ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
নব্বইয়ে পারস্পরিক সম্মান, সংলাপ এবং সংকটে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল : নঈম নিজাম
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে নব্বই-পরবর্তী বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির একটি আলোচিত ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দেওয়া ওই পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও সে সময় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান, সংলাপ এবং সংকট সমাধানের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিদ্যমান ছিল।
পোস্টে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, প্রয়াত রাজনীতিক সাঈদ ইস্কেন্দার এবং মাহফুজ আনাম-কে ঘিরে একটি ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
নঈম নিজামের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সালের সংসদ যেমন প্রাণবন্ত ছিল, তেমনি সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধও ছিল। দুই নেত্রীর রাজনৈতিক
বিরোধ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের মধ্যে সমঝোতা ও আলোচনার সংস্কৃতি দেখা যেত। তিনি উল্লেখ করেন, একসময় সাঈদ ইস্কান্দারের দুই সন্তান ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ক্ষুব্ধ হন এবং আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। ঘটনার সময় শেখ হাসিনা ঢাকার বাইরে ছিলেন বলে পোস্টে দাবি করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন এবং ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশের উদ্যোগ নেন। নঈম নিজামের বর্ণনায় বলা হয়, আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও মাহফুজ
আনামকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা সাঈদ ইস্কান্দারের বাসায় যান এবং দুই শিশুকে সান্ত্বনা দেন। পোস্টে আরও বলা হয়, পুরো ঘটনাটি যাতে ভুল বোঝাবুঝি বা রাজনৈতিক উত্তেজনায় রূপ না নেয়, সে জন্য আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি আর বড় রাজনৈতিক সংঘাতে গড়ায়নি। নঈম নিজামের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই নব্বইয়ের দশকের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের রাজনীতির তুলনা করছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মধ্যেও ব্যক্তিগত যোগাযোগ, সংলাপ এবং মানবিক আচরণের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বিরোধ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের মধ্যে সমঝোতা ও আলোচনার সংস্কৃতি দেখা যেত। তিনি উল্লেখ করেন, একসময় সাঈদ ইস্কান্দারের দুই সন্তান ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ক্ষুব্ধ হন এবং আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। ঘটনার সময় শেখ হাসিনা ঢাকার বাইরে ছিলেন বলে পোস্টে দাবি করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে তিনি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন এবং ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশের উদ্যোগ নেন। নঈম নিজামের বর্ণনায় বলা হয়, আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা ও মাহফুজ
আনামকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা সাঈদ ইস্কান্দারের বাসায় যান এবং দুই শিশুকে সান্ত্বনা দেন। পোস্টে আরও বলা হয়, পুরো ঘটনাটি যাতে ভুল বোঝাবুঝি বা রাজনৈতিক উত্তেজনায় রূপ না নেয়, সে জন্য আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি আর বড় রাজনৈতিক সংঘাতে গড়ায়নি। নঈম নিজামের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই নব্বইয়ের দশকের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের রাজনীতির তুলনা করছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মধ্যেও ব্যক্তিগত যোগাযোগ, সংলাপ এবং মানবিক আচরণের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।



