ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের কাদা ছোড়াছুড়ি, ভক্তদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
নর্দান আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের পথে ইতালি
ব্রাজিলকে হারাল ফ্রান্স
বেঁচে রইল ইতালির বিশ্বকাপের আশা
বাংলাদেশকে পার্থক্যটা বুঝিয়ে দিল ভিয়েতনাম
খেলোয়াড়দের বকেয়া আদায়ে কঠোর হচ্ছে বিসিবি
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে দ্রুত আর্থিক মূল্যও বাড়ছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) দর্শক জনপ্রিয়তা ও রাজস্বের দিক থেকে ইউরোপের বড় ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। অথচ ১৪ বছর পরও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ঢিমেতালে চলছে। সবশেষ বিপিএলে ক্রিকেটারদের পুরো পারিশ্রমিক এখনো পরিশোধ করেনি ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। খেলোয়াড়দের বকেয়া পরিশোধ না করায় ‘ঢাকা ক্যাপিটালসকে’ কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বোর্ডের পরিচালক ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান জানিয়েছেন, দ্রুত বকেয়া পরিশোধ না হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে বোর্ড।
শনিবার সাংবাদিকদের ইফতেখার বলেন, ‘একাধিকবার চিঠি দেওয়ার পরও ইতিবাচক সাড়া পাইনি। ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা ১৫ দিনের মধ্যে খেলোয়াড়দের
বকেয়া পরিশোধের নোটিশ দিয়েছিলাম; কিন্তু এখনো তা মানা হয়নি।’ ঈদুল ফিতরের আগে ঢাকা ক্যাপিটালস আশ্বাস দিয়েছিল। তবে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে বিসিবি নিশ্চিত হয়েছে যে, তিন কোটির বেশি বকেয়া এখনো রয়েছে। এটি আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছে। ইফতেখার জানান, বোর্ড ইতোমধ্যে পাঁচ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি এবং আরও পাঁচ কোটি টাকার একটি চেক সুরক্ষিত রেখেছে। তবে পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় বোর্ড এই ব্যাকআপ ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘৬০ দিন পার হয়ে গেছে। ধৈর্যের একটা সীমা আছে। আগামীকালের (আজ) মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে আমাদের অন্য পথে যেতে হবে।’ এ ঘটনায় বিপিএলের সুনাম নিয়ে শঙ্কা থাকলেও বিসিবি আশ্বস্ত করেছে, খেলোয়াড়দের স্বার্থ
কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। ইফতেখার বলেন, ‘খেলোয়াড়দের টাকা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছে।’
বকেয়া পরিশোধের নোটিশ দিয়েছিলাম; কিন্তু এখনো তা মানা হয়নি।’ ঈদুল ফিতরের আগে ঢাকা ক্যাপিটালস আশ্বাস দিয়েছিল। তবে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলে বিসিবি নিশ্চিত হয়েছে যে, তিন কোটির বেশি বকেয়া এখনো রয়েছে। এটি আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছে। ইফতেখার জানান, বোর্ড ইতোমধ্যে পাঁচ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি এবং আরও পাঁচ কোটি টাকার একটি চেক সুরক্ষিত রেখেছে। তবে পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় বোর্ড এই ব্যাকআপ ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘৬০ দিন পার হয়ে গেছে। ধৈর্যের একটা সীমা আছে। আগামীকালের (আজ) মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে আমাদের অন্য পথে যেতে হবে।’ এ ঘটনায় বিপিএলের সুনাম নিয়ে শঙ্কা থাকলেও বিসিবি আশ্বস্ত করেছে, খেলোয়াড়দের স্বার্থ
কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। ইফতেখার বলেন, ‘খেলোয়াড়দের টাকা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছে।’



