ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শুরু হচ্ছে অনলাইন ক্লাস, কমে যাচ্ছে সাপ্তাহিক ছুটি
ঢাবি শিক্ষার্থী ও ঢামেক চিকিৎসকদের হাতাহাতি, জরুরি বিভাগ বন্ধ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার আলটিমেটাম
স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বড় সুখবর দিলো সরকার
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালু করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
চবিতে ফের ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
চাঁদপুর ও মাদারীপুরে মিড ডে মিলের নিম্নমানের খাবারে প্রাথমিক শিশুরা অসুস্থ
চাঁদপুর ও মাদারীপুর জেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল (স্কুল ফিডিং) প্রকল্পের আওতায় সরবরাহ করা পচা ও নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসংখ্য শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মাদারীপুর সদর উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের খাবার খাওয়ার পর অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। কয়েকজনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, পাউরুটি থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল এবং ডিম ছিল পচা। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরই শিশুরা বমি, পেটব্যথা ও অন্যান্য সমস্যায় ভুগতে শুরু করে।
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ওটারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি স্কুলে মিড ডে
মিলে পচা ডিম ও পচা রুটি সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, “মিড ডে মিল পাব শুনে আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।” পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আইরিন আক্তারের মতো অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছে। মিড ডে মিল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাথমিক স্কুলের শিশুদের স্কুলমুখী করা, উপস্থিতি বাড়ানো, ঝরে পড়া রোধ করা এবং বিশেষ করে দরিদ্র ও পুষ্টিহীন শিশুদের আমিষের অভাব পূরণ করা। সরকারি নীতিমালা অনুসারে এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের দৈনিক ক্যালরির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস সরবরাহের কথা। কিন্তু বাস্তবে পচা-বাসি ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি
খেলা হচ্ছে বলে সমালোচনা উঠেছে। অভিভাবকরা বলছেন, “শিশুদের পুষ্টি দেওয়ার নামে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে স্কুলে পাঠানোই কঠিন হয়ে পড়বে।” মাদারীপুরে ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। চাঁদপুরেও স্থানীয়ভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে। প্রাথমিক শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মিড ডে মিল একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহকারীদের জবাবদিহিতা ও নিয়মিত মনিটরিং না থাকলে এ প্রকল্প শিশুদের জন্য আশীর্বাদের পরিবর্তে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। শিশুদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা উচিত নয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত
করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। শিশুদের পুষ্টি ও শিক্ষার অধিকার রক্ষায় মিড ডে মিল প্রকল্পকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন সচেতন মহল।
মিলে পচা ডিম ও পচা রুটি সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, “মিড ডে মিল পাব শুনে আমরা খুব খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।” পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আইরিন আক্তারের মতো অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছে। মিড ডে মিল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাথমিক স্কুলের শিশুদের স্কুলমুখী করা, উপস্থিতি বাড়ানো, ঝরে পড়া রোধ করা এবং বিশেষ করে দরিদ্র ও পুষ্টিহীন শিশুদের আমিষের অভাব পূরণ করা। সরকারি নীতিমালা অনুসারে এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের দৈনিক ক্যালরির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস সরবরাহের কথা। কিন্তু বাস্তবে পচা-বাসি ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি
খেলা হচ্ছে বলে সমালোচনা উঠেছে। অভিভাবকরা বলছেন, “শিশুদের পুষ্টি দেওয়ার নামে বিষ খাওয়ানো হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে স্কুলে পাঠানোই কঠিন হয়ে পড়বে।” মাদারীপুরে ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। চাঁদপুরেও স্থানীয়ভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে। প্রাথমিক শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মিড ডে মিল একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহকারীদের জবাবদিহিতা ও নিয়মিত মনিটরিং না থাকলে এ প্রকল্প শিশুদের জন্য আশীর্বাদের পরিবর্তে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। শিশুদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অবহেলা বা দুর্নীতি সহ্য করা উচিত নয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে খাবারের মান নিশ্চিত
করার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা। শিশুদের পুষ্টি ও শিক্ষার অধিকার রক্ষায় মিড ডে মিল প্রকল্পকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন সচেতন মহল।



