ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে নাসির দম্পতির
আইপিএল প্রচার বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল আছে
খেলোয়াড়দের বকেয়া আদায়ে কঠোর হচ্ছে বিসিবি
দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের কাদা ছোড়াছুড়ি, ভক্তদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
নর্দান আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের পথে ইতালি
সরকারি নিষেধাজ্ঞা নয়, বকেয়া মেটাতে না পারায় আইপিএল দেখাতে পারছে না টি-স্পোর্টস
আইপিএল সম্প্রচার নিয়ে এতদিনের ধোঁয়াশা অবশেষে কাটল। তবে কারণটি রাজনৈতিক নয়, বরং স্রেফ আর্থিক। পাওনা টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশের একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল ‘টি-স্পোর্টস’-এর সঙ্গে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের সম্প্রচার চুক্তি বাতিল করেছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ‘জিওস্টার’।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দেখা এক দাপ্তরিক চিঠিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স এবং ডিজনির যৌথ উদ্যোগ ‘জিওস্টার’ এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। চিঠিতে তারা পরিষ্কার জানিয়েছে, টি-স্পোর্টস চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ করতে ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসে বিসিসিআই-এর নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা
হয়েছিল। সম্প্রতি সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনার কথা বললেও এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকলেও, পর্দার আড়ালের আসল সত্যটি হলো ভিন্ন। জিওস্টারের চুক্তি বাতিলের ফলে সরকার যদি এখন নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়, তবুও টি-স্পোর্টসের পক্ষে আর আইপিএল দেখানো সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে আইপিএল দেখার জন্য বাংলাদেশে এখন আর কোনো স্থানীয় অফিশিয়াল ব্রডকাস্টার নেই। তবে দেশি চ্যানেল না দেখালেও স্টার স্পোর্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকরা ঠিকই আইপিএল উপভোগ করছেন। মানুষের বিপুল আগ্রহ থাকায় ক্যাবল অপারেটররা স্টার স্পোর্টস চালু রেখেছেন। এই ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো বাধা নেই বলে তারা জানিয়েছেন। অর্থাৎ, আইপিএল ঠিকই দেখছেন বাংলাদেশের দর্শকরা, তবে দেশি চ্যানেলের বদলে ভারতীয় চ্যানেলে। এর ফলে বাংলাদেশের
বিপুল দর্শকপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় চ্যানেলগুলোই সরাসরি লাভবান হচ্ছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি টি-স্পোর্টসকে পাঠানো চিঠিতে জিওস্টার সরাসরি জানিয়ে দেয়, ‘চুক্তিটি অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে বাতিল করা হলো।’ ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইপিএলের সম্প্রচার স্বত্ব সাব-লাইসেন্স হিসেবে নিয়েছিল চ্যানেলটি। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট লিগ আইপিএলের বাজারমূল্য এখন প্রায় ১৮.৫ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশে এই টুর্নামেন্টের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা থাকলেও, আর্থিক জটিলতায় দেশি চ্যানেলে খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দর্শকরা। একই চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, বকেয়া পরিশোধ না করায় মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) সম্প্রচারের চুক্তিও একইভাবে বাতিল করা হয়েছে।
হয়েছিল। সম্প্রতি সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনার কথা বললেও এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকলেও, পর্দার আড়ালের আসল সত্যটি হলো ভিন্ন। জিওস্টারের চুক্তি বাতিলের ফলে সরকার যদি এখন নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেয়, তবুও টি-স্পোর্টসের পক্ষে আর আইপিএল দেখানো সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে আইপিএল দেখার জন্য বাংলাদেশে এখন আর কোনো স্থানীয় অফিশিয়াল ব্রডকাস্টার নেই। তবে দেশি চ্যানেল না দেখালেও স্টার স্পোর্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকরা ঠিকই আইপিএল উপভোগ করছেন। মানুষের বিপুল আগ্রহ থাকায় ক্যাবল অপারেটররা স্টার স্পোর্টস চালু রেখেছেন। এই ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো বাধা নেই বলে তারা জানিয়েছেন। অর্থাৎ, আইপিএল ঠিকই দেখছেন বাংলাদেশের দর্শকরা, তবে দেশি চ্যানেলের বদলে ভারতীয় চ্যানেলে। এর ফলে বাংলাদেশের
বিপুল দর্শকপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় চ্যানেলগুলোই সরাসরি লাভবান হচ্ছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি টি-স্পোর্টসকে পাঠানো চিঠিতে জিওস্টার সরাসরি জানিয়ে দেয়, ‘চুক্তিটি অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে বাতিল করা হলো।’ ২০২৩ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত আইপিএলের সম্প্রচার স্বত্ব সাব-লাইসেন্স হিসেবে নিয়েছিল চ্যানেলটি। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্রিকেট লিগ আইপিএলের বাজারমূল্য এখন প্রায় ১৮.৫ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশে এই টুর্নামেন্টের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা থাকলেও, আর্থিক জটিলতায় দেশি চ্যানেলে খেলা দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দর্শকরা। একই চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, বকেয়া পরিশোধ না করায় মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) সম্প্রচারের চুক্তিও একইভাবে বাতিল করা হয়েছে।



