ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা
ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর
রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত
ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পর আগের বছরের বৃত্তি পরীক্ষা: পুরোনো সিলেবাসে নতুন চাপ, বিপাকে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
পাঠ্যবই দুর্নীতি : ইউনুসের সংস্কার, সিন্ডিকেটের উৎসব
বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে বড় সুখবর
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. পূর্বা ইসলাম, ফিজিওলজি বিভাগের প্রফেসর ড. আফরিনা মুস্তারি, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আজহারুল ইসলাম, অ্যাকোয়াকালচার বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রফেসর ড. উজ্জল কুমার নাথ এবং পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. সুবাস চন্দ্র দাস—এই ছয় জন সম্মানিত শিক্ষককে আজ (২৪ মার্চ ২০২৬) স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগকৃত উপাচার্যের নেতৃত্বে এই বহিষ্কার সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও স্বেচ্ছাচারী প্রক্রিয়ায় হয়েছে। আইন ও বিধিবিধান উপেক্ষা করে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে এক ‘গভীর অন্ধকার
অধ্যায়ের’ সূচনা করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ড. ইউনুসের প্রায় ১৮ মাসের শাসনামলে শিক্ষাঙ্গনে ‘মব সন্ত্রাসের’ মাধ্যমে ইতিহাসের জঘন্যতম নির্যাতন চালানো হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ আদালত অবমাননা করে ৫৯ জন শিক্ষককে বরখাস্ত, পদ অবনমন ও বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আজকের এই ছয় জনের স্থায়ী বহিষ্কার সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দাবি, নতুন সরকারের কাছে তারা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, ইউনুস আমলের দুঃশাসনের ফলে বিপর্যস্ত শিক্ষাঙ্গন পুনরুদ্ধার হবে। শত শত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বহিষ্কার, মিথ্যা মামলা ও একাডেমিক শাস্তি প্রত্যাহার করা হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তারা গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে সরকারের কাছে চার
দফা জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে: ১. সকল অন্যায় ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ২. শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ, স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ৩. ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অপকর্ম বাস্তবায়নে জড়িত সংশ্লিষ্ট উপাচার্যদের অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। ৪. শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত সকল অন্যায় ও দমনমূলক পদক্ষেপ বাতিল করতে হবে। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দপ্তর সম্পাদক ডক্টর মাহবুব আলম প্রদীপ, যিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ আশা প্রকাশ করেছে যে, সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও একাডেমিক স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।
অধ্যায়ের’ সূচনা করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ড. ইউনুসের প্রায় ১৮ মাসের শাসনামলে শিক্ষাঙ্গনে ‘মব সন্ত্রাসের’ মাধ্যমে ইতিহাসের জঘন্যতম নির্যাতন চালানো হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ আদালত অবমাননা করে ৫৯ জন শিক্ষককে বরখাস্ত, পদ অবনমন ও বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। আজকের এই ছয় জনের স্থায়ী বহিষ্কার সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দাবি, নতুন সরকারের কাছে তারা প্রত্যাশা করেছিলেন যে, ইউনুস আমলের দুঃশাসনের ফলে বিপর্যস্ত শিক্ষাঙ্গন পুনরুদ্ধার হবে। শত শত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বহিষ্কার, মিথ্যা মামলা ও একাডেমিক শাস্তি প্রত্যাহার করা হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তারা গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে সরকারের কাছে চার
দফা জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়েছে: ১. সকল অন্যায় ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ২. শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ, স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ৩. ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অপকর্ম বাস্তবায়নে জড়িত সংশ্লিষ্ট উপাচার্যদের অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে। ৪. শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত সকল অন্যায় ও দমনমূলক পদক্ষেপ বাতিল করতে হবে। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দপ্তর সম্পাদক ডক্টর মাহবুব আলম প্রদীপ, যিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ আশা প্রকাশ করেছে যে, সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও একাডেমিক স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।



