ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেহরানে তেল ডিপোতে ইসরায়েলি হামলা, পাল্টা হামলার হুমকি ইরানের
ইরানের তেলসমৃদ্ধ এলাকা নিয়ে নতুন দেশ চান ট্রাম্প: তেহরানের শিক্ষাবিদ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দেবে ইতালি
গোপন খবর মিলছে, পরমাণু জব্দে কমান্ডো পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র
ব্রঙ্কসে ডে কেয়ারে ফেন্টানলের মজুদ, ১ শিশুর মৃত্যু
ইরান ইস্যুতে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবির ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প
কুয়েতে ইরানের মিসাইল হামলা, নিহত ১ বাংলাদেশি অভিবাসী
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েই চলেছে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে। ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বেড়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংঘাত এখন আর কেবল সামরিক বা আঞ্চলিক সীমাবদ্ধতায় নেই; এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ
গতকাল আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে দেখা যায় নতুন মূল্যরেকর্ড। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এ তথ্য জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে
ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম এক লাফে প্রায় ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। একইভাবে মার্কিন বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ১০৬ দশমিক ২২ ডলারে। গত এক সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে বলে জানা গেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাইস্ট্যাড এনার্জি জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। কিন্তু চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই রুটে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় অনেক জাহাজই ওই পথে চলাচল এড়িয়ে যাচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি তেল রপ্তানিকারক দেশের পরিস্থিতিও জটিল হয়ে উঠেছে। রপ্তানি কমে যাওয়ায় কুয়েত, ইরাক ও সংযুক্ত আরব
আমিরাতের তেলের সংরক্ষণ ট্যাংকগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কিছু দেশ উৎপাদনও কমিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলায় তেল ও গ্যাস অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের ওপর। যুক্তরাষ্ট্রে গত এক সপ্তাহে গ্যাসোলিনের দাম গ্যালনপ্রতি প্রায় ৪৭ সেন্ট বেড়ে ৩ দশমিক ৪৫ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৮৩ সেন্ট, যা পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করে, তবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে
পারে। এতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং অনেক দেশের অর্থনীতি সংকটে পড়তে পারে।অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ এদিকে ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার ভোরে তেহরানের একটি তেল ডিপো ও পেট্রোলিয়াম ট্রান্সফার টার্মিনালে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, ওই স্থাপনাগুলো ইরানি সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধের প্রভাব যদি তেল শিল্পে আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির সংকট তীব্র হতে পারে। বিশেষ করে চীন যদি ইরান থেকে তেল সরবরাহ না পায়, তবে তারা বিকল্প বাজারে ঝুঁকবে—যা আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর আরও চাপ তৈরি করবে। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন প্রায়
১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যার বড় অংশই যায় চীনে। এই সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে নতুন করে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তেলের দাম আবার স্থিতিশীল হতে পারে। যদিও বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দ্রুত শান্ত হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কিছুটা বেড়েছে। রোববার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ১ হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৩৩ ডলার, যা শুক্রবারের ৩ দশমিক ১৯ ডলারের তুলনায় প্রায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম এক লাফে প্রায় ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে। একইভাবে মার্কিন বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ১০৬ দশমিক ২২ ডলারে। গত এক সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৩৬ শতাংশ বেড়েছে বলে জানা গেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান রাইস্ট্যাড এনার্জি জানিয়েছে, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। কিন্তু চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই রুটে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় অনেক জাহাজই ওই পথে চলাচল এড়িয়ে যাচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি তেল রপ্তানিকারক দেশের পরিস্থিতিও জটিল হয়ে উঠেছে। রপ্তানি কমে যাওয়ায় কুয়েত, ইরাক ও সংযুক্ত আরব
আমিরাতের তেলের সংরক্ষণ ট্যাংকগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কিছু দেশ উৎপাদনও কমিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলায় তেল ও গ্যাস অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে সরবরাহ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের ওপর। যুক্তরাষ্ট্রে গত এক সপ্তাহে গ্যাসোলিনের দাম গ্যালনপ্রতি প্রায় ৪৭ সেন্ট বেড়ে ৩ দশমিক ৪৫ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৮৩ সেন্ট, যা পরিবহন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করে, তবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে
পারে। এতে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং অনেক দেশের অর্থনীতি সংকটে পড়তে পারে।অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ এদিকে ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোববার ভোরে তেহরানের একটি তেল ডিপো ও পেট্রোলিয়াম ট্রান্সফার টার্মিনালে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, ওই স্থাপনাগুলো ইরানি সামরিক বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধের প্রভাব যদি তেল শিল্পে আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির সংকট তীব্র হতে পারে। বিশেষ করে চীন যদি ইরান থেকে তেল সরবরাহ না পায়, তবে তারা বিকল্প বাজারে ঝুঁকবে—যা আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর আরও চাপ তৈরি করবে। বর্তমানে ইরান প্রতিদিন প্রায়
১৬ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে, যার বড় অংশই যায় চীনে। এই সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে নতুন করে চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তেলের দাম আবার স্থিতিশীল হতে পারে। যদিও বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দ্রুত শান্ত হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কিছুটা বেড়েছে। রোববার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ১ হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৩৩ ডলার, যা শুক্রবারের ৩ দশমিক ১৯ ডলারের তুলনায় প্রায় ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।



