রোহীর চেয়ে একটি প্রতীকী রাজনৈতিক-সামরিক চরিত্রে রূপান্তর করে, যা ভারতের জন্য ছিল অস্বস্তিকর। নিবন্ধে অভিযোগ করা হয়, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী পাকিস্তানি ঘাঁটি কামালপুরে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই আক্রমণে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল—যা ছিল তাঁকে সামরিকভাবে দুর্বল বা নিঃশেষ করার এক সম্ভাব্য নীল নকশা। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতার পর সিনিয়র অফিসার হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে সেনাপ্রধান না করা এবং বার্মায়
ডিফেন্স অ্যাটাচে হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাকে জিয়ার প্রতি রাজনৈতিক ও বিদেশি শক্তির বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হয়েছে। লেখকের দাবি, ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড ছিল প্রকারান্তরে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের পথে প্রধান বাধা নির্মূলের একটি প্রক্রিয়া। আলোচনার সবচেয়ে বিতর্কিত অংশটি ছিল বিএনপির বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব ও তারেক রহমানকে নিয়ে। লেখক প্রশ্ন তুলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া যেখানে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন ছিলেন, সেখানে তারেক রহমান কেন ভারতের প্রতি ‘নতজানু’ নীতি গ্রহণ করছেন? তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিএনপির আন্দোলনের ব্যর্থতার জন্য দলের ভেতর লুকিয়ে থাকা ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের দোসরদের’ দায়ী করেছেন। তাঁর মতে, ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’তে শীর্ষ নেতাদের
রহস্যজনক অনুপস্থিতি। খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ বা জেলে নেওয়ার সময় প্রথম সারির নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে দলের তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করা। নিবন্ধের শেষ দিকে লেখক তারেক রহমানের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন—তারেক রহমান কি ‘গাড়ল’ (নির্বোধ বা অন্যের বুদ্ধিতে পরিচালিত), নাকি তিনি জিয়াউর রহমানের একজন বিপথগামী সন্তান? তিনি দাবি করেন, বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখন এমন ব্যক্তিদের প্রাধান্য যারা তারেক রহমানকে ‘বোতলবন্দি’ করে রেখেছেন। জুলাই বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলতে ব্যর্থ হওয়া এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার এই দায় তারেক রহমান এড়াতে পারেন না বলে লেখক মন্তব্য করেন। সবশেষে, নিবন্ধটি
বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানায় যেন তারা অন্ধভাবে গালিগালাজ না করে যুক্তির মাধ্যমে এই রাজনৈতিক সংকট ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে বোঝার চেষ্টা করেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম কমান্ডার হিসেবে আবির্ভূত হন, তখন ভারতীয় সামরিক নেতৃত্ব তাঁকে কতটা আস্থায় নিয়েছিল? বিশ্লেষকদের মতে, একজন ‘পরীক্ষিত সাবেক শত্রু’ হিসেবে ভারতীয় গোয়েন্দা ও সামরিক কাঠামোর কাছে জিয়া সবসময়ই ছিলেন ‘Carefully managed asset’। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা জিয়াকে সাধারণ বিদ্রোহীর চেয়ে একটি প্রতীকী রাজনৈতিক-সামরিক চরিত্রে রূপান্তর করে, যা ভারতের জন্য ছিল অস্বস্তিকর। নিবন্ধে অভিযোগ করা হয়, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী পাকিস্তানি ঘাঁটি কামালপুরে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই আক্রমণে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল—যা ছিল তাঁকে সামরিকভাবে দুর্বল বা নিঃশেষ করার এক সম্ভাব্য নীল নকশা। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতার পর সিনিয়র অফিসার হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে সেনাপ্রধান না করা এবং বার্মায়
ডিফেন্স অ্যাটাচে হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাকে জিয়ার প্রতি রাজনৈতিক ও বিদেশি শক্তির বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হয়েছে। লেখকের দাবি, ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড ছিল প্রকারান্তরে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের প্রতিশোধ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের পথে প্রধান বাধা নির্মূলের একটি প্রক্রিয়া। আলোচনার সবচেয়ে বিতর্কিত অংশটি ছিল বিএনপির বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব ও তারেক রহমানকে নিয়ে। লেখক প্রশ্ন তুলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া যেখানে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন ছিলেন, সেখানে তারেক রহমান কেন ভারতের প্রতি ‘নতজানু’ নীতি গ্রহণ করছেন? তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিএনপির আন্দোলনের ব্যর্থতার জন্য দলের ভেতর লুকিয়ে থাকা ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের দোসরদের’ দায়ী করেছেন। তাঁর মতে, ২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’তে শীর্ষ নেতাদের
রহস্যজনক অনুপস্থিতি। খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ বা জেলে নেওয়ার সময় প্রথম সারির নেতাদের নিষ্ক্রিয়তা। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে দলের তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করা। নিবন্ধের শেষ দিকে লেখক তারেক রহমানের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন—তারেক রহমান কি ‘গাড়ল’ (নির্বোধ বা অন্যের বুদ্ধিতে পরিচালিত), নাকি তিনি জিয়াউর রহমানের একজন বিপথগামী সন্তান? তিনি দাবি করেন, বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এখন এমন ব্যক্তিদের প্রাধান্য যারা তারেক রহমানকে ‘বোতলবন্দি’ করে রেখেছেন। জুলাই বিপ্লবের ফসল ঘরে তুলতে ব্যর্থ হওয়া এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়ার এই দায় তারেক রহমান এড়াতে পারেন না বলে লেখক মন্তব্য করেন। সবশেষে, নিবন্ধটি
বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানায় যেন তারা অন্ধভাবে গালিগালাজ না করে যুক্তির মাধ্যমে এই রাজনৈতিক সংকট ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে বোঝার চেষ্টা করেন।



