ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিসিবি পরিচালকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলে সুমনের সঙ্গে চমক
বিসিবির প্রধান নির্বাচক বাশার, যুক্ত হলেন নাঈম-নাদিফ
পিএসএলের বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি দিল পাকিস্তানের সন্ত্রাসী সংগঠন
আর্সেনালের স্বপ্ন ভেঙে মৌসুমের প্রথম শিরোপা সিটির
নতুন করে ২ ম্যাচের সূচি ঘোষণা আর্জেন্টিনার
চীনে আল্ট্রা-ট্রেইল শিয়ামেনে অংশ নিলেন ইমামুর রহমান
‘নির্বাচকদের ভুল ধরার প্রবণতা আমাদের দেশে বেশি’
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হাবিবুল বাশার সুমন পেলেন বড় দায়িত্ব। তিনি এখন প্রধান নির্বাচক। এর আগে দীর্ঘদিন সহকারী নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন।
প্রধান নির্বাচকের চ্যালেঞ্জিংদায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে সুমন বলেন, আমি এর আগে মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ফারুক আহমেদ এবং আকরাম খানের অধীনে কাজ করেছি। এবার প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছি। জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াটা অবশ্যই আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের এবং চ্যালেঞ্জের।
নির্বাচকদের অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হয়। এ ব্যাপারে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, যেকোনো কাজে সমালোচনা থাকবেই। নির্বাচকদের কাজের খুঁত ধরার একটা প্রবণতা সব দেশেই থাকে, আমাদের দেশে হয়তো একটু বেশি। তবে আমি এই
চাপটা উপভোগ করি। এই দায়িত্বটা পুরোপুরি পারফরম্যান্স এবং ফলাফলনির্ভর। সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব অনেক বেশি, যা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। আমি জানি, আমি যাই করি না কেন, তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হবেই। এটা মাথায় রেখেই দায়িত্ব নিয়েছি। সমালোচনাকে আমি ব্যক্তিগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখি, তবে আমার মূল মনোযোগ থাকবে সমালোচনার জবাব দেওয়া নয়, বরং একটি শক্তিশালী দল গঠন করা। তিনি বলেন, মিডিয়া ক্রিকেটেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাদের উপেক্ষা করার প্রশ্নই আসে না। আমার লক্ষ্য থাকবে নির্বাচক প্যানেলের কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা আনা। আমরা কেন কোন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা আপনারা অবশ্যই পাবেন। দল গঠনের প্রক্রিয়া যেন
সবার কাছে পরিষ্কার থাকে, সেই চেষ্টা আমি করব। হাবিবুল বাশার আরও বলেন, দল নির্বাচন একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। এখানে অনেকের সাথে আলোচনা করতে হয়, বিভিন্ন মত শুনতে হয়। সবার মত শোনা মানেই পরাধীন হওয়া নয়। দিনশেষে একশ জন মানুষের একশ রকম মত থাকবে, কিন্তু নির্বাচক হিসেবে আমাদের কাজ হলো সব আলোচনা শেষে যেটা দলের জন্য সেরা, সেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া।
চাপটা উপভোগ করি। এই দায়িত্বটা পুরোপুরি পারফরম্যান্স এবং ফলাফলনির্ভর। সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব অনেক বেশি, যা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। আমি জানি, আমি যাই করি না কেন, তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হবেই। এটা মাথায় রেখেই দায়িত্ব নিয়েছি। সমালোচনাকে আমি ব্যক্তিগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখি, তবে আমার মূল মনোযোগ থাকবে সমালোচনার জবাব দেওয়া নয়, বরং একটি শক্তিশালী দল গঠন করা। তিনি বলেন, মিডিয়া ক্রিকেটেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাদের উপেক্ষা করার প্রশ্নই আসে না। আমার লক্ষ্য থাকবে নির্বাচক প্যানেলের কাজে শতভাগ স্বচ্ছতা আনা। আমরা কেন কোন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা আপনারা অবশ্যই পাবেন। দল গঠনের প্রক্রিয়া যেন
সবার কাছে পরিষ্কার থাকে, সেই চেষ্টা আমি করব। হাবিবুল বাশার আরও বলেন, দল নির্বাচন একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। এখানে অনেকের সাথে আলোচনা করতে হয়, বিভিন্ন মত শুনতে হয়। সবার মত শোনা মানেই পরাধীন হওয়া নয়। দিনশেষে একশ জন মানুষের একশ রকম মত থাকবে, কিন্তু নির্বাচক হিসেবে আমাদের কাজ হলো সব আলোচনা শেষে যেটা দলের জন্য সেরা, সেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া।



