ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
নারী নেতৃত্ব হারাম বলে কী টিভি এডিটরস কাউন্সিলে জায়গা হয়নি নাজনীন মুন্নী?
দেশের টেলিভিশন খাত আবারও দলীয়করণের পথে হাঁটছে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন গ্লোবাল টিভির হেড অব নিউজ নাজনীন মুন্নী। টেলিভিশন সম্পাদকদের সাম্প্রতিক এক কাউন্সিল গঠন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই কাউন্সিল কি সত্যিই “ইনক্লুসিভ সাংবাদিকতা” ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতিনিধিত্ব করে?
স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, কাউন্সিলের সদস্যদের অধিকাংশই বিএনপি-ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক এবং তারাই এখন টেলিভিশনগুলোর নীতিনির্ধারণ করবেন—যা অতীতের দলীয় নিয়ন্ত্রণের নতুন সংস্করণ মাত্র।
তিনি লিখেছেন, অতীতে শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিভিশনের সম্পাদকদের একটি ছবি ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল এবং তখনই তিনি বুঝেছিলেন, দলীয় আনুগত্যভিত্তিক সাংবাদিকতা দেশের টেলিভিশন মিডিয়াকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে। সেই ধারাবাহিকতায় বহু অভিজ্ঞ সাংবাদিক
দেশ ছাড়তে, চাকরি ছাড়তে কিংবা মামলার মুখোমুখি হতে বাধ্য হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সবচেয়ে আলোচিত অংশে নাজনীন মুন্নী প্রশ্ন তোলেন, একটি টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে ওই কাউন্সিলে ডাকা হয়নি। তার ভাষায়, “বড় ভাইরা কি নারী হিসাবে অযোগ্য ভাবলেন, নাকি নারী নেতৃত্ব হারাম বলে? নাকি আমি বিএনপি-পন্থী সাংবাদিক নই বলেই?” তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আবারও টেলিভিশনগুলো দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের “বাক্সে” পরিণত হতে যাচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে স্বাধীন সাংবাদিকতা আরও সংকুচিত হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সাংবাদিকদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাবে। স্ট্যাটাসের শেষদিকে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব রক্ষার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “দলীয় আনুগত্যের বাইরে যেটুকু, সেটুকুই আসল সাংবাদিকতা।”
দেশ ছাড়তে, চাকরি ছাড়তে কিংবা মামলার মুখোমুখি হতে বাধ্য হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সবচেয়ে আলোচিত অংশে নাজনীন মুন্নী প্রশ্ন তোলেন, একটি টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে ওই কাউন্সিলে ডাকা হয়নি। তার ভাষায়, “বড় ভাইরা কি নারী হিসাবে অযোগ্য ভাবলেন, নাকি নারী নেতৃত্ব হারাম বলে? নাকি আমি বিএনপি-পন্থী সাংবাদিক নই বলেই?” তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আবারও টেলিভিশনগুলো দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের “বাক্সে” পরিণত হতে যাচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে স্বাধীন সাংবাদিকতা আরও সংকুচিত হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সাংবাদিকদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাবে। স্ট্যাটাসের শেষদিকে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব রক্ষার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “দলীয় আনুগত্যের বাইরে যেটুকু, সেটুকুই আসল সাংবাদিকতা।”



